"মেসির হাতে বিশ্বকাপ তাই মেসের সবাইকে মিষ্টি মুখ"
হ্যালো..!!
আমার সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আমি @aongkon বাংলাদেশের নাগরিক।
আজ- ১২ ই ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ।
আমি অংকন বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @aongkon। আমি মা, মাতৃভাষা এবং মাতৃভূমিকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমার মাতৃভাষা বাংলার একমাত্র ব্লগিং কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ফাউন্ডার, এডমিন প্যানেল, মডারেটর প্যানেল এবং সকল সদস্য ও সদস্যাদের আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন রইল।
আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়েছি। প্রায় দুই মাস হতে চলছে বিশ্বকাপ হয়েছে তবু এখনো যেন বিশ্বকাপের রেশ কাটেনি। আমার কাছে মনে হয় ২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসের সেরা একটি বিশ্বকাপ। এতটা উত্তেজনা এতটা আবেগ এতটা ভালোবাসা এর আগে কখনো দেখা যায়নি কোন বিশ্বকাপে। আমি অনেক ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার সাপোর্ট করি আর তার থেকেও বড় কথা হচ্ছে আমি লিওনেল মেসিকে খুবই ভালোবাসি কারন তার খেলার ধরণ পার্সোনালিটি সব দিক দিয়েই।
আমি অনেক ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা করতে এবং খেলাধুলা দেখতে খুবই ভালবাসতাম। আর মেসেজ যেহেতু স্পেনের লা লিগার বার্সেলোনা ক্লাবে খেলতো তাই এই খেলা গুলো একটাও মিস দিতাম না সেটা যত রাতেই হোক না কেন। মেসি মানেই আমার কাছে ভিন্ন কিছু ভিন্ন যাদু। মেসি জীবনে সবকিছুই অর্জন করেছে মোটামুটি কিন্তু ২০২২ বিশ্বকাপের আগে শুধু বিশ্বকাপ টাই আধরা হয়েছিল। কিন্তু সেটাও ২০২২ বিশ্বকাপে এসে ধরা দিল মেসির কাছে। একটা বিশ্বকাপ ট্রফির জন্য মেসি কতটা আবেগ জমিয়ে রেখেছিল সেটা হয়তো একমাত্র মেসেই জানে।
আমি এবারের বিশ্বকাপের প্রত্যেকটি ম্যাচ ঢাকা থেকেই দেখেছি কারণ লেখাপড়ার জন্য বাড়ি থেকে আমাকে ঢাকায় আসতে হয়েছে। আসলে ঢাকা শহরে খেলা দেখার মাঝেও একটা বিশাল আনন্দ খুঁজে পেয়েছি আমি এবার। ঢাকার ওলিতে গলিতে যেন শুধুই বিশ্বকাপের উন্মাদনা যেটা দেখে আমার খুবই ভালো লেগেছে। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ ই অনেক সুন্দরভাবে উপভোগ করেছি।
আমার মেসে যারা থাকতাম তাদের ভিতর আমরা তিনজন ছিলাম আর্জেন্টিনা সাপোর্টার দুইজন ছিল ব্রাজিলের সাপোর্টার এবং আর একজন ছিল জার্মানির সাপোর্টার। ভিন্ন ভিন্ন দলের সাপোর্টার হওয়াতে সবাই মিলে খেলা দেখতে বসলে অনেক বেশি মজা হত। বিশেষ করে খেলা দেখতে বসলে প্রতিদ্বন্দ্বী পাওয়া যেত কোন না কোন আর প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া খেলা দেখে মজা পাওয়া যায় না। এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়াতে খুবই কষ্ট পেয়েছিলাম। এতটা কষ্ট হয়তো এর আগে কখনো পাইনি অনেক বেশি হতাশ হয়েছিলাম কিন্তু আশা ছেড়েছিলাম না কারন আমাদের সাথে মেসি ছিল।
যখন থেকে খেলা বোঝা আরম্ভ করছি তখন থেকেই মনে প্রাণে চাইতাম আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতুক বিশেষ করে মেসির হাতে বিশ্বকাপটা উঠুক। সেই চাওয়াটা যখন ২০২২ বিশ্বকাপে এসে পূরণ হয়েছে তাই ম্যাচের সবাইকে মিষ্টিমুখ না করি আর তর সইছিলো না। যাইহোক আমার মেসের যে যে দলেরই সাপোর্ট করুক না কেন আর্জেন্টিনার মেসির হাতে বিশ্বকাপ উঠাতে আমি মিষ্টি কিনে এনেছিলাম তাই মিষ্টিটা সবাই ভালো মতো গ্রহণ করেছিল এবং সবাই আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিল এতেই আমি অনেক খুশি।
