জীবন যেখানে যেমন
200 টাকা হয়তো কারো কাছে একদম সামান্য কিছু অর্থ কিন্তু 200 টাকা কারো কাছে তার সারাদিনের ইনকাম ।বাড়িতে কিছু লোক এসেছে, আসলে তাদেরকে কিছু কাজের জন্য নেওয়া হয়েছে বাড়িতে।আমি তাদের কাজগুলো দেখি আর চিন্তা করি, কিভাবে সম্ভব এত অল্প পয়সায় সারাদিন ব্যাপী এই কাজগুলো করা।
বাবা আমার কৃষি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত, এ কথা বলতে আমার লজ্জা হয় না বরং দিনশেষে গর্ববোধ হয়। কারন আমার বাবার,ফলানো ফসল যখন বাজারে বিক্রি হয়, সেই ফসল কিনে থাকে পয়সাওয়ালা মানুষজন। মানে এখানে আমার বাবার সম্পর্ক আর পয়সাওয়ালা লোকের সম্পর্ক অতপ্রোতভাবে জড়িত আছে। তাই আমি মনে করি,এই জায়গায় দুইজনকেই সমান চোখে দেখার।
অন্যান্যবারের তুলনায় এবার অধিক ফসল ফলানো হয়েছে এবং অধিক ফসল জমিতে হয়েছে। যার কারণে সব ফসল মোটামুটি এবার ভালভাবেই বিক্রি করা হয়েছে। এবং অতিরিক্ত যে ফসলের খড় গুলো থাকে সেগুলো আমাদের খামারের গবাদিপশুর জন্য রাখা হয়, কারণ গবাদিপশুরা এই খড় গুলো খেয়ে থাকে। আসলে বাড়িতে লোক গুলো নেওয়া হয়েছে, শুধুমাত্র এই খড় গুলো গোছানোর জন্য এবং সেগুলো একটা জায়গায় স্তুপ করে রাখার জন্য। সত্যিই এই কাজটা মোটেও সহজ না, আমি যেভাবে মুখে বললাম। কারণ খড় গুলো একত্রে করে সেগুলো একটা স্তুপ তৈরি করতে আসলে অনেক পরিশ্রম হয়। তার মধ্যে এই অসহ্য গরমে যেখানে টিকে থাকা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে, সেখানে এ ধরনের বিরক্তিকর কাজ করা আসলে অনেক কষ্টদায়ক।
আসলে এই মানুষগুলোর এই গরম আর এই কাজ একদম সহ্য হয়ে গিয়েছে। কারণ তাদের অর্থ দরকার আর এখানে 200 টাকা তাদের কাছে অনেক বেশি। কারণ 200 টাকা দিয়ে এই মানুষগুলোর বেশ কয়েকদিন মোটামুটি ভালো ভাবে সংসার চলে যায়। তাই তাদের কাছে জীবনের সংগাটা একটু আলাদা।
খুব ভালো লিখেছেন। আপনার বক্তব্য এবং ছবিগুলো দেখে আমার সেই গ্রামীণ জীবনের কথা মনে পড়ে গেলো। গ্রামের দিকে খড়গুলো এইভাবে গুছাতে দেখতে খুব ভালো লাগে।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
গ্রামের দৃশ্য গুলো মনের প্রশান্তি পায়। খুব ভালো কন্টেন্ট। গ্রাম্য জীবন যাত্রার উপর।ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া।
খেটে খাওয়া মানুষদের আমি চিরকাল শ্রদ্ধা করি । লেখাটি পড়ে খুবই ভালো লাগলো । ধন্যবাদ ।
আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।