(ক্রিয়েটিভ রাইটিং) গল্প // রাতের আঁধারে কবর থেকে মাটি তোলার গল্প (প্রথম পর্ব)
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৮-১০-২০২৩)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি রাতের আঁধারে কবর থেকে মাটি তোলার গল্প (প্রথম পর্ব)। আজকে সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে আপনাদের মাঝে যুক্ত হয়েছি। আসলে আজকে সকাল থেকে অনেক কাজ। সব থেকে বড় কাজ হচ্ছে আজকে কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান আছে। এখন আমরা কলেজের বড় ভাই তাই নবীন ছেলেমেয়েদের কলেজে আজকে বরণ করতে হবে। তাই এই দায়িত্ব কিছুটা আমার উপরেও এসে পড়েছে। তাই আজকে সকাল সকাল আপনাদের মাঝে পোস্ট শেয়ার করতে চলে আসলাম। তবে চলুন আজকে শেয়ার করা যাক কবর থেকে মাটি তোলার গল্প।
গল্পের প্রথমেই আপনাদেরকে বলে রাখা ভালো গল্পটি আমি আমাদের বাড়ির পাশে এক দাদার কাছ থেকে শুনেছি। আসলে আমাদের গ্রামে একজন আমাদের দূর সম্পর্কের এক আত্মীয় ছিল। আমার আব্বুর চাচাতো ভাই আসলে আমার কাকা হয়। আমার কাকার একটি মেয়ে ছিল বয়স অনেক হয়ে যাওয়ার পরেও মুখ দিয়ে কোন কথা বলতে পারে না। এই বিষয়ে অনেক ডাক্তার এবং কবিরাজ দেখায় তাও কোন কাজ হয় না। এভাবেই প্রায় দিন কাটতে থাকে। হঠাৎ একদিন একজন কবিরাজ আমার কাকাকে বলেছিল আপনার মেয়েকে ভালো করা সম্ভব। তারপরে সেই কবিরাজের পরামর্শ অনুযায়ী আমার কাকা কাজ করতে থাকে। কবিরাজ আমার কাকাকে বলে আপনাদের এলাকায় যদি কোন যুবতী মেয়ে মারা যায় সেই মেয়ের কবরের মাটি এক মুষ্টি নিয়ে এসে আমাকে দিতে হবে রাত বারোটার পরে। আসলে এই ঘটনা সত্যি বেশ ভৌতিক একটি ঘটনা। এভাবে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস পর আমাদের এলাকায় একটি যুবতী মেয়ে মারা যায়। আমার কাকা সেই কবর থেকে মাটি আনতে গিয়ে রাতে অনেক ভয় পেয়েছিল। আসলে রাতে আমার কাকা যখন মাটি আনতে গিয়েছিল তখন মাথার উপরে বাঁশের ঝাড় ছিল সেই বাঁশের ঝাড় নাকি আমার কাকার চারিদিকে এসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। আসলে এই ঘটনা শোনার পরে সত্যি আমি ভয় পেয়েছিলাম।
তারপরে আমার কাকা সেখান থেকে এক মুষ্টি মাটি নিয়ে চোখ বুঝে সামনের দিকে হেঁটে চলে এসেছিল। তারপরে সেই মাটি কবিরাজের কাছে নিয়ে গিয়ে ছিল। কবিরাজ সেই মাটি কিছুদিন পরে একটি মানলি তৈরি করে আমার কাকার মেয়েকে দিয়েছিল। আমার সেই কাকার নাম ছিল রফিক। আর আমার সেই কাকার মেয়ের নাম ছিল সাদিয়া। এভাবে প্রায় কবিরাজের কাছে চিকিৎসা হতে থাকে। প্রায় দুই বছর অতিবাহিত হয় তাও মেয়ের মুখ থেকে কোন কথা বের হয় না। অবশেষে মেয়ে অনেকদিন পর কথা বলতে পেরেছিল। আসলে আমার কাকার সেই মেয়ে যখন কথা বলেছিল প্রথম দিন সেই দিন আমার কাকা অনেক অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। এই বিষয়ে আমি আপনাদের মাঝে দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা করব। আশা করি পোস্টে আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। আপনাদের সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আজ আপনি অনেক ব্যস্ত বললেন তারপর ব্যস্ততার মাঝে সকাল সকাল আমাদের মাঝে গল্পটি শেয়ার করেছেন ভাইয়া ধন্যবাদ আপনাকে। গল্পের শুরুটা বেশ গুছিয়ে লিখেছেন। গল্পের প্রথম অংশটা পড়ে আমার অনেক ভালো লাগলো। আবার একটু ভয়ও পেয়েছি যখন আপনার কাকা কবরস্থানে গেল তখন বাঁশগাছগুলো আপনার কাকার সামনে এসে দাঁড়িয়ে গেল। মনে হচ্ছে খুবই ইন্টারেস্টিং একটি গল্প পরের পাতা পড়ার জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
