গল্প:হঠাৎ পরিচয় । (শেষ পর্ব )

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago

আমি @rahimakhatun
from Bangladesh
২৩ বৈশাখ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ।

৭ ই মে ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ ।


এখন ষড়ঋতুর গ্রীষ্মকাল ।

আমার বাংলা ব্লগের সকল বাংলাভাষী সদস্যগনকে আমার সালাম এবং আদাব। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, সবাই মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে অনেক ভাল আছি। সবাইকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ ।

bouquet-g8660bfa54_1920.jpg

source

<
শুভ্রার জুতা ঠিক করে মুচি কে টাকা দিয়ে সামনের দিকে হাটতে লাগলো। ছেলেটিও পাশে পাশে হাঁটছে। ছেলেটির নাম হচ্ছে সজল। তারপর হঠাৎ তারা একটি বাস পেলো। দুইজনে বাসে উঠে গেলো। সজল নিজের ভাড়া সহ শুভ্রার ভাড়া দিয়ে দিলো। এত মানুষের ভিড়ে শুভ্রা কিছুই বললো না।

তারা একই স্টেশনে নামলো। ছেলেটির বাসা যদিও তার আগের স্টেশনে তারপর শুভ্রার সাথে কথা বলার জন্য শুভ্রার স্টেশনে নেমেছে। শুভ্রা ছেলেটিকে ধন্যবাদ দিয়ে বাসার জন্য সামনে এগুচ্ছিলো ,ঠিক তখনি সজল বললো জানি আমাকে ফোন নম্বর দিবেন না তবে অনন্ত ফেইসবুক আইডি তা তো দিবেন। সত্যি বলছি আপনাকে ডিস্ট্রাব করবো না।


যদিও শুভ্রা দিতে মন চাচ্ছিলো না তারপর ও ভদ্রতার খাতিরে দিয়ে চলে আসলো ,তার পরের দিন সকালে দেখলো ছেলেটির আইডি থেকে একটি রিকোয়েস্ট আসলো। শুভ্রা দেখেও না দেখার ভান করলো। বেশ কিছুদিন পর রিকোয়েস্ট এক্সসেপ করলো। মাঝে মাঝে তাদের সাথে হাই হ্যালো কথা হয়।


কথা বলার এক পর্যায়ে ছেলেটি শুভ্রাকে বাহিরে কোথায় দেখা করার প্রস্তাব দেয় ,বেশ কিছু দিন বলার পর শুভ্রা রাজি হয় রেস্টুরেন্টে বসার জন্য। তও ভার্সিটি ক্লাস শেষ করে তবে সজল কে সে বেশি সময় দিতে পারবে না। সজল রাজি হয়।


সেই দিন ভার্সিটি এর ক্লাস শেষ হতে হতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে যায় ,তারপর তারা একটি রেস্টুরেন্টে বসে। বেশ কিছুক্ষন কথা বলার পর সজল শুভ্রার বাসা অব্দি পৌঁছে দিয়ে চলে যায়। আসলে সজল প্রথম দেখায় শুভ্রাকে পছন্দ করে করে ফেলেছে ,কিন্তু শুভ্রা বুঝতে পেরেও না বুঝার মত কারণ শুভ্রার যে প্রেম ভালোবাসার সময় নেই ,কারণ ফ্যামিলি থেকে নিষেদ তাছাড়া শুভ্রার স্বপ্ন পড়াশুনা করে নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াবে।


তাই সজল যখন শুভ্রাকে প্রস্তাব দিলো ,তখন শুভ্রা তার নিজের স্বপ্নর কথা বললো ,আর সে এই প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারবে না তাই বললো ,কিঁছু সজল ও বললো অন্তত বন্ধু হয়ে পাশে থাকার জন্য অনুমতি দেও। শুভ্রা কিছুই বললো না ,কিন্তু সে সজল কে এভোয়েট করতে লাগলো।


কিন্তু একটা সময় শুভ্রার মা বাবা উঠে পরে লাগলো শুভ্রাকে বিয়ে দেয়ার জন্য ,শুভ্রা তখন ভার্সিটির শেষের দিকে পড়ছে। একদিন হঠাৎ করে শুভ্রার বিয়ে হয়ে যায়। আসলে শুভ্রা রাজি ছিলোনা ফ্যামিলির চাপে পরে বিয়ে করতে বাধ্য হয়। ব্যাপারটা সজল জানতে পেরে বেশ কষ্ট পায় ।
যাইহোক আজকের পর্ব এই পর্যন্তই ছিল। আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে আজকের পর্বটি। আর ভালো লাগলে অবশ্যই একটি কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

আবার আসবো অন্য কোনো দিন ,অন্য কোন ব্লগ নিয়ে ,সেই অব্দি ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায়।


এতক্ষন সাথেই থাকার জন্য ধন্যবাদ

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png

break .png

Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote


VOTE @bangla.witness as witness


witness_vote.png

OR

Sort:  
 3 years ago 

আপু বেশিরভাগ ভালোবাসার গল্পগুলো এমনই হয়। আমরা যাদেরকে মন থেকে ভালবাসি। অনেক সময় তাদেরকে জীবন সাথী হিসেবে পাইনা। যে ঘটনাটি ঘটেছে শুভ্রার জীবনে। আমার তো বেশ মাইয়াই হচ্ছে। যদি আমি আপনার গল্পের আগের পর্বগুলো পরিনি।