The way to death and death is to do - series - 03. মৃত্যু পথযাত্রী এবং মৃত্যু ব্যক্তির জন্য করনীয়- ধারাবাহিক পর্ব- ০৩।

in super8ballclub •  2 months ago

When we realize that there is no more left to die of a person, then he should take care of his condition and read more about Kalima Tayiba. But what we do is try to force him to drink water, even if he is caught in the dust. It also sprayed the teeth with the spoon and gave it water inside the mouth even though it is possible to break the teeth. It should never be. There is no Sahih Hadith available for the person who has to drink water at the time of his death.

What we do more, we also ask that person to recite the Quran. But keep in mind that the devil is vocal about deceiving people at the time of death, Satan tries to make him die so that the person who dies is killed by believing. Therefore, if we ask him to recite the Quran, he may feel uneasy about the Kalima recited in his heart, and as a result he is likely to die by believing in death. So we should sit next to him and recite more Kalima so that he hears and understands that he should read the Kalima now.

If a person dies, his burial should be done as soon as possible. The reason is that if death is good for the person, then he is grateful for the grave and to draw closer to Allah. But if we delay her burial, Allah also becomes unhappy and death also

On the contrary, if a person is guilty of death, then Allah can show his anger or death in any situation. Because of the delay in our funeral, Allah will bring any kind of wrath upon him, but it will affect us all.

Therefore, everyone should complete the burial of death as soon as possible.

Now about some superstitions in our society:

We have come to know through our village Imam Sahib or our husbands that whenever a man or woman dies, he becomes unconscious. For example,
When a husband dies, his wife is not allowed to see his face. As a result, I learned that as long as the person was alive, she was a wife but now she is not divorced, she has been divorced automatically because of her death and that is why she is now ancestral.

In the same way if someone's wife dies, the same procedure is adopted.

But today I will say a new thing, the new thing is for you because many people will hear this word first today, but the word is not new.

The person responsible for the death is the first responsibility of his family or ahalad. Here's the responsibility of the duty. That is, it is your responsibility to give him a meal, janaza, and burial when someone in your family dies as a Muslim.

But what do we do?

Knowing the death of a person, after giving a report to some Hafiz, the Qur'an is used to place the Hafiz on the person around him. After the death, we spent hours and hours trying to find a man, even for people to decide,

But it is clearly said that the responsibility of the deceased person has been given to the above tasks. Even if the woman thinks that she will give her husband the next meal after death and if the wife is a full-grown man, then she will be able to take her husband's dungeon. In the same way, if the wife dies, the wife's wife will be able to give her husband.

The words are so amazing!

But these are the truth. If a sibling gives a fatwa, that if a man dies, the wife will not be able to see him, and if a wife dies, the husband can not see his face and he can not even carry it,

** After the death of Fatima, the mother of Paradise, who gave up her sack?
** If Hazrat Ali (R) can give Fatima a cloak, why can not other husbands be given to his wife and other wives to shed her husband?

** After the death of Prophet Muhammad (peace be upon him), why did Aisha say, "If we knew that we can give our husbands the cloth, but by oath I can not give anybody except the wives of the Nabiji except their wives".

Woe to those hypocrites who keep their nation blind for salvation and for worldly profit .....

Will run ..................

যখন আমরা বুঝতে পারব একজন ব্যক্তির মৃত্যু বরণ করতে আর বেশীক্ষণ বাকি নেই, তখন তার পরিবাড় পরিজনের উচিৎ তার পাশ বসে বেশি বেশি কালিমা তাইয়েবা পাঠ করা। কিন্তু আমরা যেটা করি সেটা হচ্ছে তাকে পানি খাওয়ানোর জন্য জোর চেষ্টা চালাই এমনকি তার দাতে যদি খিচুনিও ধরে যায়। এছাড়াও চামচ দিয়ে জোর করে দাত ফাঁক করে মুখের ভেতরে পানি দেই যদিও তাতে দাত ভাংগার সম্ভাবনাও থাকে। এটা কখনোই করা উচিৎ নয়। মৃত্যুর সময় ঐ ব্যক্তিকে পানি পান করাতে হবে মর্মে কোন সহি হাদিস পাওয়া যায় না।