আসলে আপু পরবর্তী পর্ব আপনাদের সামনে উপস্থাপনা করলে আরও বেশি ইন্টারেস্টিং এবং ভয় লাগবে।
ওকে ভাইয়া পড়ার অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
বাবারা সন্তানের জন্য যেকোনো কিছুই করতে পারে তাই গল্পই তার প্রমাণ। আপনার ওই কাকা মেয়ের মুখের কথা ফিরিয়ে আনার জন্য কবিরাজের কথামতো রাতের বেলায় কবর থেকে মাটি তুলতে গিয়ে এরকম ভয়টা পেয়েছে। শুনেই তো আমার গা শিউরে উঠছে। আগেকার দিনে এরকম অনেক গল্প শোনা যেত বাঁশ ঝাড় নিচে আসার। কিন্তু আমার মনে হয় না যে কবিরাজের এই কাজে তার মেয়েটির মুখের কথা ফেরত এসেছে। যাই হোক পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
ঠিক বলেছেন আপু আপনি প্রত্যেক বাবা-মা সন্তানের জন্য নিজের জীবন বাজি ধরতে রাজি।
আসলে এই ঘটনাটি আমি এর আগে শুনেছিলাম। মেয়েকে ভালো করার জন্য একটা যুবতী মেয়ের কবরের মাটি লাগবে। তো ভাগ্নে দেখে তুমিও এই গল্পটি শুনেছো। হয়তোবা এমন হতে পারে তোমাদের বাড়ির কারো কাছ থেকে আমি শুনেছিলাম। আসলে একজন যুবতী মেয়ে মারা যাবে তার কবর থেকে মাটি তুলে আনা এটা কিন্তু অনেক সাহসের একটা কথা। তোমার কাকুর তো কিছু করার ছিল না। কারণ মেয়ের জীবন বাঁচানোর জন্য তো এইটুকু করতেই হবে। এ গল্পটি আমার আগে থেকে জানা ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
হয়তো মামা এই গল্পটি আপনি আমাদের বাড়ির কারো কাছ থেকে শুনেছেন আসলে এটি আমাদের এলাকার একটি ঘটনা।
আসলে ব্যস্ততা সবার মাঝে রয়েছে। আর এত বেশি ব্যস্ততার মাঝেও আপনি আমাদের মাঝে সকাল সকাল পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছেন দেখে ভালো লাগলো। এই গল্পটা দেখছি বেশ ভৌতিক। এরকম গল্প গুলো পড়তে ভালো লাগে তবে আবার ভয়ও করে। কবরের স্থান থেকে মাটি আনা এটা কিন্তু সত্যি ভয়ঙ্কর ব্যাপার। আর এখানে তো ভয় পাওয়ারই কথা। তবে এখানে তো দেখছি ওই মেয়েটা অনেক দিন পরে কথা বলতে পেরেছিল, তাও ওর বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। তার পরবর্তীতে কি হয় এটা জানার অপেক্ষায় থাকলাম।
ঠিক বলেছেন আপু আপনি আসলেই কবরস্থান থেকে মাটি আনা সত্যিই অনেক ভয়ঙ্কর একটি ব্যাপার।
Twitter link
নিজের মেয়েকে ভালো করার জন্য আপনার ওই কাকা কবরস্থান থেকে রাত বারোটার পরে মাটি আনতে গিয়েছিলেন। যদি ওনার ভয় করেছিল তবুও তিনি কাজটা করেছিলেন। তার কয়েক বছর পর দেখছি মেয়েটা ভালো হয়ে গিয়েছিল। তবে মেয়ে ভালো হলেও ওই দিন তার বাবা অসুস্থ হয়ে গিয়েছিল। আশা করছি পরবর্তীতে আরো অনেক কিছু হতে চলেছে এটা দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
ধন্যবাদ ভাই গল্পটি পড়ে এত সুন্দর ভাবে আপনার গঠনমূলক মতামত শেয়ার করার জন্য।
আপনার দাদার মুখ থেকে খুব দারুন একটি গল্প শুনেছেন। সত্যি বলতে আপনার গল্পটি পড়ে আমার নিজের কাছেও ভয় লেগে গেল। রাত বারোটার পর কবর থেকে মাটি আনতে হবে। যদিও আপনার চাচার রফিক মিয়ার সাবাস আছে বলতে হবে। মাটি আনার সময় গাছগুলো তার সামনে দাঁড়িয়ে গেল তারপরও সে মাটি নিয়ে আসলো। যুবতী মেয়ের কবর থেকে মাটি আনা তার সার্থক হয়েছে অনেক বছর পর তার মেয়ে কথা বলেছেন। যাইহোক আপনার পরের পরবে কি ঘটে সেই অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ আপনাকে বাস্তব একটি গল্প আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আসলে ভাই আমি যদি বাড়িতে যাই প্রায় সময় দাদার সাথে থাকা হয় তাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের গল্প বলতো দাদা । সেই গল্পগুলো এখনও কিছুটা মনে আছে তাই আপনাদের মাঝে শেয়ার করি।