গতরাতের মুহুর্ত।
দীর্ঘদিন পরে গত সন্ধ্যায় আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলাম। আসলে, সেভাবে আজকাল আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ হয় না—হয়তো তা নানাবিধ কারণে।
শীতের আগমন উপলক্ষে পার্শ্ববর্তী এলাকায় মেলার আয়োজন হয়েছে—এটা আসলে প্রতিবারই হয়। বলা যায়, এটি এক ঐতিহ্য। কারণ গ্রামের সবাই সবার আত্মীয়দের দাওয়াত দেয় মেলা দেখতে ও শীতের পিঠা খাওয়ার জন্য।
গ্রামে আসার পরে এটাই আমার পার্শ্ববর্তী এলাকায় প্রথম দাওয়াত ছিল, এমন কোনো মেলার আয়োজন উপলক্ষে। বলতে গেলে, তারা আমাকে দাওয়াত দিয়েছিল মূলত মেলা দেখার জন্য।দাওয়াতের খবরে বাবু ও গিন্নি সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছিল।
যাই হোক, সন্ধ্যার দিকে যখন মোটরবাইকে চড়ে আমরা রওনা দিয়েছিলাম, তখন বাহিরের পরিবেশটা অন্যান্য দিনের থেকে খানিকটা আলাদা ছিল। হিমশীতল ঠান্ডা বাতাস বইছিল, আর তার মধ্যে আকাশে ছিল পরিষ্কার জ্যোৎস্না।
গিন্নি বারবার বলছিল জ্যোৎস্নার সৌন্দর্যের কথা। মনে হচ্ছিল, অনেকদিন পরে এমনভাবে জ্যোৎস্নার সৌন্দর্য উপভোগ করছি। এক কথায়—দৃষ্টিনন্দন।
যেহেতু সন্ধ্যাবেলা দাওয়াত ছিল, তাই আত্মীয়ের বাড়িতে থাকতে হবে—এটাই স্বাভাবিক। তাদের আয়োজন ছিল বেশ দারুণ, কোনো কমতি ছিল না।মেলাতে যেমন ভালো সময় কেটেছে, তেমনই আত্মীয়ের বাড়িতেও সময়টা আনন্দময় ছিল।
দীর্ঘদিন পর অনেকের সঙ্গে দেখা হয়েছে, টুকটাক খোশগল্পও হয়েছে—সব মিলিয়ে রাতটা যে কিভাবে কেটে গেল, তা যেন বুঝে উঠতেই পারলাম না।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Thank you for sharing on steem! I'm witness fuli, and I've given you a free upvote. If you'd like to support me, please consider voting at https://steemitwallet.com/~witnesses 🌟
আসলে মাঝেমধ্যে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে গেলে বেশ ভালো লাগে। সবার খোঁজখবর নেওয়া যায় এবং মন খুলে কথাবার্তা বলা যায়। যাইহোক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে এবং মেলায় ঘুরাঘুরি করে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন ভাই। এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এটা সত্য ভাই , সেদিন রাতে সময়টা বেশ দারুণ কেটেছিল।