The way to death and death is to do - series - 04. মৃত্যু পথযাত্রী এবং মৃত্যু ব্যক্তির জন্য করনীয়- ধারাবাহিক পর্ব- ০৪।

in steemitbd •  11 days ago

After publication:

Assalamu Alaikum! How are you all? I hope you are good. We discussed the death of the person in the last phase. Even today, we will finish the episode with a little discussion about the dying of the deceased person InshaAllah Already I am not a scholar or maulana. If you have any errors in my sight, please let me know.

Why is the responsibility of raising the dead person above his family?

If we think about ourselves, then we will get the answer. Even then, according to various scholars, when a person is alive, we see his outer appearance, dressed as a smart, handsome person. But he may have some physical flaws that we do not know or should not know about other people. But when the man died and we brought an exotic person to bring him down and he saw that mistake while collecting the death person. There is a big scarring or a scar on his body in his body, that person may think that by looking at the scars, he would have thought .. !! How good it was to this man, but how much scar on his body, that means that this man was a robber or something else. He shared this word with other people. As a result, the person who knew well in his life may see him in a bad way after the death and may think in the mind that he has died well, and if he survived, then who knows how much more he could do? That is why the responsibility of the family is that, when a person dies in his family, complete his kitchen, namaz-e-janaza and burial chamber.

Now for the dead person about Miking and Janaza:

There are many customs in our country that can not be found in Islam till the end of the day. Because they are not in Islam. We do not need any masala. What I will do is masala and whatever is going on against my opinion is not in Islam, these are the rules of our Islam. One such thing is that the name of the deceased in the name of Mikeing Alan. That's what you feel bad!

In Islam, the provision of miking to participate in the funeral of a deceased person is basically disagreeable among scholars. A group of people said that the Prophet (peace be upon him) prohibited the news of the deceased, saying, 'Do not preach the news of the death of a deceased person'. As a result, they think that in this, it is not correct to say that to participate in the funeral of a deceased person.

Another interpretation of this Hadith from the Hadith, or the analysis that has been adopted, is that the Prophet (peace be upon him) forbade the spread of the news of the deceased, because the word 'nae' is mentioned there. 'Nai' is the gathering of people with the news of death, to cry, to lament. This was originally meant for that time. This circulation is the introduction of ignorance.

'Abdullah bin Mas'ud said in the hadith, 'This is one of the zealan callings' (Sahih Bukhari and Muslim). Therefore, this zealan call does not in any way affect the deceased person, therefore the Prophet (peace be upon him) has forbidden. Because in these hadiths there are also those instructions that "The dead person will be punished in his grave, when his family members lament him, weep for him" (Sahih Bukhari). Basically this work has been banned for this reason. But micing can also be used to participate in the prayer or to reach people only about death news.

Basically there are two ideas to take. The misdeed of the misadulam gave the interpretation of this hadith. The thing that seems obvious to me is that the second statement is very close. That is, by announcing this announcement, it is mainly that the Prophet (peace be upon him) forbade, lamenting that the people of the ignorant community used to do it. And this is basically called 'nai'.

And if the news of death is only offered for the prayers of Janaza, then this work will not be banned. Because if a person dies in a village and is not reported then people will know how. Either you send a message to a mike or send someone. You must be given the news. So here it is understood, if the news is not given, then this person will not know the death and can not participate in his funeral. But the people of the faith have been mentioned as the right to participate in the funeral. This is a document.

The second document is that during the time of the Prophet (peace be upon him) a black maid was able to clean the mosque. The maid is dead at any one night. The present disciples arranged for his burial. When the Prophet (peace be upon him) came to know that the maid had died, he said, 'Why did not you tell me?' From this hadith we also understand that the importance of giving death news is given here. Not only that, the Prophet (peace be upon him) went to the grave of the Prophet and offered the prayer of the janaza. It is understood that it is very important for the people to participate in the prayer of the funeral, and the issue of news is also very important.

This news will be made public at individual level. But it is seen that the news in the microphone is prohibited. This notice is not valid because the Prophet (peace be upon him) has forbidden the matter of 'Nai'.

In addition, it is not permissible to publish a private personal news of the mosque. Because then the campaign of the mosque will start widely. As a result, the dignity and dignity of the mosque will be damaged.

But if the deceased person's personal desire to publicize the news of death by personally miking, then it is permissible for them.

