আলিপুর চিড়িয়াখানা : পর্ব ৭
নমস্কার বন্ধুরা,
বাঘ মামার সাথে দেখা করে আবার ম্যাপটা দেখে নিলাম কারণ বলা যেতে পারে এই জায়গাটা চিড়িয়াখানায় একদম মাঝখান। আর আশপাশেই অনেক কিছু দেখবার মতো আছে তাই আবার ম্যাপের দ্বারস্থ হলাম। আর ম্যাপ দেখে যা বুঝলাম তা হলো, জিরাফের খাচা সবচাইতে কাছে রয়েছে, সেখান থেকে ঘুরে আসি কারণ খুব ছোটবেলায় চিড়িয়াখানা এসেছিলাম তখন জিরাফ দেখে আমি সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছিলো। এত বড় প্রাণী সে আবার তৃণভূমি, ভাবলেই অবাক লাগে। তাই একটা ছোট্ট সাঁকো পেরিয়ে চলে গেলাম জিরাফ দেখতে।
জিরাফের খাঁচাটার নাম এজরা হাউস। ১৮৭৭ সালে ডেভিড এজরা দুটো জিরা আলিপুর চিড়িয়াখানায় দান করেন এবং সেই জিরাফ গুলোকে রাখবার জন্য ঘরটি বানানো হয়। সেই পথিকৃৎ মানুষটিকে উদ্দেশ্য করেই জিরাফের ঘরটির নাম এজরা হাউস। খাঁচার ঠিক মধ্যিখানে ঘরটি। আর খাঁচার চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেকগুলো জিরাফ। জিরাফ গুলো দেখি একটু ছায়া ঘেষে জটলা করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর দাঁড়াবেই না কেন আসলে মার্চে যে এত তাপমাত্রা সেটা চিন্তার বাইরে। সেই জন্য তারাও রোদের তাপ থেকে বাঁচতেই ছায়াতে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
খাঁচাটা বেশ অনেকটা বড় তাই চারপাশ ঘুরে ঘুরে জিরাফ গুলোকে দেখতে হলো। আমার যদিও তাদের দেখে একটু করুণা লাগছিল কারণ এত বড় জন্তু গুলোকে একটা ছোট্ট জায়গায় মানুষের নন্দনের জন্য রাখা হয়েছে। ভাবতে ভাবতে খাঁচার ঠিক পাশে একখানা জিরাফ চলে এলো যেখানে আমি একা দাঁড়িয়ে ছিলাম। এতো কাছ থেকে জিরাফ সুন্দর ভাবে দেখতো পাবো সেটা ভাবিনি।
জিরাফ খাঁচার কাছে আসা মাত্র সাথে সাথেই আশেপাশ থেকে অনেক লোকজন আমি যেখানটা দাঁড়িয়ে ছিলাম সেখানে চলে আসলো। অনেক মানুষকে একসাথে দেখে জিরাফটা ঘাবড়ে দূরেই চলে গেলো। রোদের মধ্যে টিকে থাকা দায় তাই আমিও এগিয়ে গেলাম সামনের দিকে।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Congratulations, your post has been upvoted by @scilwa, which is a curating account for @R2cornell's Discord Community. We can also be found on our hive community & peakd as well as on my Discord Server
Felicitaciones, su publication ha sido votado por @scilwa. También puedo ser encontrado en nuestra comunidad de colmena y Peakd así como en mi servidor de discordia
প্রিয় দাদা, আপনার লেখা আলিপুর চিড়িয়াখানা ভ্রমণের আজকের সপ্তম পর্বটি পড়ে আমার খুবই ভালো লেগেছে। আসলে এরকম সুন্দর চিড়িয়াখানা ভ্রমন করার মধ্যে মজাই আলাদা। চিড়িয়াখানায় সুন্দর জিরাফগুলো দেখার মুহূর্তের কথাটুকু আপনি খুবই সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। দারুন একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি যখন চিড়িয়াখানায় যাই তখন সম্পূর্ণ চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখা হয় না। কারণ এত বড় যে হাঁটতে হাঁটতে পা ব্যথা হয়ে যায়। কিন্তু জিরাফের খাঁচার কাছে অবশ্যই যাই। জিরাফ দেখতে আমার কাছেও খুবই ভালো লাগে। বিশেষ করে এত লম্বা তার উপরে আবার এত সুন্দর গায়ের ডিজাইন। আপনিও দেখছি আমার মত খুজে খুজে ঠিকই জিরাফের খাঁচার সামনে গিয়েছেন। ডেভিড এজরার স্মৃতিচারণে এজরা হাউস নামটি রেখেছে জেনে ভালো লাগলো।
জিরাফের হাউসের নামটা এজরা হাউস এটা দেখে একটু অবাক হলাম। কিন্তু পরবর্তীতে পড়ে জানতে পারলাম আসলে ডেভিড এজরা নামক লোকটি দুইটা জিরাফ প্রথমে দান করেছিলেন। তাই জন্যই মূলত এটার এই নামকরণ করা হয়েছে। ভেতরে দেখছি অনেকগুলো সুন্দর সুন্দর জিরাফ রয়েছে। দেখে খুবই ভালো লেগেছে আমার কাছে। আমাদের এখানে চট্টগ্রামে একটা চিড়িয়াখানায় গিয়েছিলাম। সেখানে ছিল একদম বিভিন্ন ধরনের পশু পাখি। তবে আপনার আজকের পোস্ট পড়ে ভালো লাগলো।
জানিনা কবে ভারতের মাটিতে পা রাখবো এবং নতুন স্থানগুলো সুন্দর করে ভ্রমণ করে দেখতে পারব। তবে আপনাদের মত দাদারা যখন এত সুন্দর করে বিভিন্ন স্থানের ফটোগ্রাফি বর্ণনা সাথে আমাদের মাঝে তুলে ধরেন তখন কিন্তু আমি অনেক খুশি হয়ে এবং ভালোলাগা কাজ করে মনের মধ্যে নতুন এই চিড়িয়াখানা বা দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে পারি ফটোগ্রাফি বা ভিডিওর মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন। আশা করি খুব শীঘ্র পরবর্তী পর্ব নিয়ে উপস্থিত হবেন
তোমাকে দেখে মনে হয় জিরাফ এর খুব পছন্দ হয়েছিল সেজন্য এত মানুষ রেখে তোমার কাছেই এসেই দাঁড়ালো। আসলে আমিও যখন শেষবার চিড়িয়াখানায় গেছিলাম তখনও প্রচন্ড রোদ ছিল এজন্য খুব ভালো করে দেখতে পারিনি জিরাফ।