গ্রামের শীতের সকালটা কেমন কাটে!! চলুন দেখে আসা যাক
আজ - ৯ই, পৌষ |১৪২৯ , বঙ্গাব্দ | শীতকাল |
নমস্কার- আদাব। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
যা হোক বরাবরের মতো আজকেও আপনাদের মাঝে হাজির হলাম নতুন একটি ইউনিক ব্লগ নিয়ে৷ আপনারা সবাই ইতিমধ্যেই বুঝতে পারছেন যে শীতের প্রকোপ কতটা বেড়ে চলছে ৷ যদিও শহরের মানুষ ততটা অনুভব করছে না৷ তবে গ্রামের মানুষ প্রতি ক্ষন প্রতি মুহূর্তেই অনুভব করছে শীতের প্রকোপটা আসলে কতটা৷ আপনার নিশ্চয়ই উপরের ছবিটি দেখতে পারছেন যেটি কিসের ছবি৷ তবুও বলছি এটি আসলে গ্রামের সকালবেলার একটি চিত্র৷ হয় তোবা যারা যারা গ্রামে আগে ছিলেন বা গ্রামে আছেন তারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন ৷ যে ছবিটি আসলে কিসের ছবি দিয়েছি ৷ আগুন তাপানোর দৃশ্য তো আজকে আবারো আপনাদের মাঝে গ্রামের শীতের সকালের কিছু মুহূর্ত ও আলোকচিত্র শেয়ার করতে চলেছি৷ যদিও এর আগে সপ্তাহে গ্রামের শীতের সকালের আলোচিত্র কিছু শেয়ার করেছিলাম৷ তবে সময় তো করার চেষ্টা যেন শীতের প্রকোপটা অনেক গুণ বেড়ে যাচ্ছে৷ আর তাইতো গ্রামের মানুষের অনেকটাই কষ্ট ৷ আজকে ঠিক সেই হিসেবেই গ্রামের আরও শীতের সকালের কিছু দৃশ্য আলোকচিত্র আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করবো৷ আশা করি আপনাদের সবার ভালো লাগবে৷ এমনটাই আশা প্রত্যাশা রেখে শুরু করছি আজকে ব্লগ ৷ যেখানে শহরের মানুষ রোজ দশটা থেকে বারোটার অব্দি ওঠে না ৷ সেখানে গ্রামের মানুষ সেই ভোরবেলা থেকেই তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে৷ হাজারো শীত উপেক্ষা করেও নিজ নিজ কর্মস্থলে যেতেই হবে ৷ আর এটাই হলো গ্রামের মানুষের জীবন জীবিকার প্রধান কর্মস্থল ৷ বিভিন্নজন বিভিন্ন কর্মকান্ডে ছুটে যায় ৷ ভোরবেলা থেকে শুরু করে তাদের জীবনা আচরণ৷ বেশ কিছুদিন ধরেই কুয়াশার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে সকাল থেকে শুরু করে দুপুর অব্দি কুয়াশার যেন কমতি নেই সূর্য মামার উকির দেওয়ার কোন পাত্তাই দেখা যায় না আর এটা শীতের সময় গ্রামের প্রায় সময় দেখা যায় এটার নতুন কিছু নয়৷ তবে যাই বলুন গ্রামের শীতের সকালটা সত্যিই মনমুগ্ধকর ৷ আর এই সময়টাতে প্রতি বাড়ি বাড়ি সকালে নানা ধরনের পিঠা পুলির আয়োজন৷ এবং কি খরকুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে সবাই মিলে গোল করে আগুন তাপানোর দৃশ্য গুলো সত্যি অনেক অনেক মনোমুগ্ধকর ৷ যেগুলো শহরের মানুষ কখনো চোখ দিয়ে দেখতে পায় না৷ যদিও এই শীতের দিনগুলোতে গ্রামের মানুষের গুলোর অনেক কষ্ট অনুভব হয়৷ তবে এই মুহূর্তগুলো সত্যিই অনেক আনন্দদায়ক৷ আবার গ্রামের শীতের সকালের আরেকটি জনপ্রিয় আলোকচিত্র হলো গিয়ে গ্রামের সবাই মিলে রাস্তায় বসে গল্পগুজব আড্ডা করা৷ এটাও সত্যিই অনেক ভালো লাগে৷ যেখানে শহরের মানুষ এই সময়টায় নিদ্রায় মগ্ন৷ সেখানে গ্রামের মানুষ পুরোটাই ভিন্ন ৷ সত্যি বলতে গেলে গ্রামের শীতের সকালটা অনেক অনেক কিছু আলোকচিত্র৷ যা আসলে এক পোস্টে লিখে শেষ করার মত নয় ৷ আসলে এক একটি বিষয়ে এক একটি ধাপ বলতে গেলে শেষ করার মত নয়৷ এক কথায় শীতকালীন সময়ে গ্রামের প্রতিটি মুহূর্ত যেন চিরচেনা একটা নতুন রূপ৷ যা যেন প্রতি ক্ষনে প্রতি মুহূর্তে নতুন নতুন রূপে আবির্ভাব ঘটছে৷ তো প্রিয় বন্ধুগণ আজকে আমার ব্লগ ছিল এতটুকুই ৷ আজকের পোস্টে তুলে ধরেছি গ্রামের সকাল বেলার কিছু আলোকচিত্র এবং তার সাথে বর্ণনা৷ আশা করি আপনাদের সবার ভালো লেগেছে৷ আজকে আপনাদের কাছে এখানে বিদায় নিচ্ছি ৷ আবার নতুন কোন ইউনিক ব্লগ নিয়ে হাজির হবো৷ এমন প্রত্যাশা আশা আকাঙ্ক্ষা রেখে এখানেই শেষ করছি৷
