বাবার সাথে সমুদ্রপাড়ে ভ্রমণের স্মৃতিময় একটি গল্প
ছোটবেলা বাবার সাথে আমাদের অনেক স্মৃতি রয়েছে। আর সেই স্মৃতিময় দিন গুলোর কথা মনে করতে পেরে খুবই ভালো লাগে। আসলে বাবা মানে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা। বাবা মানে শত কষ্টে মাঝে সন্তানের কথা চিন্তা করা।তার মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলা।বাবারা সবসময় ছেলেমেয়েদেরকে বট গাছের ছায়ার মত আগলে রাখে।আর এই বাবার সাথে আমার সমুদ্রের পাড়ে ভ্রমণের একটি গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।বাবার সাথে সমুদ্রের পাড়ে অনেক আনন্দময় মুহূর্ত উপভোগ করেছি । সেই দিনগুলোর কথা আজ খুবই মনে পড়ছে। আর এই দিনগুলোর কথা মনে করতে পেরে যেন খুবই ভালো লাগছে। তাই গল্পটি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে আসলাম।
তখন আমি ক্লাস ফাইভে পরীক্ষা দিয়েছি, ক্লাস ফাইভ এর ফাইনাল পরীক্ষা দেওয়ার পর আমাদের স্কুলে অনেক দিন ছুটি ছিলো।আর ছুটির মধ্যে আমরা বাবা সবাইকে নিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণের যাওয়ার কথা বলল। কথা শুনে আমি খুবি আনন্দিত হয়েছিলাম।কারণ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত অপরূপ সৌন্দর্যময় দৃশ্য দেখার সকলেরই সপ্ন থাকে।আর কক্সবাজারে যাওয়ার জন্য সবার একটা স্বপ্ন থাকে। তাই বাবার কথা শুনে অনেক আনন্দিত হয়েছিলাম এবং আমরা কবে যাব,সেই দিনের জন্য অপেক্ষা করতেছিলাম। তো আমরা বাসে করে কক্সবাজার এর যাত্রা শুরু করে দিলাম। বাসের ভিতর অনেক ভালো লাগতে ছিলো, তবে আমি বাবার কোলে ঘুমিয়ে ছিলাম।
তারপরে আমরা কক্সবাজারে পৌঁছালাম। কক্সবাজারে একটি হোটেলে উঠলাম তো ওই হোটেলের নাম খুব একটা মনে নেই। তবে বিকেল বেলা যখন বাবা আমাদের সাথে নিয়ে সমুদ্রের পাড়ে আসলো। তখন খুবই ভালো লাগলো মসমুদ্রের বিশাল বড় বড় ঢেউয়ের শব্দ শুনতে ছিলাম। আর আমি বাবার সাথে সুর্যের পাশে হাঁটতে ছিলাম। সেই মুহূর্তে অনেক আনন্দের ছিল। আমিও ছোট বোন বাবার হাত ধরে হাঁটতে ছিলাম এবং আমার আম্মা ফটোগ্রাফি করতে ছিলো।তখন বাবার এত ভালো একটি ফোন ছিলনা।বাবার ছোটমোটো একটা ফোন ছিল,ক্যামেরা খুব একটা ভালো ছিল না। তারপরও যেন আনন্দের সাথে বাবার সাথে ফটোগ্রাফি করতে ছিলাম।
তারপরে বাবার সাথে বিকালবেলায় সমুদ্রের পানিতে গোসল করতে লাগলাম। সত্যিই সমুদ্রের পানিতে গোসল করার মুহূর্ত অনেক আনন্দের ছিল। তবে আমার মনে রয়েছে,আমি সমুদ্রের পানির ঢেউ নোনা পানি খেয়েছিলাম। বাবা তখনো আমাকে জড়িয়ে ধরে নিয়েছিল এবং আমার চোখ মুখ লাল হয়ে গেছিল। সেই দিনের কথা আজ মনে পড়ছে কারণ বাড়িতে সবাই মিলে কক্সবাজারের যাওয়ার সেই দিনগুলোর কথা আলোচনা করতেছিল। তাই আজকে এই গল্পটি খুব মনে পড়তেছিল আমার। আর আমাদের একটি ফটো এ্যালবাম ছিল। সেই অ্যালবামটির আমি অনেক খুজেছি কিন্তু পেলাম না। সেখানে আমাদের ছোটবেলার স্মৃতিময় ছবি গুলো ক্যামেরাবন্দি ছিলো।
আজ এখানেই শেষ করছি। আবারো অন্য কোনদিন ভিন্ন কোনো কন্টেট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব। ততক্ষন পর্যন্ত আপনারা সবাই ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন, এই দোয়া রইল। আল্লাহ হাফেজ।🙏🤲🙏
আমার নাম মোঃ ফয়সাল আহমেদ ।আমি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাস করি। আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমিকে খুবই ভালোবসি ।আমি সর্বদাই গরীব-দুঃখীদের সেবায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং নতুন সৃজনশীলতার মাধ্যমে কিছু তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।এই ছিল আমার সংক্ষিপ্ত পরিচয়, আপনারা সবাই আমার পাশে থেকে আমাকে সাপোর্ট দিয়ে উৎসাহিত করবেন, ধন্যবাদ সবাইকে।
👉বিশেষভাবে ধন্যবাদ সকল বন্ধুদের যারা এই পোস্টকে সমর্থন করছেন🌺🌹🌺
সবাই মিলে বসে পুরনো স্মৃতি মনে করতে বেশ ভালই লাগে। আপনি আপনার বাবার সঙ্গে কক্সবাজার যাওয়ার এবং ঘুরার খুব সুন্দর মুহূর্ত আমাদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। আসলে প্রথম সমুদ্র দেখার যে অনুভূতি তা পরে আর পাওয়া যায় না। এজন্য প্রথম সমুদ্র দেখতে গেলে খুব ভালো লাগে। আপনার ছোটবেলার স্মৃতি পরে বেশ ভালো লাগলো।
আপনারা মতামতের জন্য ধন্যবাদ আপু
আপনার বাবার সাথে কাটানো এত সুন্দর একটা মুহূর্তের পোস্ট পড়ে খুবই ভালো লাগলো আমার কাছে। আপনি আপনার বাবার সাথে খুবই ভালো একটা মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন দেখছি। আসলে বাবা হচ্ছে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা। বাবারা সবসময় বটগাছের মত ছেলেমেয়েদেরকে ছায়ার মতো আগলে রাখে। খুবই ভালো লাগলো আপনার আজকের এই পোস্ট। খুবই সুন্দরভাবে সবার মাঝে ভাগ করে নিয়েছেন এই পোস্টটি।
আপনি ঠিক বলছেন ভাই আসলে কক্সবাজার আসার জন্য সবাই অনেক বেশি উৎসাহিত থাকেন। আর আমরা কক্সবাজারে আছি বলে প্রতিনিয়ত আছে সেই সমুদ্র সৈকতে যেতে পারি। ছোট বেলায় বাবার সাথে ঘুরতে যাওয়ার অনুভূতিগুলো আলাদা। ছোট বেলার সেই স্মৃতিগুলো অনেক মনে পড়ে বাবার সাথে কাটানো স্মৃতিগুলো। অনেক সুন্দর একটি অনুভূতি শেয়ার করেছেন কক্সবাজারে আসার অনুভূতি পড়ে অনেক ভালো লেগেছে।