মাওলানা ভাসানী সেতু
গত কয়েকদিন আগে পরিবার নিয়ে সাড়ে তিন ঘন্টা মোটর বাইক চালিয়ে চলে গিয়েছিলাম সেই তিস্তা নদীর উপরে। মূলত সুন্দরগঞ্জের হরিপুরের শেষ প্রান্ত থেকে চিলমারী শুরুর মাঝ দিয়ে সুবিশাল তিস্তা নদী চলে গিয়েছে।
ভিডিও লিংক
সেখানেই মূলত খুবই সাম্প্রতিক সময়ে, মাওলানা ভাসানী সেতু নির্মিত হয়েছে। এটা উত্তরবঙ্গের মধ্যে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ সেতু। এত বড় সেতু, যা কিনা নদীর এপাশ থেকে ঐপাশ পর্যন্ত পুরোপুরি দেখা যায় না।
আসলে, আমাদের স্থানীয় এলাকা থেকে অনেকেই এই সেতুটা দেখার জন্য গিয়েছিল, তাই আমরাও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যদি সময় সুযোগ হয় তাহলে অবশ্যই সেখানে যাব।
অবশেষে গত দুই সপ্তাহ আগে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এসেছিল। খুব সকালে পরিবার নিয়ে রওনা দিয়েছিলাম, যেহেতু দীর্ঘ অনেকটা পথ জার্নি করতে হবে এবং বলতে গেলে সবকিছু অজানা অচেনা, তাই অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করছিল নিজের মাঝে।
তবে সেই অনুভূতি আরো গাঢ় হয়েছিল, স্বচক্ষে সেতুটা দেখার পরে। এত সুন্দর পরিবেশ যা আসলে বলার বাহিরে। এই যে দীর্ঘ পথ জার্নি করে এসেছিলাম, সেই সব ক্লান্তি যেন মুহূর্তেই ভুলে গিয়েছিলাম। সেতুটা এতো সুন্দর, যা বলার বাহিরে।
তাছাড়া এই সেতুর মাধ্যমে দুইপাশের মানুষের যোগাযোগ খুব ভালোভাবে হয়েছে এবং সেখানকার মানুষের জীবন জীবিকার মান উন্নয়ন হয়েছে।
তাছাড়া প্রতিনিয়ত দর্শনার্থীরা সেখানে ঘুরতে আসে এবং সেতুকে ঘিরে বিনোদনের ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, তাই সব দিক থেকে বলতে গেলে সেদিন সময়টা আমাদের বেশ ভালই কেটেছে এবং আমরাও দীর্ঘদিন পরে মানসিকভাবে বেশ প্রফুল্ল বোধ করেছি।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
বাহ্! ফটোগ্রাফি গুলো তো দারুণ হয়েছে। ফটোগ্রাফি গুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে, মাওলানা ভাসানী সেতুতে গিয়ে আপনারা এককথায় দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন। সাথে তো দেখছি দোলন ভাইও ছিলো। যাইহোক এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
এটা সত্য ভাই, সময়টা সেদিন দারুণ কাটিয়েছিলাম। তাছাড়া দোলন ভাই ওখানেই এখন চাকরি করে।