ছেলেটার অসুস্থতা কিছু ভালো লাগে না
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলাব্লগের বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন ভাল আছেন নিশ্চয়ই। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি আলহামদুলিল্লাহ।
দুদিন পরে আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছি । আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব অসুস্থতা নিয়ে । দুই তিন দিন হল আমরাও অসুস্থতায় ভুগছি । আমার ছেলের আজ দুই তিন দিন ধরে জ্বর কিছুই ভালো লাগছেনা । আশেপাশের সবাই শুধু অসুস্থ হচ্ছে । চারদিকে মহামারী যেন শেষই হয় না ।এখন আল্লাহকে ডাকা ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় নেই । আল্লাহই পারে আমাদের এই রোগ বালাই এর হাত থেকে রক্ষা করতে । পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের রোগ বালাই যেন পেয়ে বসেছে । একটা যেতে না যেতে আরেকটা চলে আসে । এজন্য কেউ অসুস্থ হলে চিন্তায় পড়ে যাচ্ছে ।
সুস্থ থাকাটা আল্লাহর সবচেয়ে বড় নিয়ামত আমরা যখন সুস্থ থাকি তখন সেটা বুঝতে পারি না । অসুস্থ হলে আমরা বুঝতে পারি সুস্থতা আমাদের জন্য কতটা জরুরি । চারিদিকে যে হারে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ছে এজন্য একটু জ্বর হলেই সবাই খুব বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ছে । এমনিতেই অল্প কিছু হলে আমি অনেক বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ি তারপর আবার ছেলেটার জ্বর আসার সাথে সাথে যেন আমার মাথায় একেবারে কোন কিছুই খেলছে না । কি থেকে কি করি বুঝতে পারছি না ।
সেদিন স্কুল থেকে আসার সময় প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়েছিল । অপেক্ষা করেছিলাম বৃষ্টি থামার জন্য । বৃষ্টি শেষ হওয়ার সাথে সাথেই আমরা বের হয়েছিলাম ,কিন্তু রাস্তায় আসার পরে আবার বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছিল । যার কারনে রিক্সায় ওঠার আগ পর্যন্ত কিছুটা হলেও বৃষ্টির পানি আমাদের মাথায় পরেছিল । সেদিন বাসায় যাওয়ার পর থেকে ছেলেটা হালকা কাশি শুরু করে দিয়েছিল । কিন্তু আমি তখন ওতটা বুঝতে পারিনি । পরদিন দেখি ছেলেটার গা হালকা গরম তারপরও আমি অতটা আমলে নেইনি , মনে করেছি কাশি থেকেই হয়তো গরম হয়েছে । স্কুলে গিয়েছি স্কুল ছুটির পর গায়ে হাত দিয়ে দেখি গা আবার গরম হয়েছে । সেদিন বাসায় আসার পর থেকে আস্তে আস্তে যেন বাড়তে থাকে । রাতের বেলা জ্বর ভালই বেশ খানিকটা বেড়ে ১০১ এ উঠে আসে । সেটা দেখে আমার আরো চিন্তা লাগছিল যে সারাদিন তো কম ছিল এখন উপরে উঠে গিয়েছে । সাথে সাথে নাপা খাইয়ে দিয়েছি কিন্তু চার ঘন্টা যেতে না যেতে আবার জ্বর চলে আসে । এভাবে করে দু তিন দিন নাপার উপরে চলছে ।
আল্লাহর রহমতে আজকে সকাল থেকে জ্বর কিছুটা কমেছে ।সারা দিনে হালকা গরম ছিল তবে খুব একটা বেশি ছিল না ।এখন আল্লাহর কাছে একটাই চাওয়া আল্লাহ যেন দ্রুত আমার ছেলেটাকে সুস্থ করে দেয় । আর সবই যেন সুস্থ থাকে এই কামনাই করি । কোনো মায়ের সামনে সন্তান অসুস্থ হলে সত্যি সেটা দেখা যায় না । আমার ছেলেটা সারাদিন দৌড়াদৌড়ি করে এবং ফুটবল খেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকে ও যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন আমার আরো বেশি খারাপ লাগে । কারণ তখন আর দৌড়াদৌড়ি ওতটা করতে চায় না সেটা আমি কখনো সহ্য করতে পারি না । আমি চাই আমার ছেলে সারাদিন আমার সামনে দৌড়াদৌড়ি করুক দুষ্টামি করুক । ছোট বাচ্চারা দুষ্টামি করবে এটাই আমাদের ভালোলাগা । সব বাচ্চারা যেন ভালো থাকুক এই প্রত্যাশা রেখে আজকের মত বিদায় নিচ্ছি । সবাই আমার ছেলেটার জন্য দোয়া করবেন ।
আশা করছি আমার আজকের এই ব্লগটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ফটোগ্রাফার | @tauhida |
|---|---|
| ডিভাইস | samsung Galaxy s8 plus |
ধন্যবাদ
