এক দুখিনী বাবার কষ্ট ৩য় বা শেষ পর্ব
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।
এক দুখিনী বাবার কষ্ট ৩য় বা শেষ পর্ব
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা গল্প নিয়ে। আর গল্প মানে আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা । সত্যি বলতে বর্তমান সমাজে বাবা মা বৃদ্ধ হলে তাদের সন্তানরা তেমন দেখে না বলেই চলে। যাইহোক বাবা হাজার কষ্টে থাকলেও সন্তানকে কখনো ছেড়ে যায় না।এমনি একটা গল্প নিয়ে এসেছি। আব্দুল রহিম যেহেতু বিয়ে করেছিল। কিন্তু সেই বউ আব্দুল রহিমের কাজ থেকে জমিজমা লিখে নিতে চাই কিন্তু আব্দুল রহিম কিছুতেই রাজি নয়।এভাবে কিছু দিন যাবার পরে আব্দুল রহিম আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ল।
আব্দুল রহিমের অবস্থা খারাপ দেখে তার দ্বিতীয় স্ত্রী তার কাছ থেকে টিপসই নিতে চাইলো। কিন্তু আব্দুল রহিম বলল আমার দেহে প্রাণ থাকতে আমি জমিজমা লিখে দেব না।তারপর এটা শুনে আব্দুল রহিমের দ্বিতীয় স্ত্রী চলে গিয়েছিল। যাবার কিছু দিন পরে সে ডিভোর্স পাঠিয়ে দিল। এদিকে আব্দুল রহিম অসুস্থ হয়ে মেয়ের বাড়িতে পড়ে রইল। তারপর তার দেখা শোনা তার মেয়ে করতে থাকলো।ছেলে দুটি বাবার দেখাশোনা করতে নারাজ। তবে তার সম্পত্তির ভাগ নেওয়ার জন্য অস্হির।
আব্দুল রহিম যেহেতু মেয়ের কাছে তাই জোর করে কেউ সম্পত্তি লিখে নিচ্ছে না।একদিন আব্দুল রহিম মুমূর্ষু অবস্থায় হয়ে গেল। এমন অবস্থা যেকোনো সময় মৃত্যু বরণ করবে। এটা দেখে তার মেয়ে ভাইদের খবর দিল।খবর শুনে সবাই ছুটে এলো।যেহেতু আব্দুল রহিমের মেয়ের বাড়িতে তাই লোকজন আসাতে মেয়ে রান্নার কাজে ব্যস্ত।আর এই ফাঁকে আব্দুল রহিমের বড় ছেলে তার কাছ থেকে টিপসই নেবার চেষ্টা করছিল।আসলে সন্তান কতটা খারাপ হলে বাবা মারা যাবার সময় মুখে পানি না দিয়ে টিপসই নিতে পারে।
কষ্টে দুঃখের মধ্যে চলগেল আব্দুল রহিম এর জীবন। এভাবে কয়েক দিন থাকার পরে আব্দুল রহিম মৃত্যু বরণ করলেন।আসলে কতটা কষ্ট পেয়ে আব্দুল রহিম মারা গিয়েছে তা বলার মতো নয়। সত্যি বলতে কাছ থেকে না দেখলে বুঝতাম না। আসলে কপালে সুখ না থাকলে সুখ পাওয়া যায় না। আব্দুল রহিম দ্বিতীয় বিয়ে করলেন সেখানে কোন সুখ পেল না।অবশেষে কষ্টে মেয়ের বাড়িতে মৃত্যুর বরণ করলেন।
| প্রয়োজনীয় | উপকরণ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদ পুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1990766406326235296?t=skktWyUT0DshT382XfB0-Q&s=19
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1990767161611366545?t=wTOwU7RjTRsha8h1qM1plg&s=19