বেলারি ভাগীরথী নদীতীর
নমস্কার বন্ধুরা,
বেলারি রামকৃষ্ণ মিশনের শান্ত পরিবেশে কিছুটা সময় কাটিয়ে কুয়াশা মেশা রোদ গায়ে লাগিয়ে ভাগীরথী নদীর দিকে এগিয়ে গেলাম। আশ্রম থেকে ভাগীরথী নদীর দূরত্ব একেবারেই অল্প, হাঁটা পথে বড়জোর ১০০ মিটার। নতুন গড়া কংক্রিটের রাস্তাতে পা বাড়াতে নদীর জলোচ্ছাস কানে আসা শুরু হলো। শীতের সকালের শিরশিরে হাওয়া গায়ে লাগিয়ে পৌঁছলাম ভাগীরথীর তীরে, বেলারি শ্মশান সংলগ্ন জায়গায়। সামনে বিস্তৃত সুবিশাল ভাগীরথী। নদীর ওপরে কুয়াশার পাতলা আস্তরণ ভেসে বেড়াচ্ছে, সেই কারণে জল আর আকাশের সীমানা এক হয়ে গেছিল। শ্মশানের একপাশে সুন্দর বাঁধানো রিভার ফ্রন্ট, আমি সেদিকেই এগিয়ে গেলাম। আর সেখানে গিয়ে যা দেখলাম, তা জন্ম-জন্মান্তরেও ভোলার নয়। প্রকৃতির কি অপরুপ রূপের সামনে আমি মন্ত্রমুগ্ধ।
শীতের সকালের রিভার ফ্রন্টের সামনে দাঁড়িয়ে ভাগীরথী নদীর দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছিলো, সময় যেন থমকে দাঁড়িয়েছে। সূর্য দেব আলোকিত করে ভাগীরথীর স্রোত ঝিলমিল করে তুলছিল। ঠাণ্ডা বাতাস নদীর বুক ছুঁয়ে সটান এসে সোজা গায়ে এসে লাগছিল। বেশ কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থাকার পরেও কুয়াশার চাদর ভেদ করে নদীর ওপারটা তখন আবছা। সামনে দিয়ে তখন দু-একটা ছোটো মাছধরা নৌকো শান্তভাবে ভেসে চলেছে, আবার কখন বড়ো বড়ো ট্রলার জাহাজ বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে।
নদীর ধারের শীতের সকালের অনুভূতিটা আলাদাই। পরিস্কার বাতাসে চনমনে হয়ে যাওয়া যায় নিমেষে। গঙ্গার ধারের ঠাণ্ডা হাওয়া যেমন গায়ে এসে লাগছিল তেমনি মিষ্টি রোদ। দুইয়ের এক অদ্ভুত সহাবস্থান শরীর ও মন দুই-ই জুড়িয়ে দিচ্ছিল। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে নদীর ধারেই এক কাকু কাকীমা ধীরে ধীরে তাদের দোকান পসার সাজিয়ে বসছিল। রিভার ফ্রন্টের অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে বেশ খিদেও পেয়ে গেছিল তাই এগিয়ে গেলাম সকালের জলখাবার সারতে।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS