গল্প :- শিক্ষিত লোকের কাছে মা-বাবা বোঝা।
ক্যানভা দিয়ে তৈরি,
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আমাদের আশেপাশে প্রায় বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। যেই ঘটনা গুলো অনেক সময় শিক্ষনীয় হয়ে থাকে। কখনো কখনো দুর্ঘটনা, আবার কখনো মর্মান্তিক ঘটনা। এজন্য আজকে আবার ও একটা কাহিনী নিয়ে হাজির হলাম। আশা করি আমার লেখাটা পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
আজকে আমি বাস্তব একটি গল্প আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। গল্পটি হচ্ছে আমাদের পাশের বাড়ির একটি লোকের বাস্তব ঘটনা। আমাদের পাশের বাড়ির একটি লোক আছে সে অনেক বড় শিক্ষিত লোক। তার মা-বাবা ছোটকাল থেকে তাকে অনেক কষ্ট করে লালন পালন করেছে। লোকটির নাম হচ্ছে মিন্টু। আমাদের বড় দের কাছে শুনেছি তার মা বাবা না খেয়ে তাকে ছোটকাল থেকে লেখাপড়া করিয়েছে। যদিও তিনি একমাত্র সন্তান বাবা মায়ের। তার মা বাবার আর কোন ছেলে সন্তান নেই।
ছোটকাল থেকে মিন্টু ভাই যখন যেটি বলতো সাথে সাথে তার মা-বাবা সেটি দেওয়ার চেষ্টা করত। মিন্টু ভাইয়ের বাবা কৃষি কাজ করতেন এবং একটি মসজিদে মোয়াজ্জেম হিসাবে কাজ করতেন। সে একমাত্র ছেলে মিন্টুকে অনেক আদর করে ছোট থেকে পড়ালেখা করিয়ে মানুষ করেছে। পড়ালেখা শেষ করে যখন সেই ঢাকায় চাকরি করতে গেলেন। তখন থেকে সে আস্তে আস্তে মা বাবার থেকে দূরে চলে যাচ্ছে। প্রথম অবস্থায় সেই ঢাকা যাওয়ার পর দরকার ছাড়া বাড়িতে আসতেন না। তার মা-বাবা চিন্তা করলো ছেলেকে বিয়ে করালে ভালো হবে।
তখন তার মা-বাবা এলাকাতে পাত্রী দেখে বিয়ে করানোর চেষ্টা করতেছে। অনেক দেখাদেখির পরও যখন পাত্রী পছন্দ হলো না। তখন মিন্টু ভাইয়ের মামাতো বোন কে ঠিক করে তাকে বিয়ে করিয়েছেন। যখন মিন্টু ভাইয়ের মামাতো বোনকে যখন বিয়ে করালেন তাদের সংসারে আরও অন্ধকার নেমে আসলো। মিন্টু ভাইয়ের ওয়াইফের নাম হচ্ছে মমতাজ। মমতাজ যখন মিন্টু ভাইয়ের ওয়াইফ হিসাবে আসলেন তখন থেকে তিনি তার শাশুড়ি এবং শশুরকে একদম দেখতে পারেনা।
এই কারণে আত্মীয় থেকে দূরে সম্পর্ক করা অনেক ভালো। এরপর মমতাজ সব সময় মিন্টু ভাইয়ের কাছে পাল্টা কথা বলতে থাকে। তোমার মা বাবা আমাকে দেখতে পারেনা। এরপর মিন্টু ভাই তার ওয়াইফকে ঢাকা নিয়ে গেলেন। এরপর মিন্টু ভাই তার মা বাবার সাথে আর যোগাযোগ করে না। এবং তাদের জন্য কোন টাকা পয়সাও দেয় না। এদিকে মিন্টু ভাইয়ের মা-বাবা এখন মোটামুটি বৃদ্ধ হয়ে গেছে। তারা চিন্তা করতেছে এত কষ্ট করে ছেলেকে লালন-পালন করে মানুষ করিয়েছি।
আর আপন লোককে বিয়ে করিয়ে ছেলেটিকে হারিয়ে ফেলেছি। তারপরও মিন্টু ভাইয়ের মা-বাবা কারো কাছে কিছু বলে না। তারা অনেক কষ্ট করে চলাফেরা করে এবং খাওয়া-দাওয়া করে। যদি একটি সন্তান মা-বাবাকে দেখাশোনা না করে তাহলে তাদের কি অবস্থা হয়। যদি দুই তিনটি ছেলের মধ্যে একটি না দেখাশোনা করে বাকিগুলো দেখাশোনা করে। আর মিন্টু ভাইয়ের বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। এই কারণে শিক্ষিত লোকের কাছে মা-বাবা বোঝা। আশা করি আমার আজকের গল্পটির পরে আপনাদের ভালো লাগবে।
