রঙিন সন্ধ্যা
বেশ অনেকটা দিন পরে পরিবার নিয়ে গত সন্ধ্যায় বাইরে গিয়েছিলাম। আগে যখন শহরে থাকতাম, তখন প্রায়ই এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করা হতো। গ্রামে চলে আসার পর থেকে এখন আর আগের মতো শহরের রেস্টুরেন্টগুলোতে যাওয়া হয় না।
ভিডিও লিংক
এটা আসলে পরিস্থিতির কারণেই হয়েছে, তাই হয়তো এখন জীবনে আর কিছুই আগের মতো স্বাভাবিক নেই। তারপরও যেভাবে জীবন চলছে, তাতেই সন্তুষ্ট। কারণ, আফসোস বা হতাশা করলে তো আর সবকিছুর সমাধান হয় না।
গতকাল বিকেলবেলা গিয়েছিলাম শহরে। নিজের ব্যক্তিগত কাজকর্ম শেষ করে, যখন বাড়ির দিকে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন বাবু বারবার জেদ করছিল বার্গার খাওয়ার জন্য। তাছাড়া গিন্নির টুকটাক আবদার তো আছেই—গিন্নির খুব ছোট আবদার, ফুচকা খাওয়া।
অবশেষে সন্ধ্যাবেলার দিকে চলে গিয়েছিলাম বাল্যবন্ধুর ‘চাটনি রেস্টুরেন্টে’। একদিক থেকে অবশ্য ভালোই হয়েছে—দীর্ঘ সময় বাল্যবন্ধুর সঙ্গে গল্প করতে পেরেছি এবং পরিবারের সদস্যরা তৃপ্তি সহকারে নিজেদের পছন্দমতো খাওয়া-দাওয়া করেছে।
যদিও খানিকটা পয়সা খরচ হয়েছে, তারপরও পরিবারের সদস্যদের মুখে যে প্রফুল্লতার হাসি দেখেছি, তা আমাকে গভীর প্রশান্তি দিয়েছে।
সব মিলিয়ে বলতে গেলে, সময়টা দারুণ কেটেছে। মনে হচ্ছিল, অনেক দিন পরে এমন একটা সন্ধ্যা কাটালাম—খুবই একান্তে, নিজের মতো করে।
নিজেদের কাটানো সেই মুহূর্তগুলোর উপর ভিত্তি করে একটা ভিডিও শেয়ার করেছি আপনাদের সঙ্গে—আশা করি, ভালো লাগবে।
ধন্যবাদ।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আসলে মাঝেমধ্যে পরিবারকে নিয়ে এমন সময় সবারই কাটানো উচিত। আমিও মাঝেমধ্যে চেষ্টা করি পরিবার নিয়ে এভাবে সময় কাটাতে। তবে সবসময় সেটা হয়ে উঠে না। যাইহোক চাটনি রেস্টুরেন্টে গিয়ে এককথায় দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন ভাই। এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ ভাই, আমার অনুভূতি বুঝতে পেরে মন্তব্য করার জন্য। এটা সত্য সময়টা আসলেই সেদিন বেশ ভালো কেটেছিল ।