পুরাতন এক অলৌকিক দিঘীর গল্প।
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। একটি দিঘির অলৌকিক গল্প আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি।আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
আমাদের পাশের গ্রামেই একটি অনেক বড় দিঘী রয়েছে। ওই ওইদিকে নিয়ে আশেপাশের গ্রামে অনেক কৌতূহল রয়ে গেছে। দিঘীটি অনেক প্রাচীন একটি দিঘী সম্পর্কে অনেকের কাছ থেকে অনেক কিছু শুনেছি আমরা। ওই দিঘী দেখতে অনেক সুন্দর দিঘির চারপাশে অনেক উঁচু পাড় রয়েছে এবং পারে অনেক গাছপালা রয়েছে। দিঘীটি অনেক পুরাতন দেখি যার কারণে দিঘীর পাড়ের গাছগুলো অনেক বড় বড় এবং অনেক মোটা। আমি অনেক আগে একবার গিয়েছিলাম এই দীঘিতে দেখার জন্য। আশেপাশের গ্রামের মানুষ এই দিঘী দেখতে আসে কারণ এই দিঘী নিয়ে অনেক রহস্যময় কথা তারা শুনেছে তার জন্য তারা দেখতে আসে।
প্রাচীন সেই দিঘী রহস্যজনক একটি ঘটনা আপনাদের সবার মাঝে আজকে আমি শেয়ার করব। ওই গ্রামের বৃদ্ধ ব্যাক্তি রয়েছে তাদের তাদের থেকে সবাই এই । এই দিঘীতে নাকি অনেক আগে একটা দ্বৈত থাকতো। আর এই বিষয়টা কতটা সত্যি সেটা জানি না তবে এটা সবাই বিশ্বাস করত আর এ কারণে ভয় কেউ এই দিঘীতে নামতো না।তখনকার সময় মানুষেরা বিয়ের অনুষ্ঠান বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ঐ দিঘীর কাছে যেত সেখানে গিয়ে হাড়ি পাতিল রাখলে সেখান থেকে সোনার হাড়ি পাতিল বা বিভিন্ন ধরনের হাড়ি পাতিল উঠে আসতোঅ এগুলা মানুষ নিয়ে ব্যবহার করত।
তখনকার সময়ে সাধারণ মানুষরা এই হাড়ি পাতিল নিয়ে ব্যবহার করে আবার অনুষ্ঠান শেষে দিঘীর মধ্যে এনে পাতিল গুলো রেখে দিত। তারপর আমার মনে প্রশ্ন জাগে যে তখন আগেকার দিনে যদি এই বিষয়টা হতো তাহলে এখন কেন এই ঘটনাটা হয় না এখন কেন? দিঘী হাড়ি পাতিল ফেলে দিলে আবার সোনার হাড়ি পাতিল আসে না কেন এখন। এরপরে এই প্রশ্ন টির সমাধান করার জন্য আমি অনেকের কাছে জিজ্ঞেস করি। এরপর জানতে পারলাম একদিন নাকি এক ব্যক্তি তার মেয়ের বিয়েতে এরকম সাহায্যের জন্য হাড়ি পাতিল দেওয়ার পর দিঘীতে থেকে সোনার হাড়ি পাতিল উঠেছে সব সময় মতো। এরপর লোকটি তার মেয়ের বিয়েতে এই হাড়ি পাতিল গুলো ব্যবহার করেছেন। বিয়ের অনুষ্ঠানের পর লোকটি হাড়ি পাতিল দীঘীতে ফেরত দিল না। লোকটির লোভ লেগেছে এবং সেগুলো রেখে দেবে চিন্তা করেছে রেখেও দিয়েছে। এরপর থেকে আর কেউ যদি সাহায্যের জন্য দিতে হাড়ি পাতিল ফেলে তখন আর উঠত না। তখন থেকেই অলৌকিক ঘটনাটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে কেউ আর ওই দিঘীতে থেকে সাহায্য পেত না।
এই ঘটনাটি আমরা ছোট থেকে শুনেছি। কিন্তু আমাদের কাছে এটি মনে হচ্ছে কাল্পনিক ঘটনা। যাদের থেকে শুনলাম তারা যেভাবে বলল মনে হয়েছে এটি একটি বাস্তব ঘটনা। আগেকার দিনে এ ধরনের অলৌকিক ঘটনা গুলো প্রায় শোনা যেত।প্রত্যেকটা এলাকায় এরকম একটা অলৌকিক ঘটনা সবার মুখে মুখেই ছিল। তবে বর্তমানে এগুলোও বিশ্বাস করা হয় না আর বর্তমানে এ ধরনের অলৌকিক ঘটনা ঘটেও না। আমি আজকে আপনাদেরকে একটি বাস্তব দিঘীর অলৌকিক গল্প বললাম। যদিও এটা কতটা বাস্তব সেটা আমি নিজেও জানিনা। তবে আশা করি আপনাদের কাছে এই গল্পটি পড়ে ভালো লাগবে।
| শ্রেণী | জেনারেল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @fasoniya |
| ডিভাইস | Vivo Y15s |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
আপু আপনার লেখা এই ঘটনাটি আমার কাছে একেবারেই অবাস্তব মনে হচ্ছে। কারণ দীঘি থেকে সোনার হাড়ি পাতিল উঠে আসার মতো ঘটনা বিশ্বাস করা অসম্ভব। এটা হতে পারে এক ধরনের কাল্পনিক গল্প। যেটা অনেকেই অতীত থেকে শুনে আসছে।
