গন্তব্য যখন ডাক্তার বাড়িতে
গতকালকেই বলে রেখেছিলাম, বিপদ যেন আমার কোনভাবেই পিছু ছাড়ছে না। এমনিতেই পুরো পরিবারের লোকজন অসুস্থ, তার ভিতরে আমার শাশুড়িকে বাসায় ডেকেছিলাম আমার পরিবারের লোকজনদেরকে দেখাশোনা করার জন্য, তবে দুঃখের বিষয় আমার শাশুড়ি আমাদের বাসায় এসে, সে নিজেও অসুস্থ হয়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র পুরো পরিবারের মধ্যে আমাকেই যেন এই অসুস্থতা এখন পর্যন্ত ঘায়েল করতে পারেনি।
মূলত সবার একই সমস্যা, গলা ব্যথা, সর্দি কাশি ও জ্বর। গতদিন বিকেল পর্যন্ত বাবু সুস্থ ছিল, তবে বিকেলের পর থেকে হঠাৎই বাবুরও একই সমস্যা হয়ে গিয়েছে।
যেহেতু পরিবারের সকলকে আমি একদিন নিজেই ফলোআপে রেখেছিলাম, তাই খুব একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারিনি। বলা যায় যে, শারীরিক অবস্থার তেমন কারো কোন ভিন্নতা আসেনি। তাই বাধ্য হয়েই বিকেলের দিকে সবাইকে নিয়ে, আমার সিনিয়র কলিগের চেম্বারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গিয়েছিলাম।
যাইহোক যেহেতু আমার কলিগ বগুড়া মেডিকেল কলেজের প্রভাষক। তাই মোটামুটি সে তার চেম্বারে বসে বিকেলের পরে। যেহেতু তার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা আগে থেকেই মুঠোফোনের মাধ্যমে করা ছিল, তাই সিরিয়ালের জন্য তেমন কোন ঝামেলা পোহাতে হয়নি।
বাবু, বাবুর মা ও আমার শাশুড়ি মূলত সকলেই এতটাই অসুস্থ ছিল যে, সবাই প্রচুর দুর্বল হয়ে গিয়েছিল এবং আমার কলিগ তাদেরকে ভালোভাবে দেখার চেষ্টা করল এবং শেষে যে মন্তব্যে উপনীত হলো, তা মূলত এই গরম ঠান্ডা জনিত কারণে সবার এমনটা হয়েছে। যেটা আমি বিগত সময়েও বলেছি। তবে এ যাত্রায় আমার কলিগ উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক যুক্ত করেছে প্রেসক্রিপশনে।
সে তো আমাকে বেশ ভালোভাবে বলেই দিল যে, দেখো শুভ আমি আর কোন দেরি করতে চাচ্ছি না। কারণ সবার যে শারীরিক অবস্থা তাতে অ্যান্টিবায়োটিক চালু করাই উচিত। আমি অবশ্য তার কথায় সহমত পোষণ করেছি।
মূলত কয়দিন আগে যখন ভীষণ গরম পড়েছিল, সেই সময় এত পরিমানে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি ও আইসক্রিম খাওয়া হয়েছিল, যার কারণে সবার এই সমস্যাটা হয়েছে। ব্যাপারটা এখন বেশ ভালো ভাবে বুঝতে পারছি আমি।
যাইহোক যেহেতু ওদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে,তাই আমি আর দেরি করতে চাচ্ছি না। বাসায় ফিরে মূলত আবারো ফার্মেসির দোকানের উদ্দেশ্যে চলে গেলাম এবং সেখানে গিয়ে মূলত প্রেসক্রিপশনে যে ওষুধগুলো লেখা ছিল, সেই ওষুধগুলো কিনে দ্রুত আবার বাসায় ফেরত চলে আসলাম।
সত্যি বলতে গেলে কি, মনের অবস্থা খুব একটা ভালো নেই। কারণ পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে আছে এবং সকলের অবস্থা দেখে নিজেরই বেশ খারাপ লাগছে। যাইহোক আমি মনেকরি যে সকলের দ্রুত সুস্থতা দরকার এবং এমতাবস্থায় আমাদের নিজেদের আরো সচেতন হওয়া উচিত।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
প্রথমত আপনার পরিবারের সবার জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা যেন সবাই খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠে ৷ আসলে অসুস্থ হলেই বোঝা যায় যে সুস্থতা হওয়া কতটা জরুরী ৷ আপনার পরিবারের সবাই অসুস্থ তা জেনে সত্যি অনেক খারাপ লাগছে৷ যেহেতু খুবই অসুস্থ তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াই দরকার ৷