| আমি তৌহিদা, বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি।বাংলাদেশে আমার জন্ম।আমি আমার মাতৃভূমিকে ভালোবাসি। আমি বিবাহিতা, এক সন্তানের মা। আমি রান্না করতে ও খেতে ভালোবাসি,আমি ঘুরতেও অনেক ভালোবাসি। |
|---|
আপু ঠিক বলেছেন কোনো মায়ের সামনে সন্তান অসুস্থ থাকলে একদমই ভালো লাগে না। আমার ছেলেও অনেক অসুস্থ। অনেক জ্বর এসেছে আবার মুখে ঘা হয়েছে কিছু খেতে পারে না। এই অবস্থা দেখে খুব খারাপ লাগে। আপনার ছেলের জ্বর একটু কমেছে জেনে ভালো লাগলো। আপনার ছেলের জন্য দোয়া রইল যাতে তাড়াতাড়ি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে।
আসলে মায়েদের সামনে বাচ্চারা অসুস্থ হলে সেটা একদমই ভালো লাগেনা । দোয়া করছি আপু আপনার বাচ্চাটা যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠে ।
পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ থাকলে আসলেই কোন কিছু ভালো লাগেনা। মানুষ যখন সুস্থ থাকে তখন আসলে বুঝতে পারে না যে সুস্থতা কত বড় নিয়ামত। যাই হোক আপনার ছেলে আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ হয়েছে আশা করি খুব দ্রুতই জ্বর থেকে সেরে উঠবে।
দোয়া করবেন ভাইয়া আমার ছেলেটা যেন সবসময় ভালো থাকে । আর সুস্থ থাকাটা সব মানুষের জন্যই সবচেয়ে বড় নেয়ামত ।
আপু প্রত্যেক জায়গাতে এখন জ্বর সর্দি এগুলো দেখা যাচ্ছে। আপনার ছেলে দুই তিন দিন যাবত অসুস্থ শুনে খুব খারাপ লাগতেছে। আমার মেয়েও দুই তিন দিন ধরে অসুস্থ আমি ডাক্তারি পরামার্চে ওষুধ খাওয়াচ্ছি। তবে আপু আপনি ঠিক বলেছেন মা-বাবার সামনে ছেলে ও মেয়ে অসুস্থ থাকলে অনেক খারাপ লাগে। দোয়া করি আপু আপনার ছেলে যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়। তবে এখন জ্বর হলে অনেক ভয় লাগে চারদিকে ডেঙ্গুর এই কারণে। আল্লাহ সবাইকে ভাল রাখুক এই দোয়া করি।
একদম তাই চারিদিকে যে অবস্থা এখন জ্বর হলেই একটু ভয় লাগে ।আশা রাখছি আপনার মেয়েটা খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে দোয়া রইল অনেক ।
আপু কিছুদিন যাবত আমার নিজের মেয়েও অসুস্থ। চারদিকে অসুস্থ শুধু লেগেই আছে। আপনার ছেলে অসুস্থ এবং আপনারাও অসুস্থ শুনে অনেক খারাপ লাগলো। আর আপু এখন যদি জ্বর হয় অনেক ভয় লাগে চারোদিকে শুধু ডেঙ্গু এই কারণে বেশি ভয় লাগে। তবে আগের চেয়ে আপনার ছেলে এবং আপনারা ভালো আছেন শুনে ভালো লাগলো। তবে ছোট বাচ্চারা অসুস্থ হলে খেলাধুলা না করলে তখন অনেক খারাপ লাগে। আপু আপনাদের জন্য দোয়া রইল যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যান।
আমরা অসুস্থ না তবে ছেলেটা অসুস্থ ছিল এখন সুস্থ হয়েছে আল্লাহর রহমতে ।অনেক অনেক দোয়া রইল আপু আপনার মেয়েটার জন্য ।আমার ছেলেটার জন্য দোয়া করবেন ।
আসলে পরিবারের ছোট সদস্যরা যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে খুবই চিন্তা হয়। আর এখন তো সবার কাছে শোনা যাচ্ছে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়তেছে। তবে ওয়েদার চেঞ্জ হওয়ার কারণে মনে হয় এমন অবস্থা হচ্ছে। তাছাড়া ডেঙ্গু তো আমাদের জনজীবন একেবারেই আতঙ্কের মধ্যে নিয়ে গেছে। একটু জ্বর হলে খুব ভয় কাজ করে যেন ডেঙ্গু ধরেছে। দোয়া করি সৃষ্টিকর্তা যেন খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ করে দেন বাবুকে।
ঠিকই বলেছেন আপু আশেপাশের সবাই যেন অসুস্থ হয়ে পড়ছে । স্কুলে গেলে দেখা যায় বাচ্চারা কি পরিমান অসুস্থ হচ্ছে আর ডেঙ্গুর যে ভাব ভয়ই লাগে ।
আপু বর্তমানে মৌসুমটা এমন হয়েছে যে এখনই রোদ এখনই বৃষ্টি। আমি কিছুদিন আগে অফিসে যাওয়ার সময় বাসা থেকে বের হয়ে দেখি রোদ। দুইমিনিট যাওয়ার পরে বৃষ্টি শুরু হলো। তিশ সেকেন্ট পরে বৃষ্টি শেষ। আবার হাটলাম তিশ সেকেন্ট পরে আবার বৃষ্টি। তারপর বৃষ্টিতে ভিজে অফিসে গেছি। ভেবেছিলাম জ্বর আসবে। তাই মাথাটা ধুয়ে ফেললাম। আপনার ছেলে ছোট মানুষ বৃষ্টিতে ভিজার কারনে হয়তো জ্বর এসেছে। আশা করি তারাতারি সুস্থ হয়ে যাবে। ধন্যবাদ আপু।
একদম তাই এখনকার বৃষ্টির পানি মাথায় পরলে জ্বর চলে আসে । আর চারদিকে যে অবস্থা রোগ বালাই লেগেই আছে ভালো লাগে না আর ।