বলপেনের কালি
অনেক কিছুই লিখতে মন চায়। আশেপাশে যা ঘটছে, তা তো কারও অজানা নয়। যদি কলম থেকে দুটো ধারালো শব্দও বেরিয়ে আসত, তবুও হতো। কিন্তু আজকাল শুধু কণ্ঠরোধই নয়, কলমকেও থামিয়ে দেওয়া হয়।
অনেককে ব্যক্তিগতভাবে চিনি-জানি, যাদের কলমে একসময় প্রতিবাদ উথাল-পাথাল করত। তবে এখন শুধুই আফসোস হয়—যতটুকু চিনতাম, হয়তো ততটুকুও ঠিক চিনিনি। একে একে সব কলম থেমে গেছে, শীতল হয়ে গেছে প্রতিবাদের ভাষা।
অনেকের তো কলমের কালি এখন শুধু প্রেমের জন্য; যে কালি আর প্রতিবাদ ছড়ায় না, বরং ন্যাকামির গল্প প্রজ্বলিত করে।
হায়রে কবি!
মাথায় শুধু প্রেম আর কামনার ঘোর;
সেখানে আর প্রতিবাদের কোনো স্থান নেই।
কে এগিয়ে আসবে সমাজের জন্য? পরিবর্তনের ভাষা কার মুখ থেকে বের হবে?
কে লিখবে—
ওহে তরুণ,
বাঁচতে হলে প্রতিবাদ করেই বাঁচতে হবে।
অধিকার আদায়ের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার স্ক্রিন নয়, রাজপথই সবচেয়ে যোগ্য স্থান।