সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভালো আছি। বন্ধুরা আমি আপনাদের মাঝে একটি নতুন পোস্ট নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে। আজকে আমি মাটি দিয়ে একটি মিষ্টি কুমড়া তৈরি করব, এবং সেটাই আপনাদের মাঝে ধাপে ধাপে শেয়ার করব।
আসলে আমাদের দেশে মাটির জিনিস হল খুবই ঐতিহ্যবাহী একটা জিনিস। যেটা আস্তে আস্তে আমাদের মধ্য থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।এখন খুব বেশি মাটির জিনিস দেখা যায় না বললেই চলে। তবে মাঝেমধ্যে মেলাতে গেলে এখনো দেখা যায় কুমারীদের হাতের তৈরি সেই সুন্দর সুন্দর বাহারি রকমের মাটির জিনিস। মাটির জিনিস আমার কাছে সব সময় খুব ভালো লাগে। আমি ও অনেক মাটির জিনিস কিনেছি। গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পর হঠাৎ করে হাতের কাছে মাটি দেখে, ইচ্ছে হলো কিছু একটা তৈরি করি। তখন মেয়ের জন্য এই মিষ্টি কুমড়াটি বানানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। এবং যে ভাবনা সেই কাজ, শুরু করলাম।

মাটির মিষ্টি কুমড়াটি তৈরি করার জন্য আমার যা যা প্রয়োজনঃ |
- প্রথমে আমি কিছু পরিমাণে মাটি হাতে নিয়ে নেব ।এবং এটাকে ভালোভাবে হাত দিয়ে মেখে নিতে হবে ।এরপর সামান্য গোল পরিমাণ একটি শেপ তৈরি করে নেব।

- এরপর একটি কাঠি দিয়ে আমি মিষ্টি কুমড়ার মত সাজ করে নেব। বাকা বাকা ভাবে,যাতে ভাজের মত বুঝা যায়।

- এইভাবে আমি সম্পূর্ণ মিষ্টি কুমড়াতে ডিজাইনের মত করে নেব।

- এরপর আমি হাতে অল্প একটু মাটি নিয়ে এটাকে ভালোভাবে মিশিয়ে ,এরপর মিষ্টি কুমড়ার বোটা র মত তৈরি করে নেব।

- এরপর সেই বোটা টিকে আমি মিষ্টি কুমড়ার সাথে জোড়া লাগিয়ে নেব।

- এরপর আমি শুকানোর জন্য রেখে দিব 1দিন।
ভালোভাবে শুকানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে রোদে দিয়ে রাখতে হবে।


