কাঁঠাল পাতা
শুনলাম, স্থানীয় এলাকার ফ্লাইওভারের আশেপাশে নাকি ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চাগুলো কাঁঠাল পাতার জন্য ম্যা ম্যা করছে। কী এক অবস্থা!
প্রিয় পাঠক, চাইলে ছাগলের বাচ্চাগুলোকে কাঁঠাল পাতা খাওয়াতে খাওয়াতে ফ্লাইওভারের গুরুত্ব ও তাৎপর্য হাতে-কলমে বুঝিয়ে দিতে পারেন।
একটা বিষয় চিন্তা করে দেখুন—ফ্লাইওভার তৈরি হয় শহরের যানজট কমানোর জন্য। অথচ সেই ফ্লাইওভার নিয়েই কিছু মূর্খ সাংবাদিক বারবার সোশ্যাল মিডিয়ায় বলে বেড়াচ্ছে, “এই ফ্লাইওভার আমাদের কোনো কাজে আসবে না; এটা করার চেয়ে না করাই উত্তম।”
মাঝেমধ্যে এসব তথাকথিত সাংবাদিকের কার্যকলাপ দেখে ভীষণ হতাশ হয়ে যাই। তখন মনে হয়, এদের জ্ঞান-বুদ্ধি বোধহয় মাথায় নেই; যা একটু আছে, সেটাও হয়তো মলদ্বারের আশপাশে অবস্থান করছে। তা না হলে প্রতিনিয়ত এমন উদ্ভট ও দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা কীভাবে বলে বেড়ায়!
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, এরা যে কনটেন্টগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে, সেখানে নেটিজেনদের তিক্ত মন্তব্যের পরিমাণ এত বেশি যে তা সত্যিই চিন্তার বাইরে। কোনো সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে এমন মন্তব্য হজম করাও বেশ কষ্টসাধ্য ।
অপ্রিয় সত্য হচ্ছে, এসব তথাকথিত সাংবাদিক এখন ভিউ-ব্যবসা নিয়েই বেশি ব্যস্ত। ফলে কোনটা যৌক্তিক আর কোনটা অযৌক্তিক, সেই বোধটুকুও যেন ক্রমশ হারিয়ে ফেলছে।
প্রকৃতপক্ষে, এদের কর্মকাণ্ডের প্রতি আমার ঘৃণা ও বিরক্তি এতটাই প্রবল যে, সুযোগ পেলে সরাসরি মুখের ওপর থুতু দিতেও দ্বিধা করতাম না।