আসলে গ্রামের মানুষের কিছু পুরনো প্রাচীন যুগের মানুষ এখনো রয়েছে৷ যারা বিশ্বাস করে যে প্রতিদিন ভোরবেলা সকাল থেকে উঠলে শরীর স্বাস্থ্য মন এবং দুইটাই অনেক ভালো থাকে৷ এবং কি সারাটা দিন অনেক ভালো যায়৷ এমনটাই বিশ্বাস করে গ্রামের প্রতিটি মানুষ এখনো৷ আর তাইতো বর্তমান প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের ও কেউ রোজ সকালে ওঠার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে ৷ কিংবা সকালে ঘুম থেকে না উঠলে বকাবকির কোন শেষ নেই৷ যেটা হয়তোবা আপনাদেরকে গত পোস্টেই বলেছিলাম৷
ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন৷
কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ ফটোগ্রাফার @gopiray ডিভাইস realme 12 লোকেশন
অনেক দিন হলো এভাবে আগুন তাপানো হয় না। ছোট বেলায় অনেক এভাবে আগুন তাপানো হতো।দিন বাড়ছে আর সব আনন্দ হারিয়ে যাচ্ছে। আপনার পোস্টটি পড়ে আমার খুবই ভালো লাগলো। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ৷ আপনি অনেক দিন ধরে আগুন তাপান না ৷
https://twitter.com/gopiray36436827/status/1606698639354892288?t=3nb0UmycHiDmBNr6MTOCsw&s=19
ভাইয়া আপনার পোস্টের মাধ্যমে গ্রামের শীতের সকালের এত সুন্দর দৃশ্য দেখতে পেয়ে ছোটবেলার কথা খুব মনে পড়ে গেল। আমি যখন গ্রামে ছিলাম তখন ভোরবেলা ওঠে এভাবেই আগুন পোহাতাম। তবে এটা শুধু গ্রামের মুরব্বিদের কথা নয় ভাইয়া বিজ্ঞানীরাও বলে সকাল সকাল ওঠলে শরীর মন দুটোই ভালো থাকে। কিন্তু আমরা আধুনিক যুগের ছেলে মেয়েরা এই কথা মানতে চাইনা বলেই বিভিন্ন রোগের সম্মুখীন হতে হয়। যাই হোক এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
একদম ঠিক বলেছেন আমাদের সবার সকালে ঘুম থেকে ওঠা উচিত ৷ তবে এখন সময়ের স্রোতে সব কিছু যেন বদলে যাচ্ছে ৷
ধন্যবাদ আপু এভাবেই পাশে থাকবেন এমনটাই প্রতার্শা ৷
আহ এত সুন্দর সকাল দেখে প্রাণটা জুড়িয়ে গেলো। মনে পড়ে গেল সেই ছোটবেলার কথা, যখন বাড়ির সবাই এক সংগে সকালবেলা আগুন পোহাতাম আর ভাপা পিঠা খাইতাম। অনেক সুন্দর সময় ছিল তখন।
ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর সকাল আমাদের সকলকে উপহার দেয়ার জন্য।
জি ভাই প্রান তো ভরে যাবেই ৷ আমারও সেই ছোট্ট বেলার কথা গুলো মনে পড়ে ৷
ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য ৷
আপনি ঠিক বলছেন আর কয়েকদিন পরে নতুন একটি বছর শুরু হবে আশা করি সকলের ভালো হবে।আপনি শীতকালের দৃশ্য নিয়ে খুব সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন গ্রাম বাংলার মানুষের নিত্যদিনের করা কিছু কাজ শীতের দিনের।গ্রামের মানুষ খুবই পরিশ্রমি তারা শীতের দিনেও অনেক সকাল সকাল মাঠে কাজ করেন আর আগুন পোহান সবাই মিলে দেখতে অনেক ভালো লাগে।
আর কিছু দিনের অপেক্ষা নতুন বছর ৷ আমি চেষ্টা করেছি গ্রামের নিত্য দিনের কিছু মূহুর্ত তুলে ধরার ৷
সত্যি কথা গ্রামের দৃশ্য গুলো শহর থেকে খুব একটা উপলব্ধি করা যায় না, তবে জীবনের তাগিদে অনেককেই সকালবেলা আরামের বিছানা ত্যাগ করতে হয়। তবে শীতের দিনে পিঠাপুলির আয়োজনটা গ্রামেই মানায় শহরে এর প্রভাব খুব একটা দেখা যায় না।
হুম ঠিক বলেছেন পিঠাপুলির উৎসব টা গ্রামেই ভালো মানায় ৷ ধন্যবাদ ভাই মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ৷
আসলেই শহরের তুলনায় গ্রামে শীতের প্রভাবটা একটু বেশিই ৷ গ্রামের সকাল গুলো বেশ কুয়াশাছন্ন হয় , যদিও শীত টা একটু বেশিই লাগে ৷ তবে গ্রামের সকাল গুলো হয় উপভোগ করার মতো ৷ যাই হোক অনেক সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছিস ৷ গ্রামের অপরূপ সুন্দর দৃশ্যে গুলো চমৎকার ভাবে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ৷
ঠিক বলেছো বন্ধু গ্রামের শীতের সকাল টা উপভোক করার মতো৷
ধন্যবাদ বন্ধু
গ্রামের মানুষ শীত হোক বা গরম ভোরে উঠেই কাজ শুরু করে।ভোরে উঠে যে যার মত বেড়িয়ে পরে।কেউ মাঠে কেউ বা জরো হয়ে আগে আগুনের তাপ নেয়। আপনি শীতের সকালের বেশকিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন, যা সত্যিই অসাধারণ হয়েছে। সকালবেলা ঘরে ঘরে পিঠা খাওয়ার উৎসব ও গ্রামে দেখা যায়। অনেক সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন এজন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। অনেক অভিনন্দন ভাইয়া আপনার জন্য।
চেষ্টা করেছি গ্রামের মানুষের শীতের সময়ের কিছু সৃতি তুলে ধরার৷ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এতো সুন্দর করে মন্তব্য করেছেন ৷
বর্তমান সময়ের শীতের প্রকোপ অনেক বেশি দেখা দিয়েছে। যদিও শহর অঞ্চলে চার দেয়ালের মাঝে বন্দী থাকা মানুষগুলো এই শীতের প্রকোপ তেমন একটা বেশি উপভোগ করতে পারে না কিন্তু যারা গ্রামে থাকে তারা এই খুব কাছ থেকে এই শীতের কষ্টটা বুঝতে পারে। আসলে আপনি একদম সত্য কথা বলেছেন শহর অঞ্চলের মানুষগুলো দশটা এগারোটায় ঘুম থেকে উঠে তাদের শীত নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই কিন্তু গ্রাম অঞ্চলের মানুষগুলো অনেক বেশি কষ্ট করে, বিশেষ করে উত্তর অঞ্চলের মানুষগুলো। শীতের সকালটা গ্রাম অঞ্চলের জন্য সত্যিই অনেক বেশি কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে মাঝে মাঝে।
আপনার কথা গুলো একদম যথার্থ ৷ জি শহরের মানুষ শীত নিয়ে তেমন একটা ভাবে না ৷ কিন্তু গ্রামে সম্পুর্ন আলাদা ৷ যা হোক আপনার মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ ৷
সত্যি শীতকালে গ্রামের এসব দৃশ্যগুলো অনেক জায়গাতে দেখা যায়। গ্রামের লোক গুলো ভোর বেলা উঠে তাদের কাম কাজ করে থাকে। আর শহরের লোক গুলো ভোরবেলা তেমন ওঠে না। আমাদের এইদিকেও শীতকালে মানুষগুলো একসাথে জড়ো হয়ে আগুন জ্বালিয়ে এবং রোদে বসে কথা বলে। তবে আমাদের এদিকে ও মুরুব্বিগণ বলে থাকে সকালবেলা উঠলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে। ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর করে গ্রামের শীতের অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমার কথা গুলোর সাথে আপনার মন্তব্য ঠিক একি রকম ৲৷ অসংখ্য ধন্যবাদ এতো সুন্দর করে মন্তব্য করার জন্য ৷