গণেশ ঠাকুরের চিত্রাঙ্কন ।। অরিজিনাল আর্টওয়ার্ক
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।
বরাবরের মতো আজকে আপনাদের সামনে একটা নতুন অঙ্কন নিয়ে হাজির হলাম। আজকে আমি আমাদের গণেশ ঠাকুরের চিত্র অঙ্কন করেছি। গণেশ ঠাকুর বিভিন্ন নামের মাধ্যমে পরিচিত। তবে গণপতি নামটা বেশি প্রসিদ্ধ, এই নামে তাকে সবজায়গায় সম্বোধন করে থাকে। গণেশ ঠাকুরের বুদ্ধি ও জ্ঞান ছিল খুব আর এইজন্য তাকে অনেক জায়গায় বুদ্ধি ও জ্ঞানের দেবতা হিসেবে পুজো করে থাকে। গণেশ ঠাকুর তার বাহন ইঁদুরের পিঠে উঠে আকাশ ভ্রমণ করে বেড়াতো। আর গণেশ ঠাকুর সব থেকে লাড্ডু খাওয়ায় বেশি পটু ছিল, নিমিষেই সব খেয়ে প্লেট ফাঁকা করে ফেলতো। আচ্ছা যাইহোক, আশা করি এই অঙ্কনটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
❦উপকরণ:❦
✔এখন অঙ্কনের ধাপগুলো নিচে তুলে ধরবো---
➤প্রথম ধাপে আমি গণেশ ঠাকুরের মুখমন্ডল অঙ্কন করে নিয়েছিলাম। এরপর চোখ, শুঁড়, দাঁত, কান অঙ্কন করে নিয়েছিলাম। মাথার দিকটা অঙ্কন করার পরে পিছনে চক্র মতো দেখতে অঙ্কন করে দিয়েছিলাম।
➤দ্বিতীয় ধাপে আমি গণেশ ঠাকুরের গলায় ঝুলে থাকা হার অঙ্কন করে নিয়েছিলাম এবং তাতে একটু ডিসাইন মতো করেছিলাম।
➤তৃতীয় ধাপে গণেশ ঠাকুরের বডি আর পেটটা অঙ্কন করে নিয়েছিলাম। এরপর এক পাশে একটি হাত অঙ্কন করার পরে পায়ের দিকে একটা শেপ তৈরি করে নিয়েছিলাম।
➤চতুর্থ ধাপে আরেক পাশে হাত অঙ্কন করার পরে সেই হাতে এক প্লেট লাড্ডু অঙ্কন করে দিয়েছিলাম। এরপর গণেশ ঠাকুরের বসার আসনটা অঙ্কন করে নিয়েছিলাম এবং আসন থেকে পোশাকের কিছু অংশ নিচে ঝুলে রয়েছে সেটা অঙ্কন করে দিয়েছিলাম । পা দুটি পুরোপুরি অঙ্কন করে সম্পন্ন করেছিলাম এবং একটি পায়ের নিচে আসন মতো দেখতে অঙ্কন করেছিলাম।
➤পঞ্চম ধাপে সবজায়গায় গাঢ় কালী দিয়ে বিষয়টিকে আরো ফুটিয়ে তুলেছিলাম। এরপর দুই পাশে আরও দুটি হাত অঙ্কন করেছিলাম যার একটিতে অস্ত্র অঙ্কন করেছিলাম এবং অন্যটিতে ফুল অঙ্কন করে দিয়েছিলাম।
➤ষষ্ঠ ধাপে আমি গণেশ ঠাকুরের পিঠের দিকে লম্বা বালিশ অঙ্কন করে দিয়েছিলাম।
➤সপ্তম ধাপে গণেশ ঠাকুরের মাথা আর চক্র মতো দেখতে ওখানে কালার করে দিয়েছিলাম।
➤অষ্টম ধাপে মুখমন্ডল, কান এবং হাতের একটি অস্ত্র কালার করে নিয়েছিলাম।
➤নবম ধাপে পিছনের দুটি হাত কালার করে নিয়েছিলাম এবং ফুলটিকেও কালার করে দিয়েছিলাম। এরপর হারটিকেও কালার করে দিয়েছিলাম।
➤দশম ধাপে সামনের দুটি হাত আর পুরো শরীরটা কালার করে নিয়েছিলাম। এরপর হাতের লাড্ডুগুলোকেও কালার করে দিয়েছিলাম।
➤একাদশ ধাপে বালিশটিকে কালার করে নিয়েছিলাম।
➤দ্বাদশ ধাপে পায়ের দিকটা পোশাক সহ কালার করে নিয়েছিলাম।
➤ত্রয়োদশ ধাপে আসনের স্থানটি থেকে কাপড়ের যে অংশটা নিচের দিকে ঝুলে ছিল সেটা কালার করে দিয়েছিলাম।
➤চতুর্দশ ধাপে বসে থাকা আসনটি কালার করে দিয়েছিলাম এবং একটি পা যে আসনের উপরে ছিল সেটিও কালার করে দিয়েছিলাম।
আর্ট বাই, @winkles
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
দাদা আপনার প্রতিটা আর্ট আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। নিখুঁত ভাবে উপস্থাপন করেন আপনি। আজকের আর্ট ও তার বিপরীত নয়।
এই যে আমার অঙ্কন আপনাদের কাছে এতো ভালো লাগে এইটা জেনে আমিও অনেক খুশি হলাম।
দাদা আপনি গণেশ ঠাকুরের অসাধারণ চিত্র অঙ্কন করেছেন। আমার খুব ভালো লেগেছে। ত্রিতাপ আপনি এত সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে অবস্থান করেছেন যা সত্যি মনমুগ্ধকর। চিত্রটিতে একেবারে হুবহু লাগছে। শংকর ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি চিত্র আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য দাদা।
চিত্রটিকে একটু কাগজে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করলাম জাস্ট। আপনি চিত্রটি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন শুনে অনেক ভালো লাগলো।
