🎎 বিয়ে বাড়িতে গিয়ে,বিয়ের শেষ মুহূর্ত।(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
আসসালামু আলাইকুম, আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন।আমি @tuhin002 বাংলাদেশ বলছি।আজ (১৩-০৯-২০২২)
আসলামু আলাইকুম,আমার স্ট্রিম বন্ধুগন।আশা করি আল্লাহুর কৃপায় আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও ভালো আছি। আমি @tuhin002।আজকে আমি শেয়ার করতে যাচ্ছি আমার ছোট ভাইয়ের বিয়ের শেষ মুহূর্ত।নিচে ধাপে ধাপে তুলে ধরা হলো .....
প্রতিটা বিয়ে হয়ে থাকে একটা নিয়মের মধ্যে দিয়ে। এই বিয়েটাও তার ব্যাতিক্রম নয়।আমি দেখেছি প্রায় সব বিয়েতে শেষের দিকে মেয়ের বাড়ির লোকজন সবাই মিলে বর এবং কনে কে চেয়ারে বসায় এবং তাদের মিষ্টিমুখ করায়। আমাদের গ্রামের ভাষায় বলতে গেলে এটাকে সিংড়ানো বলে।আবার আমার এটাকে সিপটেপিং মারা বলে।অবশ্য এর মধ্যে দিয়ে মেয়ে বাড়ির লোকজন ছেলে বাড়ির লোকজন এর কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে থেকে।
এখানে আপনারা সবাই দেখতে পাচ্ছেন টেবিলের উপর দুটি গ্লাস রাখা আছে। এবং ঔ গ্লাসের ভিতরে পানি ঢেলে ভর্তি করা হয়েছে। পাশে একটি মেলামাইন ছোট প্লেট দেখতে পাচ্ছেন। ঔ প্লেটে কিছু মিষ্টি রাখা আছে। এই মিষ্টিমুখ করানো হচ্ছে প্রথমে মেয়ের মধ্যে দিয়ে। চারপাশে সবাই মিলে তাদের দিকে নজর করে আছে। তো মেয়ের মুখে এভাবেই তিনবার করে মিষ্টিমুখ করাতে হয়।এবার মেয়ের মুখে মিষ্টি দেওয়া শেষ হলে গ্লাসে যে পানি আছে তা তাকে খাওয়াতে হয়।
উপরে দেখেছেন মেয়ের মুখে মিষ্টি দেওয়া শেষ হলে এরপর ঔ একই মিষ্টি মেয়ের জামাই কে মিষ্টিমুখ করানো হচ্ছে। আসলে এটা বৈবাহিক জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় গুলো একটি। গ্রামের মানুষ সবাই মনে করে যে একত্রে ছেলে মেয়ে কে মিষ্টিমুখ করালে তাদের মধ্যে নাকি অনেক ভালোবাসা সৃষ্টি হয়ে থাকে। তাই এক প্লেটের একটি মিষ্টি দুজনের মধ্যে সমান ভাবে ভাগ করে খাওয়ালে নাকি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি হয়ে থাকে।
বর এবং কনের মিষ্টিমুখ করানো পর্ব শেষ হয়ে গেল। সবাই তাদেরকে ঘিরে দাঁড়িয়ে গেল।মেয়ের পরিবারের লোকজন সবাই কান্না করে দিয়েছে।আসলে এটাই নিয়ম কিন্তুু তবুও কিছু কথা থেকে যায় তা হলো অনেক বছর মা বাবার চোখের সামনে তিল তিল তিল করে বড় হয়ে ওঠা সন্তান যখন পরের ঘরে চলে যায় তখন তাদের খারাপ লাগে। তবুও তো কিছু করার নেই।সবাই তাদের জন্য অনেক দোয়া করেন। তারা যেন সুখে থাকে ভালো থাকে। তাদের ভবিষ্যতে দিন গুলো অনেক মিষ্টি ময় জীবন অতিবাহিত করতে পারে সেই দোয়া তাদের জন্য করা হয়ে থাকে।
বিয়ে বাড়িতে সব কর্যকলাপ গুলো যখন শেষ হয়ে গেল তখন বিদায়ের পালা। বর কনে উভয়ই বাড়ির উদ্দেশ্য হাটা শুরু করে। আসলে মেয়ের বাড়ি থেকে রাস্তার দূরত্ব দুই মিনিট হবে আর তাই রাস্তা পর্যন্ত আমাদের সকলকেই হেঁটে যাওয়া লাগলো। যখন আমরা গাড়ির কাছে পৌঁছে গেলাম তখন বর কনে গাড়ির ভিতর ওঠে পড়লো। আর আমরা বাইক নিয়ে গিয়েছিলাম।যায় হোক অনেক সুন্দর একটা দিন আমরা অতিবাহিত করলাম। আসলে বিয়ে মানে অনেক কিছু সেখানে হাসি কান্না ঠাট্টা রাগ অভিমান সব কিছু থাকে। আর এইসব গুলো না থাকলে বিয়ে অসমাপ্ত থেকে থাকে। যাইহোক সবাই তাদের জন্য দোয়া করবেন। তারা যেন ভালো থাকে।
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি তুহিন ব্লগ।আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।আমার মাতৃভাষা বাংলা।আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি।সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
বিয়া যে কত্ত মজা শুধু খাওন আর খাওন।। আপনার আজকের ব্লগটি দেখে মনে হয়ে গেল আমার বন্ধুর বিয়ের কথা বেশ কিছুদিন আগে গিয়েছিলাম খুব মজা করেছিলাম আমরা সেই সাথে সুন্দর সুন্দর মজাদার খাবার খেয়েছিলাম আসলে দিনগুলো অনেক ভালো ছিল।। আপনিও খুব সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছেন আশা করি।।
আপনি খুব সুন্দর ভাবে বিয়ে বাড়িতে গিয়ে বিয়ের শেষ মুহূর্ত শেয়ার করেছেন। আপনি কেমন খাওয়া দাওয়া করলেন তা কিন্তু উল্লেখ করেন নাই। আপনি বিয়ের যেগুলো নিয়ম তুলে ধরেছেন সবগুলো আমাদের এখানে সেম। দুলা যাওয়ার পর গেট থেকে বিয়ের পর্যন্ত এবং মিষ্টিমুখ করার পর্যন্ত সবটাই আপনি অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে উপস্থাপনা করেছেন। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
আপু এর আগে পোস্টে আমি খাওয়া দাওয়া ও অন্য বিষয় গুলো শেয়ার করেছি। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।
আপনার কাটানো বিয়ের বাড়িতে শেষ মুহূর্তটির দেখতে অনেক ভালো লাগলো। আপনি বিয়ের বাড়িতে সুন্দর সময় কাটানোর পাশাপাশি ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন।
আপনার জন্য শুভকামনা রইল