আমার নাম আকলিমা আক্তার মুনিয়া। আর আমার ইউজার নাম @bdwomen। আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। বাংলা ভাষা হল আমাদের মাতৃভাষা আর আমি মাতৃভাষা বলতে পারি বলেই অনেক গর্বিত। আমি বিভিন্ন ধরনের ছবি এবং পেইন্টিং আঁকতে খুবই পছন্দ করি। আমি প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং এঁকে থাকি। আবার রঙিন পেপার এবং বিভিন্ন রকমের জিনিস দিয়ে নানা ধরনের কারুকাজ তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আবার নিজের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ছবি তুলতে খুবই ভালো লাগে। আমি চেষ্টা করি সব ধরনের জিনিস কখনো না কখনো একবার করে করার জন্য। আবার বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া মাথায় আসলে সেগুলো ও করার চেষ্টা করি।
https://twitter.com/bdwomen2/status/1723949044509376999?t=63Fptjv5MLxXMJzfs1534A&s=19
সমাজে এমন ঘটনা অহরহই শোনা যায়।বাবা,মা কষ্ট করে ছেলেকে পড়া শুনা করিয়ে চাকুরী পাওয়ার পর কিংবা বিয়ের পর মা,বাবাকে আর দেখতে পারে না তখন সেই মা,বাবার নরক যন্ত্রণার থেকেও বেশি কষ্ট পেতে হয়।মানুষ এতো নিষ্ঠুরতার করতে পারে কি করে জানি না।পোস্ট টি পড়ে খুব খারাপ লাগলো।ধনব্যাদ আপু বর্তমান চলচিত্র তুলে ধারার জন্য পোস্টের মাধ্যমে।
আসলে কিছু কিছু ফ্যামিলির একমাত্র সন্তান আছে তারা মা-বাবাকে অনেক কষ্ট দেয়। মিন্টু ভাই ও তাই হয়েছে। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
শিক্ষিত লোকের বাবা মা গুলো এমনিতে অনেক কষ্ট করে বিশেষ করে এক সন্তানের মা বাবা। এইরকম হাজারো মিন্টু ভাই আছে যারা মা-বাবার খোঁজ-খবর নেয় না। তবে আমার কাছে মনে হয় মিন্টু ভাইকে তার মামাতো বোন বিয়ে করার পর তাদের সংসারে আরো অশান্তি নেমে আসলো। তবে আমি মনে করি প্রত্যেক ছেলে মেয়ের মা-বাবা সেবা করা দরকার। সত্যি আপনার পোস্টটি পড়া অনেক খারাপ লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ঠিক বলেছেন মামাতো বোন বিয়ে করার পর তাদের সংসার অশান্তি আরো বেড়ে গেল। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
সত্যি কথা বলেছেন শিক্ষিত লোকের কাছে তাদের বাবা মা বোঝা হয়। অশিক্ষিত লোকেরা কখনো তাদের বাবা মাকে কষ্ট দেয় না। মিন্টুকে অনেক কষ্ট করে তার বাবা-মা মানুষ করেছে কিন্তু বয়সকালে মিন্টু তাদের খোঁজখবর রাখে না। এটি বেশ দুঃখজনক বিষয়। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি গল্প শেয়ার করার জন্য। বেশ ভালো লাগলো পড়ে।
হ্যাঁ আপু শিক্ষিত লোকের কাছে মা-বাবা বোঝা। তবে ঠিক বলেছেন অশিক্ষিত লোকের মা-বাবা কষ্ট করে না। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে আপু আমাদের সমাজে এরকম অনেক লোক রয়েছেন যারা বাবা-মাকে বৃদ্ধ বয়সে একা ছেড়ে দেয় ।আসলে দেখা যায় যে এই ছেলেটির জন্যই তার বাবা-মা কত কষ্টই করেছে, তার পরেও শেষ বয়সে বাবা-মাকে কষ্ট স্বীকার করতে হয়। যাই হোক বেশ ভালো লাগলো গল্পটি। ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে শিক্ষিত লোকগুলো যখন মা বাবাকে কষ্ট দেয় । তখন তাদের কাছে অনেক খারাপ লাগে। অনেক সুন্দর মন্তব্য করেছেন তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে আপু বাবা মার তুলনা হয় না। বাবা মা শুধু কষ্ট করে বাচ্চাদের মানুষ করবে কেন, বাবা মার জন্য আমরা পৃথিবীতে এসেছি। সত্যি সন্তানকে মানুষ করার পরে অবশেষে বাবা মা পর হয়ে যায়।তবে এমন ছেলে থাকার চেয়ে না থাকাই উত্তম। ধন্যবাদ আপু সুন্দর লিখেছেন।
কিছু কিছু শিক্ষিত ছেলে আছে তারা মা বাবার কষ্ট স্বীকার করে না। যাই হোক আপনার মন্তব্য শুনে ভালো লাগলো তাই ধন্যবাদ আপনাকে।