হ্যা ধাপগুলো আমি সহজভাবে বুঝিয়ে উপস্থাপন করে দিয়েছি যাতে সবাই সহজেই বুঝে উঠতে পারে অঙ্কনের পদ্ধতিটা। আর আপনার কাছে অনেক ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম ।
ভাইয়া আপনার এই আর্ট গুলো অনেক বেশি ভালো লাগে।
কি দারুণ আর কি নিখুঁত ভাবে করেন আপনি।
আমি সত্যিই মুগ্ধ হই বিশেষ করে কালার করাতো একেবারে অসাধারণ।
আমার পেন্সিল স্কেচগুলো করতে বেশি সময় লাগে না কিন্তু কালার মিলিয়ে দিতে গেলে অনেক সময় লেগে যায়। আর এই কালার ঠিকঠাক করে না মেলাতে পারলে অঙ্কনটাই বৃথা।
দাদা আপনি সবসময় দারুন দারুন চিত্র অঙ্কন করে আমাদের সাথে শেয়ার করেন এটা আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আপনি আপনার ব্যস্ততার মাঝেও এত সুন্দর সুন্দর চিত্র অঙ্কন করেন এটা দেখে অনেক অনুপ্রাণিত হই। গণেশ ঠাকুরের চিত্রাঙ্কন এক কথায় অসাধারণ হয়েছে। আপনার অঙ্কিত চিত্রটি আমাকে মুগ্ধ করেছে। দাদা আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আসলে ব্যস্ততার কারণে বেশি অঙ্কন করার সময় পাইনা, সপ্তাহে একটা করি ফ্রি থাকলে। স্কেচগুলো করতে আমার বেশিক্ষন লাগে না, ঝপাঝপ করে ফেলতে পারি কিন্তু কালারের জায়গায় গিয়ে অনেকটা সময় লেগে যায়। কালার সব মিলিয়ে ফুটিয়ে তুলতে না পারলে অসম্পূর্ণ থেকেই যায়।
গণেশ ঠাকুরের চিত্রাংকন অসাধারণ হয়েছে দাদা। আপনার অঙ্কন আমার খুবই ভালো লাগে। আপনি যেমন ভালো রেসিপি শেয়ার করেন তেমনি ভালো চিত্র অঙ্কন করেন। গণেশ ঠাকুরের চিত্র অঙ্কন আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আপনি অনেক দক্ষতার সাথে এই সুন্দর চিত্রটি আমাদের মাঝে উপহার দিয়েছেন। দাদা আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
আপনার কাছে আমার এই অঙ্কনটি অনেক ভালো লেগেছে জেনে আমারও অনেক ভালো লাগলো।
ঠিক বলেছেন দাদা গণেশ ঠাকুরের জ্ঞান বুদ্ধি ছিল অনেক বেশি তাই অনেকেই জ্ঞান-বুদ্ধির দেবতা বলে ডাকে।আমি গনেশ দেবতার কথা আমার পাশের বাড়ির এক দিদির কাছ থেকে শুনেছি। দিদি সবসময় বলে উনার ছেলে মেয়েকে গণেশ দেবতার আশীর্বাদ নেওয়ার জন্য। যাই হোক দাদা আপনি গণেশ ঠাকুরের চিত্রাংকন সত্যি খুব সুন্দর ভাবে এঁকেছেন।আপনার চিত্র অঙ্কন দেখে মনে হচ্ছে একদম বাস্তব গণেশ ঠাকুর। গণেশ ঠাকুরের চিত্র অংকন আপনি খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন।অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর একটি চিত্র অংকন আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ।
গণেশ ঠাকুরকে একটু তার মতো করে অঙ্কন করার চেষ্টা করলাম। আমি সব অঙ্কনগুলোকে একটু বাস্তবতার রূপ দেওয়ার চেষ্টা করে থাকি এই আর কি। অঙ্কন করে আপনাদের ভালো লাগাতে পারলে আমার সার্থকতা সেখানে। আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।
জয় বাবা সিদ্ধেশ্বরীর জয়!
দাদা আমি ভাবছি গণেশ ঠাকুরের পায়ের কাছে ইঁদুরটি কোথায় গেল🤔।
অসাধারণ অঙ্কন করেছেন,তবে ইঁদুরের জন্য মন খারাপ হচ্ছে আমার।যাইহোক গণেশ ঠাকুরটি নিখুঁত, নিপুন হয়েছে।কালারটি চমৎকার হয়েছে।ধন্যবাদ দাদা।
😁.ইঁদুরের চিত্রটা অঙ্কন করতে ভুলে গিয়েছিলাম, পরে মনে পড়লো। অংকনটি তোমার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।
দাদা আপনি গণেশ ঠাকুরের অসাধারণ সুন্দর একটি চিত্র অঙ্কন করেছেন। গণেশ ঠাকুরের চিত্র অঙ্কন টি দেখে আমার খুবই ভালো লেগেছে। গণেশ ঠাকুরের চিত্র অংকন এর প্রতিটি ধাপের বর্ণনা এবং ফটোগ্রাফি দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর একটি পোষ্ট আমাদের উপহার দেয়ার জন্য।
জয় গণেশ 🙏🙏🙏🙏।
খুব ভালো লাগছে দেখতে। মনে ভক্তি নিয়ে এঁকেছেন দাদা বোঝাই যাচ্ছে। তবে ইদুর মহাশয় কি নাড়ু খেতে গেছে দাদা 🤪