বাংলাদেশ ভ্রমণ। পর্ব : ১৭
কেমন আছেন " আমার বাংলা ব্লগ " পরিবারের সবাই। আশাকরি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই খুব ভালো আছেন। আপনাদের আশীর্বাদে এবং সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আমিও খুব ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে আমার বাংলাদেশ অন্যতম একটা আনন্দের মুহূর্ত শেয়ার করব। আশাকরি আপনাদের সবার খুব ভালো লাগবে।
তো আমাদের মোমবাতি জ্বালানোর শেষে আমরা প্রসাদের উপরে আমাদের নিজেদের নাম এবং গোত্রের নাম লিখে দিলাম এবং তার সাথে কিছু প্রণামীও ঠাকুর মশাইকে দিলাম। আমাদের পূজো দেওয়া শেষ হয়ে গেলেই আমরা মন্দিরে চারিপাশ সাত পাক ঘুরলাম। সাত পাক ঘোরা শেষ হয়ে গেলে আমরা মন্দিরের সামনে এসে কিছুক্ষণ হাত জোড় করে প্রার্থনা করতে লাগলাম।
এরপর আমাদের পূজো দেওয়া শেষ হয়ে গেলে মন্দিরের পুরোহিত আমাদের প্রসাদ দিয়ে দিলেন। প্রসাদ পেয়ে আমরা মন্দিরের চারিপাশ একটু ঘুরে দেখতে লাগলাম।
মন্দিরের পাশে ছিল একটি শ্রী দুর্গা মন্দির। আসলে এখানেও নাকি দুর্গাপূজার সময় ধুমধাম করে দূর্গা পূজা পালিত হয়। আসলে দূর্গা পূজার পর প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে দেওয়া হয় বলে মন্দিরে দুর্গার কোন মূর্তি ছিল না।
আসলে এই মন্দিরে প্রবেশের মুখের গেটটি এক কথায় অসাধারণ ছিল। গেটে যেসব শিল্পকর্ম তুলে ধরেছেন তা খুবই সুন্দর এবং নিখুঁধ এবং এই যে এই গেটে যে রং করেছে তার হাতের কাজও খুব সুন্দর।
পরবর্তীতে আমরা শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী সমাধি মন্দিরে গেলাম। আসলে বাবার এই সমাধি মন্দির দেখার সৌভাগ্য সবার হয় না। যাইহোক বাবার কৃপায় আমরা তার সমাধি মন্দির দর্শন করার সুযোগ পেলাম।
মন্দিরের ভিতরে বাবার পাথরের মূর্তি তৈরি করা আছে। এবং তার পিছনে বাবার একটা ছবিও রয়েছে। আমরা কিছুক্ষণ বাবার সমাধি মন্দিরের সামনে বসে রইলাম। অবশ্য প্রথমে প্রণাম করেই বসে ছিলাম। আসলে এসব জায়গায় যেতে পারলে মন প্রাণ সব পবিত্র হয়ে যায়।
বাবার মন্দিরের পেছনে শ্রী জানোকিনাথ ব্রহ্মচারীর ও সমাধিস্থান রয়েছে। ওই সমাধির সামনে গিয়েও আমরা কিছুক্ষণ প্রার্থনা করলাম।
এই মন্দিরের প্রাঙ্গণে একটা বড় পুকুরে রয়েছে। পুকুরে অবশ্য মাছের সংখ্যা খুবই কম। কিন্তু উপরে চারিপাশে বসার সুন্দর জায়গা রয়েছে।
পুকুরের মাঝে শিব ঠাকুরের একটা মূর্তিও রয়েছে। এই শিব ঠাকুরের মূর্তিটিও খুব সুন্দর ছিল। রাতের বেলা বিভিন্ন রংবেরঙের আলোতে মূর্তিটি আরো যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে।
এছাড়াও মন্দিরের পিছনে রয়েছে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর আশ্রম। অর্থাৎ যারা এই মন্দিরের কাজকর্ম করে তাদের থাকার জন্য একটা বিল্ডিং।
ক্যামেরা পরিচিতি : Xiaomi
ক্যামেরা মডেল : M2007J20CI
ক্যামেরা লেংথ : 3 mm
তারিখ : 12/10/2022
অন্যদিকে পাশে রয়েছে অনেক কবুতরের থাকার জন্য সুন্দর করে তৈরি করা তাদের বাসস্থান। আসলে অনেক কবুতর পোষা হয় এই মন্দিরটিতে।
তো এই ছিল আজ আমার পোস্ট। আশাকরি আপনাদের সবার খুব ভালো লেগেছে। আর আজকের পোস্টটি ভালো লাগলে কমেন্ট করতে অবশ্যই ভুলবেন না।
সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে।