আমাদের চিন্তা ধারা।
###আমাদের চিন্তাধারা ###
আসসালামু আলাইকুম। আশা রাখি সবাই ভাল আছেন, সুস্থ আছেন। বাংলা ব্লগে এ পর্যন্ত যতগুলো পোস্ট করেছি আজকের পোস্টটি মিলবে না আগের কোনো পোস্ট এর সঙ্গে। আমি একটি জিনিস বোঝাতে চাচ্ছি , ছবিকে মেনশন করে, আমার পুরো গল্পটি। আমরা সাধারণত সবাই গল্প, কবিতা, রেসিপি এবং ফটোশুট সংক্রান্ত পোস্ট করি এবং সেই সংক্রান্ত অনেক ছবি আপলোড দেই। কিন্তু গতকাল হ্যাংআউটে আমি একটি প্রশ্ন করেছিলাম যে পোস্টে লেখা, ছবি এবং ডেকোরেশন এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে গুরুত্ব দেওয়া হয় কোনটাকে বেশি। উত্তরে ভাইয়ারা বলেছেন গল্পটা মেইন, এর সঙ্গে ছবি এটা ম্যান্ডেটরি না কিন্তু একটি ছবি অনেক কিছুর মানে বহন করে তাই ছবিটা এমন হতে হবে যেন গল্পের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত হয়। তাই আজকে আমি যে গল্পটি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব সে গল্পটি আমার ছবির সঙ্গে মিল রেখে লেখা।আপনাদের যদি এই গল্পটি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে সহযোগিতা করবেন । যাতে আপনাদের সামনে এরকম গল্প আরো বেশি বেশি উপস্থাপন করতে উৎসাহিত হই।
ছবিতে একটি বাচ্চা বড়শি দিয়ে একটি মাছ ধরেছে দেখতে পাচ্ছি। এই ছবি থেকে আমি যে বিষয় গুলো শিখতে পেয়েছি ঠিক সেই বিষয় গুলো আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করবো ।
-----------------------প্রথম বিষয় -----------------------------
বাচ্চাটি অধীর আগ্রহে একটি বড়শি নিয়ে পুকুরে ফেলে কিছু সময় অপেক্ষার পর
----------------------দ্বিতীয় বিষয় ----------------------------
বড়শি দিয়ে মাছ ধরা অনেক বিপদ জনক আর বিশেষ করে ছোট বাচ্চাদের মাছ ধরাটা তো আরো বেশি বিপদ জনক। কিন্তু এই বাচ্চাটির মনে ভয়ের চিহ্নমাত্র নেই কারণ সে জানে না বিপদ কি জিনিস। যেমন বড়শির কল তার গায়ে লাগতে পারে আবার ছবি তোলার সময় মাছটি যদি ঝাঁকুনি দেয় তাহলে দেখা যাবে সেটাকে সে কন্ট্রোল করতে পারবেনা সে ক্ষেত্র একটা বিপদ ঘটতে পারে এবং পুকুরে পা পিছলে পড়ে যেতে পারে। এ ধরনের বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে তাই আমরা ছোট বাচ্চাদের পুকুরে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে উৎসাহিত করবো না।
--------------------------তৃতীয় বিষয় --------------------------
ছোট বাচ্চাদের বিকাশ লাভের জন্য তাদের ইচ্ছামত অর্থাৎ স্বাধীন ভাবে কিছু করতে দেওয়া উচিত । যখন বাচ্চারা তাদের স্বাধীন মতো কোনো কাজ করতে পারে তখন তারা অনেক আনন্দিত এবং উৎসাহিত হয় আর এই সময় বা পরবর্তী সময় যে বিষয়গুলো সে শেখে, পড়া লেখা করে তা অতিসহজেই রপ্ত করতে পারে।
-----------------------পরিশেষে --------------------------------
সবার উদ্দেশ্যে আমি একটি কথাই বলতে চাই বর্তমানকে গুরুত্ব বেশি না দিয়ে ভবিষ্যৎ কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার । কারণ যত সফল ব্যক্তি আছে তাদের জীবনি পড়লে দেখা যায় উনারা বর্তমানকে গুরুত্ব কম দিয়ে ভবিষ্যতকে গুরুত্ব বেশি দিয়েছেন। তাই তারা বর্তমানে কষ্ট করেছে ভবিষ্যৎ এ সুখী হয়েছে।
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার। আমি কবিতা লিখতে এবং বলতে ভালোবাসি। আজকের গল্পটি একটু ব্যতিক্রম তাই সবাই কমেন্ট করে জানাবেন কেমন হয়েছে।
------------------------ধন্যবাদ --------------------------------
ধন্যবাদ ভাই।
তৃতীয় বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ আসলেই বাচ্চাদেরকে আমাদের উচিত অনেক বেশি সময় দেওয়া ও স্বাধীনতা দেওয়া এতে ওদের মানসিক বিকাশ অনেক ভালো হবে। ছবির সাথে গল্পের মিল থাকা মানেই হচ্ছে অনেক সুন্দর পোস্ট। খুব ভাল লেগেছে আপনার কথাগুলি
ধন্যবাদ ভাই।
অনেক ভাল ছিলো বিষয় টা।আপনার চিন্তা ধারা বেশ গভির আপু এগিয়ে যান।
অনেক ধন্যবাদ ভাই।
কষ্ট করে কোন কিছু অর্জনের মাঝে একটা বাস্তিক সন্তুষ্টি আছে। সব কিছু একটা নেচারাল নিয়মে চলে ধারাবাহিক ভাবে কষ্ট বর্তমান মানে ভবিষ্যতে সুখের আগমন ঘটতে যাচ্ছে। অনেক সুন্দর বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
ধন্যবাদ।
আপু আপনার লেখাটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো আপনি খুব সুন্দর ভাবে গুছিয়ে লিখেছেন। আপনার চিন্তাধারা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আপনি খুবই গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করছেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু এই সুন্দর পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।