বাংলাদেশ গল্প // তিন মূর্তি //পর্ব-০৪.
হ্যালো বন্ধুগণ,
আমি @bidyut01. একজন বাঙালি ব্লগার।সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।
আজ শনিবার। ০৮ ই জানুয়ারি, ২০২৫ ইং।
আসসালামু আলাইকুম।
সুপ্রিয় বন্ধুগণ, আপনারা সবাই আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা গ্রহণ করবেন। আমি আশা করি আপনারা সবাই মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছেন, সুস্থ আছেন এবং নিরাপদে আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহপাকের দয়ায় অনেক ভাল আছি। আজকে আমি আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি।
রঞ্জিতদের হতাশাগ্রস্থ চেহারা দেখে রহিমের বাবা খুবই কষ্ট পেলেন। তারপর রহিমের বাবা অত্যন্ত শান্ত মেজাজী হয়ে তার অনুসারী এবং ভাইদেরকে ডাকলেন। তারপর সকলকে সামনে রেখে রহিমের বাবা বললেন, আমাদের গ্রামের হিন্দুরা আমাদের জন্য আমানত, তাই জাফর হুজুরের মতো উগ্রপন্থীদের হাত থেকে অবশ্যই আমাদের আমানতের রক্ষা করতে হবে। রহিমের বাবার কথা শুনে প্রকৃত সকল মুসলমানরা হিন্দুদের পাশে দাঁড়িয়ে গেল এবং রঞ্জিতরা তাদের বাড়িতে চলে গেল। এরপর থেকে রহিমের বাবা সহ তাদের অনুসারীরা হিন্দু বাড়ি পাহারা করতে লাগলো। যাতে মৌলবাদীরা হিন্দুদের বাড়ির উপর কোন প্রকারের আক্রমণ করতে না পারে।
এদিকে রহিমের বাবার এরকম কর্মকাণ্ডের খবর গ্রামের চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়লো। সঙ্গে সঙ্গে মৌলবাদী ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা রহিমের বাবার উপর রাগান্বিত হয়ে তাঁকে হিন্দু ধর্মের অনুসারী আখ্যায়িত করতে লাগলো এবং রহিমের বাবার নামে অপপ্রচার শুরু করে দিলো। ঠিক এমন মুহূর্তেই খবর এলো যে, রহিমদের আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের হিন্দুদের ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই সংবাদ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৌলবাদীরা আরো বেশি চাঙ্গা দিয়ে উঠলো। রঞ্জিতরা আবারও শঙ্কিত হয়েও গেল। কিন্তু আত্মবিশ্বাসী রহিমের বাবা এবং তার অনুসারীরা তখনো গ্রামের হিন্দুদেরকে রক্ষা করার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিল।
এদিকে সন্ধ্যার সময় জাফর হুজুরের অনুসারীরা জাফর হুজুরের বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে লাগলো। তারপর জাফর হুজুরের বাড়িতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু হয়ে গেল। তাদের উদ্দেশ্য আজ রাতেই গ্রামের সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিবে। জাফর হুজুরের এরকম কুকর্মের পরিকল্পনা প্রথমে জানতে পারলো তার স্ত্রী। তারপর জাফর হুজুরের স্ত্রীর নিকট থেকে জাফর হুজুরের ছোট ছেলে রমজান বিষয়টি জানতে পেরে এক দৌড়ে রহিমদের বাড়িতে চলে আসলো। রমজান রহিমদের বাড়িতে এসে দেখতে পেল যে, তাদের বাড়িতে রহিম ছাড়া কেউ নেই। তারপর রমজান হাঁপাতে হাঁপাতে পুরো বিষয় রহিমকে খুলে বললো।
রমজানের মুখে এরকম কথা শুনে রহিম খুব দ্রুত রামকে ডেকে নিলো। তারপরে তারা তিনজন একত্রিত হয়ে ভাবতে শুরু করলো কিভাবে রামদের রক্ষা করা যায়। এমন মুহূর্তে রাম বলে উঠলো, আমাদের দেরি করা ঠিক হবে না, চলো আমরা রহিমের বাবার কাছে সব কথা খুলে বলি। কিন্তু রমজান বললো আঙ্কেলের কাছে এসব কথা না বলে আমরা অন্যরকম পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে রহিম ও রাম জানতে চাইলো কি পদ্ধতি? তখন রমজান বললো যে, বৈঠক শেষে আমার বাবা সবাইকে শরবত পান করতে দেয়, আর সেই শরবত তৈরি করে আমার মা। রহিম বললো, তাহলে এখানে পদ্ধতিটা কি?
উত্তরে রমজান বললো, এখানে একটাই পদ্ধতি আমার বাবার সকল অনুসারীদেরকে অসুস্থ করে দিতে হবে। আর তাদের অসুস্থ করতে হলে শরবতের মধ্যে পেট নষ্ট করার বিষ মেশাতে হবে। তারপর রহিম দ্রুত বিষয়টি বুঝতে পারলো এবং সে এক দৌড়ে দোকানে চলে গেল এবং সেখান থেকে এক প্যাকেট পেট নষ্ট করা বিষ এনে রমজানের হাতে দিয়ে দিলো।[গল্পটি চলমান থাকবে]
আমার পরিচয়।
আমার নাম মোহাঃ নাজিবুল ইসলাম (বিদ্যুৎ)। আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং আমি অতিশয় ক্ষুদ্র জ্ঞানের একজন মানুষ। আমি মেহেরপুর জেলার ছোট্ট একটি গ্রামে বসবাস করি। আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে কাজ শুরু করার মধ্য দিয়ে আমার স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু হয়। আমার স্টিমিট আইডি নাম (#bidyut01). প্রথম প্রথম স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের কাজ কিছুই পারতাম না। কিন্তু আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সম্মানিত ফাউন্ডার, এডমিন এবং মডারেটরদের সার্বিক সহযোগিতায় খুব সহজেই স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের কাজ গুলো সম্পর্কে জানতে পারি ও শিখতে পারি। এরপর থেকে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি সম্পর্কে আমার এলাকাতে আমি ব্যাপকভাবে প্রচার করি। যার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে আমার এলাকার অনেকেই এখন আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সদস্য। যাহোক, এখন আমার মাতৃভাষায় লেখালেখি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। যদিও আমার প্রধান পেশা শিক্ষকতা এবং পাশাপাশি মাছের চাষাবাদ করা। আমার পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা ৮ জন। আমার পরিবারের প্রধান হলো আমার বাবা ও মা। আমার পছন্দের কাজ সমূহ হলো-ছবি অঙ্কন করা, যেকোনো জিনিসের অরিগ্যামি তৈরি করা, বিভিন্ন প্রকারের রেসিপি তৈরি করা, কবিতা লেখা, ভ্রমণ করা ও ফটোগ্রাফি করা। আর একটু সময় সুযোগ পেলেই পুরনো দিনের মুভি গুলো দেখতে আমি খুবই পছন্দ করি।
১০% বেনিফিসারী প্রিয় লাজুক খ্যাকের জন্য বরাদ্দ।
আমার নাম মোহাঃ নাজিবুল ইসলাম (বিদ্যুৎ)। আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং আমি অতিশয় ক্ষুদ্র জ্ঞানের একজন মানুষ। আমি মেহেরপুর জেলার ছোট্ট একটি গ্রামে বসবাস করি। আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে কাজ শুরু করার মধ্য দিয়ে আমার স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু হয়। আমার স্টিমিট আইডি নাম (#bidyut01). প্রথম প্রথম স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের কাজ কিছুই পারতাম না। কিন্তু আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সম্মানিত ফাউন্ডার, এডমিন এবং মডারেটরদের সার্বিক সহযোগিতায় খুব সহজেই স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের কাজ গুলো সম্পর্কে জানতে পারি ও শিখতে পারি। এরপর থেকে আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি সম্পর্কে আমার এলাকাতে আমি ব্যাপকভাবে প্রচার করি। যার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে আমার এলাকার অনেকেই এখন আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সদস্য। যাহোক, এখন আমার মাতৃভাষায় লেখালেখি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। যদিও আমার প্রধান পেশা শিক্ষকতা এবং পাশাপাশি মাছের চাষাবাদ করা। আমার পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা ৮ জন। আমার পরিবারের প্রধান হলো আমার বাবা ও মা। আমার পছন্দের কাজ সমূহ হলো-ছবি অঙ্কন করা, যেকোনো জিনিসের অরিগ্যামি তৈরি করা, বিভিন্ন প্রকারের রেসিপি তৈরি করা, কবিতা লেখা, ভ্রমণ করা ও ফটোগ্রাফি করা। আর একটু সময় সুযোগ পেলেই পুরনো দিনের মুভি গুলো দেখতে আমি খুবই পছন্দ করি।
X-promotion link
আজকের কাজ সম্পন্ন।