এছাড়াও আমরা আরও যা করি সেটা হচ্ছে ঐ ব্যক্তিকে আমরা কালেমা পাঠ করতে বলি। কিন্তু মনে রাখতে হবে শয়তান মানুষকে মৃত্যুর সময়ই বেশী ধোকা দেয়ার জন্য সোচ্চার থাকে, শয়তান চেষ্টা করতে থাকে যাতে ঐ মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি ঈমান হারা হয়ে মৃত্যুবরণ করে। তাই আমরা যদি তাকে জোর করে কালেমা পাঠ করতে বলি তখন সে হয়ত আমাদের প্রতি বিরক্ত হয়ে মনে মনে কালেমা পাঠে অনিহা প্রকাশ করতে পারে এবং ফলশ্রুতিতে সে ঈমান হারা হয়ে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই আমাদের উচিৎ তার পাশে বসে নিজেরা বেশি বেশি কালেমা পাঠ করা যাতে সে শুনতে পায় এবং নিজে থেকেই যেন বুঝতে পারে তার এখন কালেমা পাঠ করা উচিৎ।

কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে যত দ্রুত সম্ভব তার দাফন কাফনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কারণ হল যদি মৃত্যু ব্যক্তি নেককার হয়ে থাকেন তাহলে সে আকুল হয়ে থাকে কবরের জন্য এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য। কিন্তু যদি আমরা তার দাফন কাফনে বিলম্ব করি এতে আল্লাহও অসুন্তুষ্ট হন এবং মৃত্যু ব্যক্তিও।

পক্ষান্তরে মৃত্যু ব্যক্তি যদি বদকার হয় তাহলে আল্লাহ ঐ ব্যক্তির জিবীত অথবা মৃত্যু যে কোনো অবস্থায় তার উপরে গজব নাজিল করতে পারেন। আমাদের দাফন কাফনে বিলম্বের কারনে উক্ত সময়ে আল্লাহ তার উপরে কোনপ্রকার গজব নাজিল করেন তবে সেটা আমাদের সকলের উপরেই প্রভাব ফেলবে।

তাই সকলেরই উচিৎ মৃত্যু ব্যক্তির দাফন কাফন যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করা।

এবার আসি আমাদের সমাজের কিছু কুসংস্কারের ব্যপারে:

আমরা আমাদের গ্রামের ইমাম সাহেব অথাব হুজুরদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে, যখনই কোন পুরুষ বা মহিলা মারা যান তখনই সে বেগানা হয়ে যায়। যেমন-
কারো স্বামি মারা গেলে মৃত্যু ব্যক্তির স্ত্রীকে তার মুখ দেখতে দেয়া হয় না। কারণ হিসেবে এটাই জেনেছি যে, যতদিন ঐ ব্যক্তি জিবীত ছিল তখন সে স্ত্রী ছিল কিন্তু এখন আর নেই, মৃত্যুর কারণে স্বংয়ক্রিয়ভাবে তার তালাক হয়ে গেছে এবং সেজন্যই এখন সে পরপুরুষ হয়ে গেছে।

ঠিক একই ভাবে যদি কারো স্ত্রী মারা যায় ঐ একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।

কিন্তু আজ আমি একটি নতুন কথা বলব, কথাটি আপনাদের নিকট নতুন কারণ অনেকেই হয়ট এই কথাটি আজই প্রথম শুনবেন, কিন্তু কথাটি আসলে নতুন নয়।

মৃত্যু ব্যক্তিকে গোছলের ব্যপারে সর্বপ্রথম দায়িত্ব হল তার পারিবার বা আহালদের। এখানে দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ একজন মুসলিম হিসেবে আপনার পরিবারের কারো মৃত্যু হলে তাকে গোছল দেয়া, জানাজা পড়ানো এবং দাফন দেয়ার দায়িত্ব হল আপনার।

কিন্তু আমরা কি করি?

কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হবে বুঝতে পারলেই কয়েকজন হাফেজকে খবর দিয়ে ঐ ব্যক্তির চারপাশে ঐ হাফেজদের বসিয়ে কোরআন তেলওয়াত করাই। মৃত্যুর পরে গোছল দেয়ার লোক খুঁজতে খুঁজতে ঘন্টার পর ঘন্টা পার করে দেই, এমনকি করবে নামানোর জন্যও লোক ঠিক করি।

কিন্তু স্পষ্টভাবে বলা আছে মৃত্যু ব্যক্তির আওলাদের উপরের উপরোক্ত কাজগুলোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এমনকি যদি স্ত্রী মনে করে সে নিজেই তার স্বামীকে মৃত্যু পরবর্তী গোছল দিবে এবং স্ত্রীর যদি পরিপূর্ণ গোছল দেয়ানোর মত এলেম থাকে অবশ্যই সে তার মৃত্যু স্বামীর গোছল করাতে পারবে। ঠিক একই ভাবে স্ত্রী মারা গেলেও মৃত্যু স্ত্রীর গোছল চাইলে তার স্বামী দিতে পারবে।

কথাগুলো খুবই আশ্চর্যজনক তাই না!

কিন্তু এগুলোই সত্য। কোনো হুজুর যদি ফতোয়া দেন যে, স্বামী মারা গেলে স্ত্রী তার মুখদর্শণ করতে পারবে না এবং কোন স্ত্রী মারা গেলে স্বামী তার মুখ দর্শন করতে পারবে না এবং গোছলও দিতে পারবে না, ঐ হুজুরকে পশ্ন করুন-

** জান্নাতের সর্দারনি মা ফাতেমা ইন্তেকাল করার পর তার গোছল কে দিয়েছেলন?
** হজরত আলি (রাঃ) যদি ফাতেমার গোছল দিতে পারেন তবে কেন অন্য স্বামীরা তার স্ত্রীকে এবং অন্য স্ত্রীরা তার মৃত্যু স্বামীকে গোছল দিতে পারবেন না?

** বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মৃত্যুর পরে মা জননী আয়েশা (রাঃ) আফছোছ করে কেন বলেছিলেন, “আমরা জদি আগে জানতে পারতাম যে, স্বীয় স্বামিকে স্ত্রীরা গোছল দিতে পারবে তবে কসম করে বলছি নবিজির গোছল তার স্ত্রীগণ ব্যতিত আর কেহ দিতে পারত না”।

ধিক ঐসব ভন্ড হুজুরদের যারা নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য এবং দুনিয়াবী লাভের জন্য জাতীকে অন্ধ বানিয়ে রাখে।....

চলবে।.................

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

Congratulations!

This post has been upvoted from Steemit Bangladesh, @steemitbd. It's the first steemit community project run by Bangladeshi steemians to empower youths from Bangladesh through STEEM blockchain. If you are from Bangladesh and looking for community support, Join Steemit Bangladesh Discord Server.

If you would like to delegate to the Steemit Bangladesh, you can do so by clicking on the following links:

50 SP, 100 SP, 250 SP, 500 SP, 1000 SP.

YOU ARE INVITED TO JOIN THE SERVER!

Congratulations! This post has been upvoted from the communal account, @minnowsupport, by sohelsarowar from the Minnow Support Project. It's a witness project run by aggroed, ausbitbank, teamsteem, someguy123, neoxian, followbtcnews, and netuoso. The goal is to help Steemit grow by supporting Minnows. Please find us at the Peace, Abundance, and Liberty Network (PALnet) Discord Channel. It's a completely public and open space to all members of the Steemit community who voluntarily choose to be there.

If you would like to delegate to the Minnow Support Project you can do so by clicking on the following links: 50SP, 100SP, 250SP, 500SP, 1000SP, 5000SP.
Be sure to leave at least 50SP undelegated on your account.