একুশে ফেব্রুয়ারি সকালের প্রভাত ফেরি
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন
আমি @mostafezur001 বাংলাদেশ থেকে
আজকে শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৪/২০২৩
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। একুশে ফেব্রুয়ারী দিনের কথা। এই দিনকে কেন্দ্র করে আমাদের স্কুলে আমরা বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলাম। তার মধ্যে সর্বপ্রথম যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলাম সেটা হচ্ছে প্রভাত ফেরি। প্রভাত ফেরির সময় আমরা নির্ধারণ করেছিলাম সকাল আটটা। প্রত্যেকটি শিক্ষক সহ ছাত্রছাত্রীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই উপস্থিত হয়ে গিয়েছিল। আর আমরা নির্দিষ্ট সময়েই প্রভাত ফেরির যাত্রা শুরু করেছিলাম।
প্রভাত ফেরির সামনের দিকে আমি এবং সুমন স্যার নেতৃত্ব দিছিলাম। সুষ্ঠুভাবে করার জন্যই মূলত আমরা দুজনে নেতৃত্ব দিয়েছিলাম। আর এটা এতটাই সুন্দরভাবে আমরা সম্পূর্ণ করতে পেরেছি যা দেখে আমাদের এলাকার প্রত্যেকটি মানুষ অত্যন্ত খুশি হয়েছে। প্রভাত ফেরির এই ভিডিওটি আমরা আমাদের ফেসবুক এ পোস্ট করেছিলাম সেখানেও আমরা খুব সুন্দর সুন্দর মন্তব্য পেয়েছি।
প্রভাত ফেরী শেষ হয়ে যাবার সাথে সাথেই ছাত্র-ছাত্রীরা ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে পড়লেও ছবি তোলার জন্য। প্রথমে অল্প কয়েকজন ছাত্রছাত্রী ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে ছিল ছবি তোলার জন্য।
তারপরে আমাদের স্কুলের সকল শিক্ষকেরা একত্রিত হয়ে দাঁড়ালাম এবং বেশ কয়েকটা ছবি ধারণ করলাম। সুমন স্যার ক্যামেরাম্যান থাকার কারণে এই ছবিগুলোর মধ্যে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। সত্য কথা বলতে ক্যামেরা ম্যান এর এটাই সব থেকে কষ্টের বিষয়। সকল ভালো ছবির মধ্যে নিজে অনুপস্থিত হয়ে যাই।
আমাদের ছবি তোলা শেষ হয়ে যাবার পরপরই পুনরায় ছাত্রছাত্রীরা জড়ো হতে শুরু করল। তাদের জড়ো হবার সব থেকে বড় কারণ ছিল ছবি তোলা। এজন্য আমি তাদেরকে সুন্দরভাবে দাঁড়াতে বললাম এবং বেশ কিছু ছবি ধারণ করলাম। তাদের ছবি তোলার ফলে দেখতে পেলাম তাদের মনের মধ্যে অনেক আনন্দ কাজ করছে। আসলে ছোট ছোট ছাত্র-ছাত্রীরা ছবি তুলতে সবসময়ই অনেক বেশি পছন্দ করে থাকে। প্রভাত ফেরি শেষ হয়ে যাবার পরে আমরা আমাদের স্কুলে রচনা প্রতিযোগিতা এবং চিত্র অংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম। রচনা প্রতিযোগিতা এবং চিত্র অংকন প্রতিযোগিতার বিষয়গুলো আমি আপনাদের মাঝে পরবর্তী পোস্ট এর মাধ্যমে শেয়ার করব। আজকের মত এ পর্যন্তই পরবর্তী সময়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব নতুন কোন একটা পোষ্টের মাধ্যমে।
আমি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।আমি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় বসবাস করি।আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশকে খুবই ভালোবসি।বর্তমানে আমি গ্রীনরেইন ল্যাবরেটরী স্কুলের একজন শিক্ষক।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুব ভালোবাসি এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন নতুন জিনিস তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে।আমি বিশ্বাস করি, আমার এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় বা নতুন কিছু শিখতে পারে তবেই আমার সৃজনশীল কাজটি সার্থক হবে। তাই আমি চেষ্টা করবো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সৃজনশীল জিনিস নিয়ে উপস্থিত হতে।
আমার কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুক টুইটার