আসসালামুআলাইকুম, সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন। আমরা গত পর্বে মৃত্যু ব্যক্তির গোছল নিয়ে আলোচনা করেছি। আজও গোছল সম্পর্কে অল্প একটু আলোচনা করে গোছলের পর্ব শেষ করব ইনশাআল্লাহ। আগেই বলে রাকি আমি কোন আলেম বা মাওলানা নই। যদি আমার কোন ভুল আপনাদের দৃষ্টিগোচর হয় অবশ্যই আমাকে জানাবেন।

মৃত্যু ব্যক্তিকে গোছল করানোর দায়িত্ব কেন তার পরিবারের উপরে দেয়া হয়েছে?
এ সম্পর্কে আমরা নিজেরাই যদি একটু চিন্তা করি তবেই এর উত্তর পেয়ে যাব। তারপরেও বিভিন্ন আলেমদের মতে, একজন ব্যক্তি জীবিত থাকাকালীন আমরা তার বাহ্যিক দিকটা অর্থাৎ পোশাক পরিহিত, স্মার্ট, সুদর্শন হিসেবেই দেখি। কিন্তু তার হয়ত এমন কোন শারীরিক ত্রুটি আছে যেটা আমরা জানিনা অথবা সেটা অন্য লোকের জানা উচিৎও নয়। কিন্তু লোকটি যখন মারা গেল এবং আমরা তাকে গোছল করানোর জন্য বহিরাগত কোন লোককে আনলাম এবং সে ঐ মৃত্যু ব্যক্তিকে গোছল করানোর সময় সেই ত্রুটিটি দেখে ফেলল। কথার কথা তার শরীরে বড় একটি কাটা দাগ বা কোপের দাগ আছে, সেই কাটা দাগ দেখে ঐ ব্যক্তি মনে মনে হয়ত ভাবল হায় হায়..!! এই লোকটিকে কত ভাল ভেবেছিলাম কিন্তু এর শরীরে কতবড় কাটা দাগ, তার মানে হয়ত এই লোক কোনোদিন ডাকাত বা অন্য কোন কিছু ছিল। এই কথাটি সে অন্যান্য লোকদের সাথেও শেয়ার করল। ফলশ্রুতিতে তাকে যারা জিবীত অবস্থায় ভাল জানত মৃত হওয়ার পরে হয়ত তাকে খারাপ দৃষ্টিতেও দেখতে পারে এবং মনে মনে হয়ত এই মন্তব্যও করতে পারে যে, লোকটি মারা গেছে ভাল হয়েছে, বেঁচে থাকলে হয়ত আরও কত কু-কর্ম করত কে জানে! আর এ জন্যই পরিবারের লোকদের দায়িত্ব হল, নিজ পরিবারের কোন লোক মারা গেলে তার গোছল, জানাজা এবং দাফন-কাফন নিজেরাই সম্পন্ন করা।

এবার আসি মৃত ব্যক্তির জন্য মাইকিং এবং জানাজার ব্যপারে :
আমাদের দেশে প্রচলিত অনেক রেওয়াজই আছে যেগুলো ইসলামের ভেতরে কেয়ামত পর্যন্ত খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। কারণ এগুলো ইসলামে নেই। আমাদের কোন মাসালার দরকার হয় না। আমি যেটা করব সেটাই মাসালা এবং আমার মতের বিরুদ্ধে যেটা যাবে সেটা ইসলামে নেই, এগুলোই হল আমাদের ইসলাম পালন। এরকমই একটা বিষয় হল মৃত ব্যক্তির নামে মাইকিং করে এলান করা। কথাটি আপনাদের খারাপ লাগছে তাই না!

ইসলামে মৃত ব্যক্তির জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য মাইকিং করার বিধানটি মূলত আলেমদের মধ্যে মতবিরোধপূর্ণ। একদল ওলামায়ে কেরাম বলেছেন যে, মৃত ব্যক্তির সংবাদ দেওয়ার ব্যাপারে রাসুল (সা.) যে বিষয়টি নিষেধ করেছেন সেটি হলো, ‘মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সংবাদ প্রচার করতে না করা’। ফলে তাঁরা মনে করে থাকেন যে, এর মধ্যে মৃত ব্যক্তির জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য বলা, এ কাজটি শুদ্ধ নয়।

এ হাদিস থেকে আরেকদল ওলামায়ে কেরাম যেটি বুঝেছেন বা যে বিশ্লেষণটি গ্রহণ করেছেন সেটি হলো এই যে, নবী (সা.) মূলত মৃত ব্যক্তির সংবাদ প্রচার করতে নিষেধ করেছেন কারণ ‘নাঈ’ শব্দটি সেখানে উল্লেখ আছে। ‘নাঈ’ হচ্ছে মৃত্যুর সংবাদ দিয়ে লোকদের একত্রিত করা, কান্না করা, বিলাপ করার জন্য। এটিই মূলত ওই সময় প্রচলিত ছিল। এই প্রচলনটি জাহিলি প্রচলন।

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) হাদিসের মধ্যে বলেছেন, ‘এটা জাহিলীয় আহ্বানগুলোর মধ্যে একটি’ (সহিহ বুখারী এবং মুসলিম)। তাই এই জাহিলীয় আহ্বান যাতে কোনোভাবেই মৃত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে না হয়, এজন্য রাসুল (সা.) নিষেধ করেছেন। কারণ যেসব হাদিসে এই নির্দেশনাগুলো রয়েছে সেগুলোর সাথে এ কথাও রয়েছে যে, ‘মৃত ব্যক্তিকে তাঁর কবরের মধ্যে শাস্তি দেওয়া হবে, তাঁর পরিবারের লোকজন যখন তাঁর ওপর বিলাপ করবে, তাঁর জন্য কান্না করবে’ (সহিহ বুখারী)। মূলত এই কাজটি এই জন্যই নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু সালাতে অংশগ্রহণের জন্য অথবা শুধু মৃত্যুর খবরকে মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্যও মাইকিং হতে পারে।

মূলত দুইটা ধারণাই নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। দুদল ওলামায়ে কেরাম দুদিকে এই হাদিসের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যে জিনিসটি আমার কাছে স্পষ্ট মনে হচ্ছে সেটা হলো- দ্বিতীয় বক্তব্যটি খুবই কাছাকাছি। সেটা হলো, এই ঘোষণা দেওয়ার মাধ্যমে কান্না করা, বিলাপ করা যেটি জাহিলীয় সমাজের লোকেরা করত, এটিই মূলত রাসুল (সা.) নিষেধ করেছেন। আর এটাকেই মূলত ‘নাঈ’ বলা হয়ে থাকে।

আর যদি শুধু জানাজার সালাতের জন্য মৃত্যুর সংবাদ দেওয়া হয়ে থাকে তাহলে এ কাজটি নিষিদ্ধ হবে না। কারণ গ্রামে যদি একজন লোক মারা যায় আর সংবাদ না দেওয়া হয়ে থাকে তাহলে মানুষ জানবে কীভাবে। হয় মাইকে নয়তো লোক পাঠিয়ে আপনি সংবাদটি দিবেন। আপনাক তো অবশ্যই সংবাদ দিতে হবে। তাহলে এখানে বোঝা যাচ্ছে, যদি সংবাদ না দেওয়া হয় তাহলে মৃত্যু হয়েছে এটি মানুষ জানতে পারবে না এবং তাঁর জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। অথচ জানাজায় অংশগ্রহণের ব্যাপারে ইমানদার ব্যক্তিদের হক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি একটি দলিল।

দ্বিতীয় দলিল হচ্ছে, রাসুল (সা.)-এর সময়ে একজন কালো দাসী মসজিদ পরিষ্কার করত। কোনো এক রাতে ওই দাসীর মৃত্যু হয়। উপস্থিত সাহাবীরা তখন তাঁর দাফনের ব্যবস্থা করলেন। নবী (সা.) সকালে যখন জানতে পারলেন যে দাসী মারা গেছেন তখন তিনি বললেন, ‘আমাকে কেন সংবাদ দিলে না?’। এ হাদিস থেকে এটাও আমরা বুঝতে পারছি, মৃত্যুর খবরটা দেওয়ার গুরুত্ব এখানে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় এরপর রাসুল (সা.) দাসীর কবরে গিয়ে জানাজার সালাত আদায় করলেন। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে যে, জানাজার সালাতে অংশগ্রহণ করা ইমানদার ব্যক্তিদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবাদ দেওয়ার বিষয়টিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এই সংবাদটুকু মানুষ ব্যক্তিগত পর্যায়ে করবে। কিন্তু দেখা যায় যে মাইকের মধ্যে যেই সংবাদ দেওয়া নিষেধ করা হয়েছে সেটিই করা হয়ে থাকে। এই নোটিশ করা বৈধ নয় যেহেতু রাসুল (সা.) ‘নাঈ’-এর বিষয়টি এমনেই নিষেধ করেছেন।

উপরন্তু মসজিদের মাইকে ব্যক্তিগত কোনো সংবাদ প্রচার করা জায়েজ নয়। কারণ তাহলে মসজিদের মাইকে ব্যাপকভাবে প্রচারণা শুরু হবে। ফলশ্রুতিতে মসজিদের যে হক বা মর্যাদা রয়েছে তা ক্ষুণ্ণ হবে।

কিন্তু মৃত ব্যক্তির আপনজন যদি একান্ত ব্যক্তিগতভাবে মাইকিং করে মৃত্যুর খবর প্রচার করতে চায় তাহলে সেটি তাঁদের জন্য জায়েজ।

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
Sort Order:  

গুড়,,,,
আপনার জদি একের অধিক একাউন্ট থাকে তাহলে আমার সাথে জোগাজোগ কইরেন।
অামার ৫৫ আইডির একটা কিউরেসন আছে,আসা করি জদি এক সাথে কাজ করেন উপকৃত হবেন এটা আমার হোয়ার্টস এপ চ্যট গ্রুপ জোগাজোগ করতে চাইলে জয়েন হতে পারেন
https://chat.whatsapp.com/BbsFTLn3mbCIompalTHrVS

·

ধন্যবাদ ভাই সুন্দর পরামর্শের জন্য। আশা করি খুব শীঘ্রই আপনার সাথে যুক্ত হব ইনশাআল্লাহ।

You have recieved a free upvote from @saiduzzaman for good article, carry on brother.comments.png

·

ধন্যবাদ @saiduzzaman ভাই, সব সময় পাশে থেকে সাপোর্ট করার জন্য। আপনার প্রতিও রইল শুভকামনা।

·
·