পোস্টের ছবির বিবরন
| ক্যামেরাম্যান | @aongkon |
|---|---|
| ডিভাইস | স্যামসাং জে-৭ প্রো |
| ক্যামেরা | ১৩ মেগাপিক্সেল |
| তারিখ | ১৯ ডিসেম্বর |
| লোকেশন | মোহাম্মদপুর,ঢাকা |
প্রিয় বন্ধুরা,
আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত আমার সৃজনশীলতা দিয়ে ভালো কনটেন্ট শেয়ার করে এই কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করতে চাই এবং উচ্চতার শিখরে নিয়ে যেতে চাই। আমার ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন সুস্থ এবং সুন্দর থাকবেন এটাই কাম্য করি।
@aongkon

এবারে প্রত্যেকটা ম্যাচ আপনি ঢাকায় দেখেছেন কারণ আপনার ঢাকায় পরীক্ষা ছিল। প্রতিটা ম্যাচ যখন আর্জেন্টিনা জিতেছে তখন আপনি খুবই আনন্দ উদযাপন করেছেন দেখেই বোঝা যাচ্ছে। তবে আমি আর্জেন্টিনা সাপোর্টার ছিলাম ভাই মিষ্টি পাওয়ার অধিকারটা আমারও ছিল। যদিও আমি মিষ্টি খুবই পছন্দ করি তবে আপনার মিষ্টি দেখে তো এখন আমার খেতে ইচ্ছা করছে। যাহোক মেসির হাতে বিশ্বকাপ তাই ম্যাচের সবাইকে মিষ্টিমুখ করিয়েছেন শুনে অনেক ভালো লাগলো।
আপনিও আর্জেন্টিনার সাপোর্টার ছিলেন তাই অবশ্যই আপনিও মিষ্টির ভাগ পান সেরকম যদি কোনদিন সুযোগ আসে অবশ্যই পাবেন। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
সত্যিই আপনার পোস্টটা দেখে আবারও বিশ্বকাপের কথা মনে পড়ে গেল। ঠিকই বলেছেন এখনো যেন বিশ্বকাপের রেস রয়ে গেছে। তবে এটা ভাল লাগছে যে মেসির হাতে বিশ্বকাপ যাওয়াতে মেসের সবাইকে মিষ্টি খাইয়েছেন দেখে ভালো লাগলো। আপনাদের মধ্যে দেখছি তিনজন আর্জেন্টিনার সাপোর্টার ছিলেন। সত্যি প্রথমে আর্জেন্টিনা হেরে গিয়েছিল। তবে লাস্ট মুহূর্তে বিশ্বকাপ নিয়েছে এটা বেশ আনন্দের মুহূর্ত।
লিওলেন মেসির হাতে বিশ্বকাপ উঠাটা খুবই জরুরী হয়ে গিয়েছিল। সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
পুনরায় বিশ্বকাপের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। মনে হল যেন আবারও সেই অনুভূতিটা খুঁজে পেলাম। যে অনুভূতি মেসি সারা বিশ্বকে জানিয়েছিল। খুবই ভালো লাগলো বন্ধুদের মাঝে এভাবে মিষ্টি বিতরণের অনুভূতিটা। সুন্দরভাবে উপস্থাপনা করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
আপনি আর্জেন্টিনা এবং মেসির সাপোর্টার এজন্যই হয়তো আপনার কাছে এই বিশ্বকাপটা সবচাইতে বেশি মনমুগ্ধকর মনে হয়েছে। কারণ আপনার প্রিয় দল এবার বিশ্বকাপ জিতেছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের অনেকদিনের হাহাকার এবার ঘুচেছে। একটা কথা ঠিকই বলেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে খেলা দেখে মজা নেই। আপনার পোস্ট থেকে বোঝা যাচ্ছে খেলা গুলো দেখে বেশ মজা পেয়েছেন। প্রিয় দল এবং প্রিয় খেলোয়াড় জেতার জন্য সবাইকে মিষ্টিমুখ করিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। তবে ব্রাজিলের সাপোর্টাররা মিষ্টিগুলো খেয়েছে তো? হা হা হা হা। কয়েকটি বানান ভুল করেছেন। এদিকে নজর রাখবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
ব্রাজিলের সাপোর্টাররা আর্জেন্টিনাকে হারানোর চেষ্টা করলেও মিষ্টিগুলো ঠিকই খেয়েছে।অবশ্যই ভাই ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়েছেন এজন্য আমি নজর রাখবো পরবর্তীতে।সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।