গড়চুমুক মিনি চিড়িয়াখানা পর্ব ১
নমস্কার বন্ধুরা,
ভগ্ন পার্কের দেওয়াল থেকে দামোদর দেখে এসে পা বাড়ালাম গড়চুমুকের মিনি চিড়িয়াখানায়। মাত্র ১৫ টাকার টিকিট কেটে ঢুকে পড়লাম। গেট পেরিয়ে চিড়িয়াখানায় ঢুকতেই চারপাশ থেকে ভেসে আসতে শুরু করল পাখিদের কিচির মিচির শব্দ। পাখির রাজ্যে পা দিয়েই ঘেরা জলাশয়ের মধ্যেই কয়েক প্রজাতির চেনা ও অচেনা হাঁস দেখতে পেলাম। কেউ মনের সুখে জলে ভাবছে কেউ পাড়ে দাঁড়িয়ে। যে হাঁসটি নজর কাড়ল, সেটি হলো মাসকোভি হাঁস। সাধারণ হাঁসের চেয়ে আকারে অনেকটাই বড় আর গায়ের রঙ ধূসর। তবে এই হাঁসের আসল বৈশিষ্ট্য হলো তার মুখমণ্ডল, চোখের একদম কাছটা লাল রঙের।
মাসকোভি হাঁসের রূপ দেখে এগোতেই খাঁচার ওপারে দেখা মিলল ইয়া বড়ো বড়ো উটপাখি। বিশাল উচ্চতা, লম্বা ঘাড় মাটি খুটছে আর রাজকীয় চালে পায়চারি করছে। উটপাখির বিশালতা দেখার পর একে একে আসতে লাগল ছোট ছোট খাঁচায় বন্দি রঙ বেরঙের বিদেশি খুদে পাখিদের মেলা। প্রথমেই দেখা মিলল জেব্রা ফিঞ্চ। নামের সাথে তাল মিলিয়ে গায়ে জেব্রার মতো ডোরাকাটা দাগ আর ছোট্ট লাল ঠোঁট।
ঠিক পরের খাঁচাতেই জোড়ায় জোড়ায় বসে লাভ বার্ড। একে অপরের গায়ে গা ঠেকিয়ে বসে আছে। একটু সামনে এগোতেই দেখা মিলল ঝুঁটিওয়ালা ককাটিল। আর তাদের ঠিক পাশেই ছটফট করে খাঁচাময় উড়ে বেড়াচ্ছিল রঙবেরঙের পুঁচকে বদ্রি বদ্রি পাখি। সবুজ, নীল, হলুদ রঙের এই বদ্রির দল কিচিরমিচির করে কান ঝালাপাল করে দিচ্ছিল।
আরও বহু প্রজাতির পাখি ছিল বটে সব গুলো খাঁচার বাইরে থেকে দেখতে পাওয়া গেলেও মুঠোফোনে ছবি তোলা যায়নি যেন খাঁচার আর গাছের ছায়ার মিশে গেছে। পাখিদের ঘেরা থেকে সরীসৃপদের দিকে এগিয়ে গেলাম। শুরুতেই কাচের ওপারে কুন্ডলী পাকিয়ে শান্ত হয়ে শুয়ে ছিল বিশাল আকারের বার্মিজ অজগর। গায়ে চিতা বাঘের মতো আঁশটে ছোপ।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS