ঘড়ির কাঁটায় আটকে থাকা সময় ( পর্ব ১ )
| হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে একটি গল্প পোস্ট শেয়ার করে নেবো। এই গল্পটির নাম হলো- "ঘড়ির কাঁটায় আটকে থাকা সময়"। কলকাতার একটি পুরোনো ঘড়ির দোকানের কথা। এই দোকানটি ঠিক কলেজ স্ট্রিটের একটা কোনে অবস্থিত এবং এটি একটি অচেনা গলি। এই গলিটা আবার লাইটহাউস সিনেমার পেছনে অবস্থিত। দোকানের সামনে একটি কাঠের সাইনবোর্ড ঝুলছে আর তাতে লেখা আছে-সেন এন্ড সন্স ( ঘড়ি সারাই হয় )। দোকানটা অনেক পুরোনো হলেও আসলে এই দোকানে আগের মতো তেমন একটা লোক হয় না। সারাদিনে হয়তো ৩-৪ কাস্টমার হয়ে থাকে। দোকানের কিছু কিছু জায়গায় ধুলো, মরচে, দেওয়ালে ফাটল ধরে আছে। সবকিছু মিলিয়ে দোকানের অবস্থা একটা জরাজীর্ণ।
দোকানটি চালান সুকান্ত নামের এক বৃদ্ধ লোক, এখন তার বয়েসের এমন অবস্থা যে, ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না, চোখে দেখেন না। বয়স প্রায় ৮০ ছাড়িয়েছে। নারায়ণ নামের একটি ছেলে ওখানে পাশে একটি কলেজে পড়াশুনা করে, সে সাহিত্য বিভাগে অনার্স এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। সে নিজে কোনো একটা প্রজেক্টের কাজ করছিলো, তো একদিন চলতে চলতে এই ঘড়ির দোকানটায় ঢুকে পড়েছিল। তার গবেষণার প্রজেক্টের নাম দিয়েছিলো-প্রাচীন যন্ত্রের ইতিহাস এবং অলৌকিক ঘটনা। অলৌকিক তো থাকবেই এখানে, কারণ এই ঘড়ির রহস্যটাই তো আশ্চর্যজনক। তো নারায়ণ দেখলো সেখানে দেয়াল ভর্তি ঘড়ি, একপ্রকার যত প্রকারের ঘড়ি আছে, তার সব প্রায় এই দোকানে আছে।
তবে এই ঘড়িগুলোর প্রায় অনেকটাই যেন চলছে না ঠিকভাবে। আর ঘড়িগুলোতে সময় যেন আলাদা আলাদা হয়ে আছে। নারায়ণ কথার ছলে হাসতে হাসতে এই সুকান্ত দাদুকে বললো- ঘড়ির কাঁটা কিন্তু সব থেমে আছে। বয়স্ক লোকজন যেমন চশমা নামিয়ে কথা বলেন, উনিও সেই স্টাইল দিয়ে হালকা চশমাটা চোখের থেকে সরিয়ে বললেন-থেমে নেইরে বাবা..কিছু ঘড়ির ব্যাপার আলাদা অর্থাৎ কিছু ঘড়ি অন্য সময়ের সঙ্গে চলে। নারায়ণ দাদুর কথা শুনে তো একটু অবাক হলো আর তাকে এর অর্থ ঠিকভাবে বুঝিয়ে বলতে বললো। কারণ বিষয়টার মধ্যে একটু রহস্য ঢুকে আছে। তো নারায়ণকে বললো যে, এই ঘড়িগুলো কোনো সাধারণ ঘড়ির মতো নয়।
এখানে যত ঘড়ি দেখছো তাদের একটা গল্প আছে অর্থাৎ এখানে কিছু ঘড়ি অতীতে সময়ের সাথে ফেঁসে আছে এবং কিছু ঘড়ি ভবিষ্যতের সময়ের সঙ্গে বাঁধা। সময় সবসময় সোজা চলে না, সময় কখনো কখনো পিছিয়ে যায়। নারায়ণ তো বিষয়টাকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি, তার কাছে মনে হয়েছে, এমন কখনো হয় নাকি! ফলে বিষয়টাকে একপ্রকার হেয়ালি হিসেবে দেখে উড়িয়ে দিলো। হঠাৎ এতগুলো ঘড়ির মাঝে নারায়ণের চোখ আটকে গেলো একটা পুরোনো কাঠের ঘড়ির দিকে। এই ঘড়িতে কোনো পেন্ডুলাম নেই, কাঁচগুলোতে ফাটল ধরে আছে, যেন ধরলেই ভেঙে পড়বে। আর ঘড়ির কাঁটাগুলো যেন একটা সময়ে আটকে আছে।......
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



@winkles, this is fantastic! The premise of "ঘড়ির কাঁটায় আটকে থাকা সময়" (Time Stuck in the Clock's Hands) is immediately captivating. The image of the old clock shop in Kolkata, filled with dusty, broken timepieces, sets such a wonderfully mysterious atmosphere. The story of Sukanta and Narayan already has me hooked. The idea of clocks tied to different points in time – past and future – is incredibly imaginative! I'm eager to know more about the old wooden clock and the secret it holds. This is the kind of narrative that sparks the imagination and keeps you guessing. Looking forward to the next part! I'm resteeming this for greater visibility.