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আমরা যখন স্কুলে ছিলাম তখন এরকম প্রভাতফেরি তে চলে যেতাম। তখন মাতৃভাষা এবং শহীদ দিবস উপলক্ষে তাজা ফুল খোঁজার জন্য ভোরবেলায় ওঠে আমাদের নিজেদের বাগানের ফুল গুলো সংগ্রহ করতাম। আর সে ফুলগুলো দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ফুলের তোড়া তৈরি করে ফেলতাম। তার পাশাপাশি এই প্রভাতফেরিতে আমরা শিক্ষক ছাত্রছাত্রীরা মিলে যেতাম।আর আপনি এবং সুমন ভাই মিলে ভালোভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন এজন্য প্রভাতফেরি খুব সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয়েছে,জেনে খুব ভালো লাগল।
ঠিক বলেছেন ভাই ছোটবেলায় এই ধরনের জিনিস গুলো খুবই ভালো লাগতো।
ভাইয়া আপনার এই পোস্ট পড়ে নিজের স্কুল জীবনের কথা মনে পড়ে গেল। লাইন ধরে সকালবেলায় প্রভাত ফেরীতে যাওয়া এবং শহীদ মিনারে ফুল নিবেদন করা সবকিছুই যেন অতীত। যাইহোক ভাষা দিবসের এই বিশেষ দিনে রচনা প্রতিযোগিতা এবং অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে জেনে ভালো লাগলো। আশা করছি পরবর্তী কোন পোস্টে এই বিষয়গুলো ভালোভাবে জানতে পারবো।
আসলে আপু এই জিনিসটাকে স্কুল জীবনের কথা মনে করিয়ে দেবার মত জিনিস ই।
ভাইয়া বাংলাদেশের প্রত্যেক স্কুলে যদি এমন করে একুশে ফেব্রুয়ারির দিন সকালের প্রভাত ফেরি করা হয় তাহলে সবাই অনেক খুশি হয়। আপনি বিডিও করে ফেসবুকে দেওয়ার কারণে আপনাদের স্কুলের শোনামও বৃদ্ধি পেল। ধন্যবাদ ভাইয়া।
ঠিক বলেছেন ভাই ভিডিও গুলো খুবই মানুষ পছন্দ করেছে।
একুশে ফেব্রুয়ারি পালন উপলক্ষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রভাত ফেরি বের করা। আসলে আমি মনে করি প্রভাত ফেরি গুরুত্বপূর্ণ বাচ্চারা তো অনেক কিছু শিখতে পারবে।আপনাদের স্কুলের নিয়ম কানুন গুলো অনেক ভালো লাগে। খুব সুন্দর একটি প্রভাত ফেরি বের করেছেন একদম সকালবেলা বাচ্চাদের নিয়ে দেখে তো অনেক ভালো লেগেছে।
বাচ্চাদের শেখানোর জন্যই মূলত আমরা এ ধরনের উদ্যোগগুলো গ্রহণ করেছিলাম।
আমরা যখন স্কুলে ছিলাম একুশে ফেব্রুয়ারিতে এভাবে প্রভাত ফেলিতে অংশগ্রহণ করতাম। তবে আপনি অনেক সুন্দর করে একুশে ফেব্রুয়ারি সকালের প্রভাত ফেরি আমাদের মাঝে সুন্দর করে শেয়ার করেছেন। আসলে এরকম পোস্ট গুলো দেখতে খুব ভালই লাগে। খুব চমৎকারভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমিও যখন স্কুলে ছিলাম তখন এই ধরনের প্রভাত ফেরিতে অংশগ্রহণ করতাম।
একুশে ফেব্রুয়ারিতে প্রভাত ফেরি করে গিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।আপনাদের স্কুলে ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে এমন আয়োজন সত্যি ই খুব ভাল লাগলো। বাচ্চারা ইতিহাস জানবে।ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শিখবে এটা আমাদের ই দায়িত্ব। খুব ভাল লাগলো ভাইয়া। শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আমাদের সকলেরই উচিত ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের অতীত ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেওয়া।
ফটো দেখে মনে হচ্ছে আমিও উপস্থিত ছিলাম এই শোভাযাত্রায়। যাইহোক খুবই আনন্দঘন একটি মুহূর্ত ছিল আমাদের ছাত্রছাত্রীদের জন্য, তারা খুবই শ্রদ্ধা ভক্তির সাথে একুশে ফেব্রুয়ারীর শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছিল। আর এই শোভা যাত্রার মধ্য দিয়ে স্মৃতি হয়ে রইল আমাদের সবার মাঝে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনের বিষয়টা।
আসলে আমরা ছিলাম বলেই এই জিনিসটাকে এত সুন্দর ভাবে সম্পূর্ণ করতে পেরেছিলাম।