এই বিষয়টা আমিও শিওর ভাবে কিছু বলতে পারছি না কারণ ছোটবেলা থেকেই এই দিঘী সম্পর্কেই কথাগুলো শুনে আসছে সবার মুখে। তবে অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমারই দিঘীর গল্পটি পড়েছেন।
পুরাতন দিঘীর গল্প পড়ে আমার কাছে কৌতূহল সৃষ্টি হল। আগেরকার সময় কোন অনুষ্ঠানে যদি সোনালী পাতিল এবং সবকিছু দিত তাহলে এখন কেন বন্ধ করে দিয়েছে। তবে আপনার মতো এই গল্পটি আমিও শুনেছি। কতটুকু সত্য মিথ্যা তা আমি জানিনা। আপনার পোষ্টটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো আরো কিছু জানার ইচ্ছা জাগল। অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর করে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
এই ধরনের গল্প গুলো শুনলে অনেক কৌতুহল জাগে আরো জানার আপনারা সেরকম হয়েছে। ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
তবে আপনার মত আমিও এই দিঘির গল্প শুনেছি। কতটুকু সত্য মিথ্যা তা জানি না। আগেরকার বয়স্ক লোক গুলো এই কথাগুলো বলেছে এবং তাদের মুখ থেকে আমিও শুনলাম। যে কোন অনুষ্ঠানে দীঘি থেকে মানুষ অনুষ্ঠানের জন্য জিনিসপত্র নিত। কিন্তু একবার যখন জিনিসপত্র গুলো ঠিকভাবে দিঘির মধ্যে দেয় না সে থেকে এগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। আপনিও পোষ্টের মধ্যে অনেক সুন্দর করে কথাগুলো তুলে ধরেছেন। তবে এটি কতটুকু সত্য মিথ্যা জানি না। তবে আপনার পোস্টটি পড়ে সত্যি অনেক ভালো লাগলো।
আপনার কমেন্টটি পড়ে বুঝতে পারছি আমার গল্পটি আপনি বেশ ভালোভাবে পড়েছেন। খুবই ভালো লাগলো পুরো গল্পটি পড়েছেন এবং এই ঘটনাটি আপনিও জানেন শুনে।
এই দীঘির বিষয়ে আমিও অনেক কথা শুনেছিলাম। এটা মনে হয় বাস্তবিক ঘটনা হবে কারণ সবাই এই বিষয়ে একেবারে অনেক কথা বলেছে। আসলে আপনার মত আমারও মনে প্রশ্ন ছিল আগে যদি সেরকম ঘটনা হতো তাহলে এখন কেন হয় না। কিন্তু আমিও পরে জানতে পেরেছিলাম একজন লোক তার মেয়ের বিয়ের জন্য এই জিনিসপত্রগুলো নিয়ে সেগুলো আর ফেরত দেয়নি। তাই এই বিষয়টি একেবারে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে আবারও এই বিষয়টা আমার মনে পড়ে গিয়েছিল। তাই ভীষণ ভালো লেগেছে পড়ে।
গল্পটি সম্পর্কে আপনিও জানেন শুনে ভালো লাগলো। আসলে ঠিকই বলেছেন এই গল্পগুলো শুনলে মনে প্রশ্ন জাগে বিভিন্ন। ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
একটা সত্যি কথা বলি আপু এই ধরনের ঘটনাগুলো সব সময় আমাদের কাছে কাল্পনিকই মনে হয়। তবে লোকমুখে এমনভাবে শোনা যায় যেন এটা একদম সত্যি। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় যা কিছু রটে তার কিছু না কিছু তো অবশ্যই বটে। কারণ বর্তমান সময়ে অনেক কিছুই আর হয় না কিন্তু আগেকার মানুষজনগুলো সত্যি সত্যি অনেক অলৌকিক ঘটনা ঘটাতে পারতো এবং সামনেও দেখেছে।
ঠিকই বলেছেন ভাইয়া এটা আমার মনে হয় বিষয়টা যদি একেবারেই মিথ্যে আর কাল্পনিক হত তাহলে তো এই কথাগুলো উঠত না। অবশ্যই কিছু না কিছু ঘটেছে এর কারণেই এই গল্পগুলোর যুগের পর যুগ ধরে মানুষের মুখে শুনে আসছি। ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
আপনার লেখা দিঘির গল্পটা আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। আমাদের গ্রামে অনেকগুলো দিঘি ও কুয়া এরকম আছে। আমার দাদার কাছ থেকেও অনেক গল্প শুনেছি। তবে এখন এসব কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। আপনার লেখা গল্পটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে এ ধরনের গল্প প্রায়ই সবাই শুনি। কিন্তু অনেকেই বিশ্বাস করতে চায় না মাঝেমধ্যে আমাদের নিজেদেরও বিশ্বাস হয় না। ধন্যবাদ আমার গল্পটি পড়ার জন্য।