ভেবেছিলাম সম্পন্ন বানিয়ে আগুনে পুড়ে রঙ দিয়ে কালার করে দেব, এরপর আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। কিন্তু শুকানোর পরে আমার মেয়ে এটা দিয়ে খেলা শুরু করেছে কিছুক্ষণ খেলার পর সেটাকে মৃত্যুর কোলে ঢেলে দিয়েছে। অকালেই মিষ্টি কুমড়াটি মৃত্যুবরণ করেছে 😁😁। তাই আর এটাকে আগুনে পুড়ে শক্ত করতে পারেনি এবং কালার দিয়ে কালার ফুল করতে পারেনি। এটাকে রঙ দিয়ে কালার করলে আরো বেশি সুন্দর লাগতো।
ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে আমার পোষ্ট টি দেখার জন্য। |
মাটির আসবাবপত্র ব্যবহার করিনি তবে এখন ছবি হিসেবে অনেক কিছুই ঘরে কিনে সাজিয়ে রাখি।
এর আগে মাঝে একদিন কুমার পাড়ায় বেড়াতে গিয়েছিলাম তাদের কাজ কাম দেখে খুবই ভালো লেগেছিল।
মাটি দিয়ে প্রস্তুত করা আপনার মিষ্টি কুমড়াটি দেখতে দারুন লাগছে।
সত্যি আপনার ইউনিক বুদ্ধির তারিফ করতে হয়।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
মাটি দিয়ে আপনি খুবই চমৎকার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মিষ্টি কুমড়া তৈরি করেছেন। মিষ্টি কুমড়ার শরীরে ডিজাইন করে দেওয়াটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। একই সাথে মিষ্টি কুমড়ার বোটাটি দেখতেও অনেক সুন্দর লাগছে। দারুন একটি মৃৎশিল্পের পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার আইডিয়া দারুন ছিল। যদিও মাটির তৈরি জিনিসগুলো এখন খুব কমই দেখা যায়। তবে মাটি দিয়ে তৈরি খেলনা গুলো আমার কাছে খুব ভালো লাগে দেখতে। মাটি দিয়ে খুব সুন্দর একটি মিষ্টি কুমড়া তৈরি করেছেন। দেখে আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি মাটির তৈরি মিষ্টি কুমড়া আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
মাটি দিয়ে খুবই সুন্দর মিষ্টি কুমড়া তৈরি করেছেন। দেখতে অনেক ভালো লাগছে। ধাপে ধাপ উপস্থাপন অসাধারণ হয়েছে। এই মিষ্টি কুমড়া রোদে শুকিয়ে রং করলে আরো সুন্দর লাগবে।
এটা কিন্তু সত্যি যে, এখন মাটির তৈরি জিনিসপত্র তেমন দেখা যায় না। তবে মেলায় গেলে দেখা যায়। মাটির তৈরি জিনিসগুলো আমার খুবই পছন্দের। আপনি খুবই সুন্দর করে মাটি দিয়ে একটা কুমড়া তৈরি করেছেন। শুকানোর পরে এটা যদি রং করা হতো তাহলে আরো বেশি ভালো লাগতো দেখতে। যাই হোক আপনার আইডিয়া কিন্তু অনেক বেশি সুন্দর ছিল আপু। আপনার এরকম একটা ইউনিক আইডিয়া সত্যি আমাকে মুগ্ধ করেছে।
মাটির জিনিস হলো আমাদের ঐতিহ্য। যদিও অনেক টাই এখন কমে গিয়েছে। মাটি দিয়ে মিষ্টি কুমড়া তৈরি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। গ্রামের বাড়িতে বেরাতে গিয়ে চমৎকার একটি কাজ উপহার দিয়েছেন। মিষ্টি কুমড়া দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও তেমন মজা এবং শরীরের জন্য উপকারী। ইউনিক আইডিয়া গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
আপনার মাটি দিয়ে তৈরি মিষ্টি কুমড়াটা যদি রং করা হতো, তাহলে একেবারে সত্যিকারের মনে হতো। নিচে থাকা অবস্থায় আমি তো প্রথমে ভেবেছিলাম, এটি অনেক বড়োসড়ো করে তৈরি করেছেন। ছোটবেলায় মাটি দিয়ে এভাবে অনেক কিছুই তৈরি করা হয়েছে। যদিও ছোটবেলার সেই মুহূর্তগুলো এখন আর ফিরে পাওয়া যাবে না। তবে সেই মুহূর্ত সত্যি অনেক বেশি আনন্দের ছিল। ছোটবেলার স্মৃতি গুলো মনে পড়ে গেল, আপনার তৈরি মাটির কুমড়া দেখে।
আপনার মাটি দিয়ে মিষ্টি কুমড়া তৈরি করা দেখে ছোট কালের কথা মনে পড়ে গেছে আপু। মাটি দিয়ে অনেক খেলা করতাম ছোটকালে। তাছাড়া যখন স্কুলে ছিলাম তখন স্কুলে মাটির তৈরি অনেক কিছু নিয়ে যেতে হতো বার্ষিক পরীক্ষা শেষে। আম্মুর হাতে অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিস তৈরি করা দেখতাম তখন। আজকে আপনার মিষ্টি কুমড়াটি অনেক ভালো লেগেছে দেখে।
এই সমস্ত মৃৎশিল্প গুলো যেন দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের জনসমাজ থেকে। তবে মাঝেমধ্যে লক্ষ্য করে দেখি আমার বড় ভাই বিদ্যুৎ এবং ছোট ভাই ইমন মৃৎশিল্প নিয়ে আপনাদের মাঝে পোস্ট শেয়ার করে থাকে। ঠিক তেমনি ভাবে আপনার এই পোস্ট দেখতে পেরে কিন্তু অনেক ভালো লাগলো। যেন এভাবেই আমাদের মাঝে বেঁচে থাকে এই মৃৎ শিল্প।