স্কুলের প্রথম শিক্ষা সফর
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৭/২০২৩
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। কালকে সারাদিন প্রচুর পরিমাণে ব্যস্ত ছিলাম যার কারণে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হতে পেরেছিলাম না। উপরের ছবিটা দেখেই হয়তো বা আপনারা বুঝতে পেরে গিয়েছেন আমার সেই ব্যস্ততার কারণটা কি ছিল। অনেকদিন থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কে নিয়ে একটা শিক্ষা সফরের আয়োজন করার জন্য। অবশেষে ২৬ শে ফেব্রুয়ারি সময় নির্ধারণ করেছিলাম শিক্ষা সফরের। পূর্বে এই ঘোষণা দিয়ে দিয়েছিলাম সকাল সাতটার মধ্যে আমাদের স্কুল থেকে বাস ছেড়ে যাবে। ঘোষণাপ মোতাবিক সকল ছাত্র-ছাত্রী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই উপস্থিত হয়ে গিয়েছিল। তারপরে আমরা বাসে পর্যায়ক্রমে ছাত্রছাত্রীদেরকে তুলে নিলাম। এই কাজগুলো করতে আমাদের প্রায় এক ঘন্টার মত সময় লেগে গিয়েছিল তার ফলে আমরা সকাল আটটার সময় স্কুল থেকে রওনা দিলাম নাটোরের লালপুরের গ্রীনভ্যালি পার্ক ভ্রমণের উদ্দেশ্যে।
আমাদের স্কুলে ছাত্রছাত্রীরা অনেক ছোট যার কারণে আমরা শিক্ষা সফরে যাবার জন্য অভিভাবকের যাওয়া বাধ্যতামূলক ঘোষণা করেছিলাম। তাই প্রত্যেকটি ছাত্র-ছাত্রীর সাথে একজন অথবা দুইজন করে অভিভাবক গিয়েছিল এই শিক্ষা সফরে। সত্য কথা বলতে আমাদের শিক্ষকদের চাইতে অভিভাবকদের এই শিক্ষা সবরের প্রতি আগ্রহ ছিল সবথেকে বেশি। প্রথমে আমরা চিন্তা করেছিলাম আমাদের কাছাকাছি কোন জায়গায় শিক্ষা সফরের আয়োজন করার জন্য কিন্তু অভিভাবকেরা চাচ্ছিল নাটোরের এই জায়গাটির ভ্রমণ করতে। পরে আমরা অভিভাবকের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নাটোরের লালপুর ভ্রমণ করার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিলাম।
আমাদের এলাকা থেকে নাটোর খুব একটা দূরে না আবার খুব একটা কাছেও নাও। পূর্বেই আমি অনলাইনে দেখেছিলাম নাটোরের এই পার্টি সকাল ৯ টা থেকে চালু হয় এবং বিকেল পাঁচটায় বন্ধ হয়ে যায়। সে মোতাবেক আমরা সকাল এগারোটার সময় নাটোরের এই পার্কে উপস্থিত হয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে কোন শিক্ষা সফর গ্রহ করার অভিজ্ঞতা পূর্বে আমাদের ছিলনা। এটাই ছিল আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের কে নিয়ে শিক্ষা সফর প্রথম ভ্রমণ। প্রথম হওয়ার কারণে আমরা একটু চিন্তার মধ্যে ছিলাম যে শিক্ষা সফরটা সঠিকভাবে করতে পারব কিনা। অবশেষে আমি এবং সুমন স্যার বিভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছিলাম যেন আমাদের এই শিক্ষা সম্পর্কে সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে পারি। এই শিক্ষা সফরে আমরা অনেক কিছু দেখেছিলাম সেগুলো আমি আপনাদের মাঝে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে পোস্ট আকারে শেয়ার করব।
আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব নতুন কোন একটা পোষ্টের মধ্য দিয়ে।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আপনি তো প্রায় আমাদের শহরের কাছাকাছি চলে এসেছিলেন ভাইয়া।জায়গাটি আমাদের শহর থেকে অল্প দূরে।আশা করি শিক্ষাসফরে অনেক মজা করেছেন।যদিও দায়িত্ব কাধে থাকলে বেশি মজা করা যায়না। ধন্যবাদ আপনাদের সুন্দর মুহুর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য।
বিষয়টা যদি আগে থেকে জানতে পারতাম তাহলে তো আপনাকে দাওয়াত করতাম।
যাইহোক নতুন একটি অভিজ্ঞতা হয়েছে আপনার। আসলে একটি স্কুল পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হয়। আপনাদের স্কুল কেন্দ্রিক পোস্টগুলো আমি প্রায় সময় দেখি। আপনার অনেক ভালো কাজ করেন এই স্কুলের জন্য। প্রতিবছর একটি শিক্ষা সফর আসলেই খুব দরকার। এতে করে বাচ্চারা নতুন জিনিস দেখতে ও শিখতে পারে। আপনারা অভিভাবকদের কথার প্রাধান্য দিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। পরের পর্বগুলোর অপেক্ষায় রইলাম।
তাদেরকে নতুন নতুন জিনিস শেখানোর জন্যই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলাম।
ছাত্র-ছাত্রীদের কে নিয়ে প্রথম শিক্ষা সফর ভ্রমণে আশা করছি অনেক আনন্দ উদযাপন করেছেন এবং এর পাশাপাশি অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন । আপনার ছবিগুলোর মধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের তুলনায় অভিভাবকদের বেশি মনে হচ্ছে । নাটোরের লালপুরের গ্রীনভ্যালি পার্ক ভ্রমণের জন্য অনেক সুন্দর একটি জায়গা ।
এবার প্রথমবার হবার কারণে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি যা পরবর্তীতে কাজে আসবে।
আসলে ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে গার্জিয়ান যাওয়া ভালো।বছরে একবার শিক্ষা সফরের আয়োজন করা বেশ ভালো।যাই হোক প্রথম প্রথম হলে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়।সব মিলিয়ে বেশ মজা করেছেন আপনারা।পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায়। ধন্যবাদ
ঠিক বলেছেন তার জন্যই আমরা প্রত্যেককে বলেছিলাম অভিভাবক সহ আমাদের সাথে যেতে।