রিয়াজ ভাইয়ের বাঁশির সুর তাকে আর ঘরে ফিরতে দিল না। শেষ পর্ব।
আসসালামুআলাইকুম
আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
পোষ্টের ভেরিয়েশন ও কমিউনিটির সৃজনশীলতা রক্ষার্থে আমি চেষ্টা করব একেক দিন একেক বিষয় নিয়ে হাজির হতে।
| রিয়াজ ভাইয়ের বাঁশির সুর তাকে আর ঘরে ফিরতে দিল না। শেষ পর্ব |
|---|
যাই হোক সেদিকে বিস্তারিত যাচ্ছি না তবে এতোটুকুই বলবো তিনি অনেক ভালো বাঁশি বাজাতেন।আর তিনি সব সময় বাঁশি সাথে নিয়ে ঘুরাঘুরি করতেন। আর তার নাকি বাঁশি বাজানোর সবচেয়ে প্রিয় সময় ছিল রাত্রিবেলা। সবাই যখন গভীর রাতে ঘুম নিয়ে অচেতন কিন্তু সে সময় রিয়াজ ভাইয়ের বাঁশির সুর থাকতো জাগ্রত।
রিয়াজ ভাই যখন রাতে বাঁশি বাজাতে বাইরে যেতেন সেটি তার ফ্যামিলির পক্ষ থেকে পুরোপুরি নিষেধ ছিল। কিন্তু তিনি ফ্যামিলিকে না জানিয়ে খুব গোপনে রাত্রে বের হয়ে যেতেন বাঁশির সুর তোলার জন্য। এ নিয়ে ফ্যামিলির কাছ থেকে অসংখ্যবার বকা শুনেছেন।তবে তিনি কখনোই বাঁশি বাজানো বন্ধ করেননি।
লোকমুখে শোনা রিয়াজ ভাই যখন বাঁশি বাজাতেন তখন নাকি মাঠে ময়দানে পরি এসে হাজির হতো। আবার মাঝে মাঝে তিনিও গল্প করে বলতেন গতকালকে আমার বাঁশির সুরে পরি নেমে এসেছিল। যদিও বিষয়টা শুনতে কেমন লাগে, বা কখনো দেখিনি হিসেবে এটা শুধুমাত্র রূপ কথাই মনে হয়। কিন্তু এটা আসলে কতটুকু সত্য সেটা জানিনা তবে তিনি এবং মানুষজন এই রকম কথাই বলতেন।
আমাদের পাশের এরিয়াতে পূর্ব দিকে কূরবার দিঘী নামে একটা বড় দিঘী রয়েছে।একদিন তিনি সেই দীঘির পাড়ে বাঁশি বাজাতে গিয়েছিলেন। কূরবার দিঘীটি যেমন বড় তেমনি তার চারপাশে চতুর্ভুজ আকৃতির অনেক বিশাল পাড় রয়েছে।একদিন রিয়াজ ভাই একা সেই দিঘির পাড়ে গিয়েছিলেন বাঁশি বাজাতে।
সেখানে নাকি বাঁশি বাজাতে বাজাতে পরী নেমে এসেছিল। আর পরির সাথে নাকি সেই রিয়াজ ভাইয়ের সাক্ষাৎ হয়। আর তারপরের দিন রিয়াজ ভাইকে আর কেউ দেখেনি।বাড়িতে কিংবা গ্রামে কোথাও রিয়াজ ভাইকে আর দেখা গেল না সেদিন রাতের পর থেকে। লোকমুখে শোনা, সেই দিন রাত্রে নাকি পরীরা তাকে নিয়ে গিয়েছে।
আসলে কতটুকু সত্যি সেটা জানিনা। তবে এরকম একটি কথা আমাদের এলাকায় সবার মুখে মুখে হয়ে গিয়েছে।আর সে রিয়াজ ভাই এখনো পর্যন্ত তার বাড়িতে এসে পৌঁছায়নি। অনেকে ধারণা করছেন তাকে কেউ মেরে ফেলেছে। আবার অনেকে ধারণা করছেন তাকে পরীরা নিয়ে গিয়েছে। কোনটা সঠিক কেউই জানেন না। আর এই গল্পটা গ্রামের কম বেশি সবাই জানে। আর সেটাই আজকে আপনাদের মাঝে সংক্ষেপে তুলে ধরলাম।
তো বন্ধুরা আজকে আর কথা না বাড়িয়ে এখানে বিদায় নেব। তবে কষ্ট করে যারা পুরো গল্পটা পড়েছেন সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আর বাস্তবিক গল্পটি কেমন লেগেছে সেটা অবশ্যই মন্তব্য করে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।
তো বন্ধুরা আজকে এতটুকু ,আর আমার পোস্ট এ যদি কোন ভুল ত্রুটি থাকে সেটা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।এই বলে আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম।