আসলে এটা সত্য কথা, অসুস্থ হলে বোঝা যায় যে সুস্থ থাকাটা কতটা পরিমাণ জরুরি আমাদের নিজেদের জন্য।
ভাইয়া দোয়া রইল পরিবার সকলের জন্য। আল্লাহ যেন আপনার পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যকে তাড়াতাড়ি সুস্থতা দান করেন। তবে আমার মনে হয় তাড়াতাড়ি ডাক্তার দেখিয়ে ভালোই করেছেন। যদি আপনি নিজেও একজন ডক্টর। বেশ দৌড়ঝাপের মধ্যে আছেন মনে হচ্ছে।
আসলে প্রথমত প্রাথমিক চিকিৎসা আমি নিজেই দিয়েছিলাম, পরে যখন দেখলাম আর হচ্ছিল না তাই বাধ্য হয়েই সিনিয়র কলিগের শরণাপন্ন হয়েছিলাম আপু।
ভাইয়া, আপনার পরিবারের কথা জানতে পেরে সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। এটা ঠিক প্রচন্ড গরমে অতিরিক্ত ফ্রিজের পানি কিংবা আইসক্রিম খাওয়ার জন্য হয়তো এরকম অসুস্থতা দেখা দিয়েছে। এইতো কয়েকদিন আগেও আমার ঠিক এরকমই অবস্থা হয়েছিল। পরিবারের সবাই অসুস্থ হলেও, আপনি যে সুস্থ আছেন এটা জেনে ভালো লাগলো। কারণ আপনি অসুস্থ হয়ে গেলে পরিবারের দেখভাল করার হয়তো ভিশন অসুবিধে হয়ে যেত। মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে আপনার পুরো পরিবারের জন্য প্রার্থনা করছি, সকলেই যেন খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।
ধন্যবাদ ভাই আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য, শুভেচ্ছা রইল।
প্রথমে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি আল্লাহ যেন তাড়াতাড়ি আপনার পরিবারের সবাইকে সুস্থ করে দেয়। তবে ভাইয়া পরিবারের কেউ অসুস্থ থাকলে নিজের মনের মধ্যে শান্তি থাকে না। সারাক্ষণ বিভিন্ন ধরনের চিন্তা ভাবনা আসে। তবে যেভাবে গরম পড়তেছে সবাই নিজের শরীরের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি এবং আইসক্রিম জাতীয় খাবার গুলোর কারণে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়তেছে। যাক সবাইকে ডাক্তার দেখিয়েছেন খুব ভালো করলেন। আল্লাহ সবাইকে সুস্থ রাখুক এই কামনা করি।
ধন্যবাদ ভাই, সুন্দরভাবে মন্তব্য করার জন্য। শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।
আসলে ভাই খারাপ সময় যখন আসে তখন সব দিক দিয়ে যেন চলে আসে। বলার কিছু নেই। শুধু এটুকুই বলবো সৃষ্টিকর্তার উপরে আস্থা রাখুন। আমার বিশ্বাস যেহেতু এন্টিবায়োটিক শুরু হয়ে গেছে, খুব তাড়াতাড়ি সবাই সুস্থ হয়ে যাবেন। আর আপনিও নিজেকে সামলে রাখবেন ভাই।
একদম ঠিক বলেছিস রে, সময় খারাপ গেলে আসলে সব দিক থেকেই যেন ঝামেলা লেগেই থাকে। দেখি কি হয় সামনে।
আসলে ভাইয়া আমরা যখন অসুস্থ থাকি তখনই বুঝতে পারি যে সুস্থতা আমাদের জন্য কত বড় একটি নিয়ামত। যা ভাইয়া আমি আপনার পরিবারের সকলের জন্য সার্বিক সুস্থতা কামনা করছি। মহান সৃষ্টিকর্তা যেন সকলকে খুব দ্রুত আরোগ্য দান করেন। পরিবারের সদস্যরা যদি এরকম অসুস্থ থাকে তাহলে মনের অবস্থাটা খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক ভাইয়া। এই অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ সেবন করা এবং ধৈর্য ধরা ছাড়া কোন উপায় নেই।