(ক্রিয়েটিভ রাইটিং) গল্প // মেস থেকে সাইকেল চুরি হয়ে যাওয়ার গল্প
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (১৪-০৯-২০২৩)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি মেস থেকে সাইকেল চুরি হয়ে যাওয়ার গল্প। প্রত্যেকদিন সকালবেলা থেকেই বেশ ব্যস্ত সময় পার করি। আজকেও সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে সকাল সাতটার দিকে প্রাইভেটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। প্রাইভেট শেষ করে এসে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে কিছুক্ষণ লেখাপড়া করেছিলাম। তারপরে ভেবেছিলাম আপনাদের মাঝে আজকে এখনো যুক্ত হওয়া হয়নি তাই একটা পোস্ট শেয়ার করার জন্য যুক্ত হয়ে গেলাম। তখন ভাবতে ছিলাম কি বিষয় নিয়ে পোস্ট করা যায় হঠাৎ করে মেস লাইফে সেই সাইকেল চুরির ঘটনা মনে পড়ে গেল। তারপরে আপনাদের মাঝে পোস্ট লেখার জন্য বসে গেলাম। তবে চলুন পোস্টি আপনাদের মাঝে নিচে ধাপে ধাপে শেয়ার করা যাক......
তবে চলুন এবার আপনাদের মাঝে মূল ঘটনায় শেয়ার করা যাক। ঘটনাটি ঘটেছিল আজ থেকে প্রায় চার পাঁচ মাস আগে। আমি তখন কুষ্টিয়া মেসে থাকতাম। আমি তখন সাততলা বিল্ডিং এর দ্বিতীয় তলায় থাকতাম। মেসের সিমসাম পরিবেশ আমার কাছে বেশ ভালই লাগতো। আমি তখন কুষ্টিয়া কলেজে পড়তাম। আমাদের মেসে তখন প্রায় ৭০ জন ছেলে থাকতো। সবার কলেজ একটু দূরে হওয়ার কারণে প্রাইভেট একটু দূরে হওয়ার কারণে বাড়ি থেকে বেশ কয়েকজন সাইকেল নিয়ে গিয়েছিল মেসে। সেই সাইকেল আমাদের মেসের প্রথম তালায় একটি গ্যারেজ ছিল সেখানে রাখা হতো। এভাবেই প্রায় দুই তিন মাস কেটে যায়। দিনটি ছিল শুক্রবারের দিন। সবাই আমরা জুম্মার নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে গিয়েছিলাম। মসজিদ আমাদের মেসের পাশে হওয়ার কারণে সবাই আমরা হাঁটতে হাঁটতে গিয়েছিলাম সাইকেল নিয়ে গিয়েছিলাম না। নামাজ শেষ করে আমরা মেসের অনেক ছেলে একসাথে হাঁটতে হাঁটতে আসতে ছিলাম।
আমাদের আগে প্রথমে মেসের দুইটা ছেলে এসেছিল। তারা এসে দেখে আমাদের মেসের তালা ভেঙে ভিতরে দুজন লোক প্রবেশ করেছে সাইকেল চুরি করার জন্য। তারপরে তারা দুজন দৌড় দিয়ে গিয়ে আমাদেরকে সবাইকে ডেকে নিয়ে আসে। আমরা সবাই মিলে সেখানে আসার পরে চোর ধরেছিলাম। আমাদের মধ্য থেকে বেশ কিছু ছেলে চোরকে অনেক মার মেরেছিল আমি শুধু দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। আসলে কারো গায়ে হাত দিতে সত্যি আমার বেশি মায়া লাগে। দুজনকে মেরে রক্তাক্ত করে ফেলেছিল সেখানে। তারপরে পুলিশ আসলো চোরকে নিয়ে গেল। পুলিশ সেখানে বলেছিল আজকেও তোরা আবার চুরি করতে এসেছিস। তারমানে বোঝা যায় কিছুদিন আগেও ওরা কোথাও চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ছিল। আমাদের সাইকেল কিন্তু ওরা নিতে পেরেছিল না শুধুমাত্র দুটি সাইকেলের তালা ভেঙে বাইরে বের করেছিল আর যদি পাঁচ থেকে সাত মিনিট আমরা লেট করতাম তাহলে হয়তো সাইকেল দুইটা চুরি করে নিয়ে যেতো। আশা করি পোস্টে আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত কিছু কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Twitter link
ভাই এটা মেসের খুব কমন একটি ঘটনা।কপাল ভাল ঐ দুইজন তারাতারি নামাজ শেষ করে জলদি এসেছিল,নইলে সাইকেল চুরিই হয়ে যেত।চোর বেচারার কপাল খারাপ।হাহাহা। যাই হোক ভাই ফোন-জিনিস সাবধানে রাখবেন।
ধন্যবাদ ভাই পোস্টে পড়ে এত সুন্দর ভাবে মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
এমন একটি ঘটনা আমি আমার বন্ধুর মুখ থেকেও শুনেছিলাম মামা। তবে খুব সাবধানতার সাথে নিজেকে সজাগ রাখতে হবে যখনই বাইরে থাকবে। ঘটনাটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। হয়তো এ থেকে অনেকেই সজাগ হতে পারবে।
ধন্যবাদ মামা আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করে আমাকে সাবধান করেছেন জেনে বেশ ভালো লাগলো।