চুনো মাছের মেলা
নমস্কার বন্ধুরা,
ভোটের আগ পর্যন্ত চারপাশ বেশ থমথমে ভাব ছিলো। আসলে গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটটা যেহেতু আশেপাশের পরিচিত মানুষ কেন্দ্রিক সেজন্যই এর সাথে উত্তেজনা থাকে আরো বেশি। তাই ভোট নির্বিঘ্নে নিয়ে পার হতেই থমথমে ভাবটা কেটে গেলো। আশেপাশে কিছু জায়গায় উত্তেজনা দেখা দিলেও আমাদের জায়গাটিতে ভোট নিয়ে খুব একটা গরমাগরমি ছিলো না, প্রত্যেক প্রার্থী গলায় গলায় থাকার জন্যই সেটা হয়তো সম্ভব হয়েছে। ভোটের দিন পার হতেই সবাই আবার নিজস্ব কাজকর্মে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। ভোটের পরদিন সব স্বাভাবিক হবে ভেবে পুকুরে মাছ ধরার পরিকল্পনা রাখা হয়েছিল। আসলে বেশ কয়েক মাস ধরে পুকুরে জাল টানা হয়নি, সেজন্য মাছের সাইজ কত বড় হলো সেটাও বোঝা যাচ্ছিলো না সেটা দেখতেই মূলত জাল টানা।
ভোর ভোর জেলেরা এসে উপস্থিত হল কারণ যত বেলা বাড়বে তত গরমের পরিমাণ বাড়বে। সেই চিন্তা থেকেই তারা ভোরবেলা এসে জাল খোলা থেকে শুরু করে সব রকমের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলো।
প্রস্তুতি নিতেই হতো কারণ সাধারণত পুকুর চারকোনা হয় কিংবা গোল কিন্তু বেশিরভাগ বেশির ভাল সময়ই এমন একটা আয়তন থাকে যেখানে জেলেদের খুব কায়দা করে পুকুরে মাছ ধরতে হয়। এই জায়গাতেই আমাদের এই পুকুরটার একটু পার্থক্য রয়েছে। পুকুরের আয়তন তিন বিঘা হলেও পুকুরটা একদম লম্বা, প্রায় ১০০ মিটারের কাছে।
লম্বা পুকুর হওয়ার জন্য জাল টানতেও সময় অনেকটা বেশি লাগলো। সকাল ছয়টা থেকে জাল টানা শুরু হলো যেটা চললো দশটা পর্যন্ত। যার মূল কারণটাই হলো লম্বা পুকুরের আয়তন। শেষ পর্যন্ত অনেক মাছ ধরা পড়লো, তবে যেটা মূল উদ্দেশ্য ছিলো যে মাছ গত কয়েক মাসে কতটা বড়ো হয়েছে তা দেখে নেওয়া। আর মাছের আয়তন দেখে বুঝে যাওয়া গেলো তারা অনেকটা বড় হয়ে গিয়েছে তবে সেগুলোকে ধরেই আবার পুকুরেই ছেড়ে দেয়া হলো। যদিও বাড়ির জন্য কিছু রাখা হয়েছিল তবে সেগুলো মূলত পুকুরের চুনো মাছ। যাদের স্বাদ সবচাইতে বেশি।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
চুনো মাছের মেলা বাহ্ দারুন। ভাই এই মাছটি খেতে ভীষণ সুস্বাদু লাগে। পুকুরের মাছ ধরে দেখে আবার ছেড়ে দিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। মাছ আরো বড় হোক। আপনার লেখা পড়ে ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
তাই তো দেখছি দাদা চুনো মাছূ ভেলা আসলে পুকুরে মাছ ধরার মুহূর্তটা দেখতে এবং মাছ যখন লাফালাফি করে সেই দৃশ্য উপভোগ করতে আমি খুবই পছন্দ করি। যেটা আমাদের পুকুরের ক্ষেত্রেও এরকম জেলেরা যখন জাল টানে অনেক সময় ধরে এই দৃশ্য দেখে থাকি ভালো লাগে।
আসলে নির্বাচনকে ঘিরে এখন সব জায়গাতেই এরকম অস্থিরতা কাজ করছে।
নেতারা ঘরে বসে থাকে আর কর্মীরা বাহিরে এসে গ্যাঞ্জাম ফ্যাসাদ মারামারি করে মার খেয়ে হাসপাতালে থাকে।
কি দিন আইলো নেতা যা বলে কর্মী তাই শোনে জীবন দিতেও পিছপা হচ্ছে না।
ছোট মাছ কিন্তু আমার খুব ফেভারিট। মাছ ধরার সুন্দর ফটোগ্রাফি এবং অনুভূতি প্রকাশ করেছেন পরে খুব ভালো লাগলো।
লম্বা পুকুরে মাছ ধরতে আসলেই বেশ অসুবিধা হয়। জাল দিয়ে ঘের দিতে অনেক কষ্ট হয় এবং অনেক সময় ফাঁক ফোকর দিয়ে মাছ সব বেরিয়ে যায়। তবে মনে হচ্ছে পুকুরের আশপাশটা একটু পরিষ্কার করা উচিত। এরকম পরিবেশ থাকলে আসলে মাছ খুব বেশি একটা বড় হতে পারে না।
ঠিকই বলেছেন দাদা,ভোটের দিন বিশেষ কিছু না হলেও দুই একদিন পর থেকেই বেশ গরম হয়ে যায় পরিবেশ।যদিও আমাদের এখানে কোনো উত্তেজনা দেখা যায় নি।যাইহোক আপনার মাছ ধরার দৃশ্যটি দেখে ভালো লাগলো।তিন বিঘা নিয়ে পুকুর মানে অনেক বড় ,তাই সময় লাগাটা ও স্বাভাবিক।চুনো মাছ অনেক উপকারী,ভালো লাগলো দৃশ্যগুলি দেখে।ধন্যবাদ দাদা।