♥️আল্লাহ হাফেজ♥️ |
|---|
আজ আর নয়, আপনার নিকটতম এবং প্রিয়জনদের সাথে সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন, নিজের যত্ন নিন। আপনার দিনটি শুভ হোক
ফোনের বিশদ বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| পোষ্ট | গল্প |
| মডেল | M32 |
| ফটোগ্রাফার | @nevlu123 |
| সম্পাদনা | শুধু সেচুরেশন |
| অবস্থান | বাংলাদেশ। |
আমি বাংলাদেশ থেকে এমদাদ হোসেন নিভলু। আমার স্টিমিট আইডি হল @ nevlu123। আমি ফেনী জেলায় থাকি। আমার কাজ কম্পিউটার শেখানো, আমার একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে। যেখানে আমি স্টিমিট কাজের পাশাপাশি আমার সময় কাটাই। @nevlu123 নামে আমার একটি ডিসকর্ড অ্যাকাউন্ট আছে। আমার বয়স এখন 30 বছর। আমি জাতিগতভাবে মুসলিম বা আমি মুসলিম কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি। কারণ আমি বাংলা ভাষায় কথা বলি, তাই ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি।


আপনি ঠিক বলছেন আসলে পরীদের নাকি মানুষের প্রতি আকর্ষণ বেশি। আমি অনেক শুনেছি মানুষের সাথে পরীর সম্পর্ক হয়। হয়তো বাঁশির সুরে মুগ্ধ হয়ে পরীরা রিয়াজ ভাইকে নিয়ে গেছেন। মেরে ফেললে তো লাশ পাওয়া যেত। কিন্তু রিয়াজ ভাইকে যখন পাওয়া যায়নি তাহলে নিশ্চয়ই ধরে নিতে হবে ওনাকে পরীরা নিয়ে গেছে। অনেক ভালো লেগেছে গল্পটি পড়ে আসলে বাঁশির সুর এতো মধুর ছিল তাই মুগ্ধ হয়ে গেছে।
জি আপু বাঁশির সুরে মুগ্ধ হয়ে পরীরা রিয়াজ ভাইকে নিয়ে গেছেন। মেরে ফেললে তো লাশ পাওয়া যেত।
https://twitter.com/Nevlu123/status/1631206603121889280?s=20
এরকম প্রচলিত গল্প অনেক থাকে ভাই তবে এর সঠিক ব্যাখ্যা আমরা সত্যিই কেউ জানিনা। পরীর সাথে রিয়াজ ভাইয়ের সাক্ষাৎ প্রথমে দারুন ব্যাপার মনে হয়েছিল। পরে যখন জানতে পারলাম সেই রাতের পর থেকে রিয়াজ ভাইয়ের খোঁজ কেউ কোনদিনও পায়নি তখন রিয়াজ ভাইয়ের জন্য একটু কষ্ট লাগলো। আর হয়তো কেউ কোনদিন রিয়াজ ভাইয়ের বাঁশির সুর শুনতে পাবে না।
জি ভাই আর হয়তো কেউ কোনদিন রিয়াজ ভাইয়ের বাঁশির সুর শুনতে পাবে না।
আসলে আপনার গল্পটি পড়ে রিয়াদ ভাইয়ের জন্য দুঃখ লাগতেছে। এই কথাটি আমি নিজেও শুনেছি। বাঁশি বাজাতে বাজাতে হঠাৎ করে তাকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। তবে কেউ ধারণা করতেছে তাকে পরীরা মেরে ফেলেছে। আবার কেউ বলতেছে পরীরা তাকে নিয়ে বিয়ে করে ফেলেছে। তবে আপনি খুব সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
জি আশা করছি আপনিও গল্পটি শুনেছেন। কারণ আশেপাশেই তো ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
গল্পটি যখন মুখে শুনেছিলাম তখন একরকম লেগেছে তবে এখন পুরো গল্পটা এই পোষ্টের মাধ্যমে পড়ে অনেকটা অবাক লাগলো। যাইহোক বাস্তবিক একটি গল্প জানা গেলে এই পোষ্টের মাধ্যমে। ধন্যবাদ আমাদের সবার মাঝে তুলে ধরার জন্য।
আসলে অবাক লাগারই কথা।অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য ভালো থাকবেন।।