এলোমেলো আলোকচিত্র
নমস্কার,
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সকলে ভালো আছেন। ঈশ্বরের কৃপায় আমিও ভালো আছি। আজ আপনাদের সামনে আমি বেশ কিছুদিন পর আরো একটি ফটোগ্রাফি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম।
আজকের আমার ফটোগ্রাফি কিছু শীতকালীন ফুলকে কেন্দ্র করে। যদিও ফুলগুলো শীতকালীন তবুও বলা যায় আমি প্রবল গরমের সময়ে সেগুলোর ছবি তুলেছি। কদিন আগে মামার ডাক্তার দেখানোর তাগিদে দুর্গাপুর গিয়েছিলাম। সেখানে থাকাকালীন এক বিকেলে ঘুরতে বেরিয়ে পাশের এক ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রের মন্দিরে যাই। মন্দিরটা বেশ কিছুটা দূরে ছিলো। রোদের মধ্যে হেঁটে যাওয়ার জন্য হাঁফিয়ে পড়ি তখন মন্দিরের কাছে গাছগাছালির মধ্যে এক জায়গায় আশ্রয় নিই। সেখানেই এই ফুল গুলোর দেখা মেলে। গাছের তলায় কিছুক্ষন ঠান্ডা হয়ে নিয়ে ফুল বাগানে ঘুরে বেড়াই সাথে কিছু ছবিও তুলি যা আপনাদের মধ্যে ভাগ করে নিচ্ছি।
আমার মনে হয় ভালো মানের ছবি তোলা শিল্পের থেকে কম নয়। বিশেষ করে ছবি গুলো যদি হয় প্রকৃতির মাঝের। কারণ ঈশ্বরের সৃষ্টি এই প্রকৃতি যেকোনো শিল্পীকে হার মানায়। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
প্রথম যখন ফুলটি দেখতে পেয়েছিলাম তখন মনে হয়েছিল ধুতুরা। কিন্ত কাছে গিয়ে বুঝলাম ধুতুরা নয়। বিজ্ঞানসম্মত নাম নিকোটিয়ানা লনজিফোরা। গুগলের মাধ্যমে জানতে পারলাম ফুল গাছটি আদপে তামাক জাতীয় গাছ, এরা মূলত দক্ষিণ আমেরিকার বাসিন্দা। কোথা থেকে এলো জানিনা, তবে দেখতে খুব সুন্দর।
ফুলটির নাম জারবেরা। গোলাপি রঙের এই ফুলটি হলো এক প্রজাতির ডেইজি। বর্তমান সময় প্রায় সব জায়গাতেই দেখা মেলে। সৌন্দর্যের জন্যই মানুষের বেশি পছন্দ। লাল ও সাদা রঙের জারবেরা সবচাইতে বেশি মেলে।
পুটুস ফুল, নামটা যেমন মজার ফুল গুলিও তেমন মজার। অনেক জায়গায় যদিও ভূতভৈরবী নামেও পরিচিত। ছোটো ছোটো ফুল এক গোছায় ফোটে। সাথে এক গোছাতেই রং বেরঙের ফুল হয়।
দুটো দু রঙের ফুল অথচ এদের নাম কিন্তু একই, পিটুনিয়া। পিটুনিয়া ফুলের প্রায় ২০ প্রজাতি আমরা দেখতে পাই। এই ফুলের রং যেমনই হোক মাঝে মূলত স্ট্রাইপ থাকে। গুচ্ছের ফুল এক সাথে ছিলো। আমি যেগুলোর ছবি সেগুলো বেগুনি-সাদা ও লাল-সাদা রঙা।
ফুলটির নাম চায়না পিঙ্ক। রঙের কারণেই হয়তো ফুলের নামে পিঙ্ক। তবে বিজ্ঞানসম্মত ভাবে নাম হলো ডায়ানথাস চিনেনসিস। রং বেরঙের পিটুনিয়া ফুলের মাঝ থেকে উঁকি দিচ্ছিলো। প্রথমে ভিন্ন ফুল সেটা বুঝতে না পারলেও পরে ভালো ভাবে খেয়াল করলাম তখন বুঝলাম আলাদা ফুল। আদপে মাঝের গোলাপি রঙ সুন্দর লাগছিলো যেটা পিটুনিয়া ফুলের থেকে ভিন্ন। সেই দেখেই ছবি তোলা।
Device: LGE LM-G850
Location: West Bengal, India
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
ফুলের ফটোগ্রাফি দেখলে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। ফুল আমি অনেক বেশি পছন্দ করি। ফুল মানুষকে শুধু তার সৌন্দর্য বিলিয়ে দিতে পারে। অনেক ধরনের ফুলের ফটোগ্রাফি করেছেন দেখছি সবগুলো ফুলই খুব সুন্দর হয়েছে। আপনি কি অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর সুন্দর ফুলের ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
সাদা ফুল গুলো আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। দাদা আপনার তোলা প্রথম ফুলের ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। চমৎকার ফটোগ্রাফি করেছেন। ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে।
একদম ঠিক বলেছেন দাদা। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি শিল্পীকেও হার মানায়। অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। জারবেরা আমি আগে কখনো দেখিনি। পিটুনিয়া ফুল আগে এক রঙের দেখেছিলাম। তবে এখানে একসাথে দুই রঙের ফুল দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
দাদা নমস্কার
আপনিব শ্রী শ্রী রাম চন্দ্রের মন্দিরে থাকা কালিন দারুন কিছু ফটোগ্রাফি তুলেছেন ৷ প্রতিটি ফটোগ্রাফি ছিল অসাধারণ আর অনেক কিউট ৷ অনেক ধন্যবাদ সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য ৷
দাদা আপনার সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখতে পেয়ে খুবই ভালো লাগলো। এই এলোমেলো ফটোগ্রাফিক আমার বেশি ভালো লাগে। এগুলা দেখতে অনেক আকর্ষণীয় হয়। ফুলের ফটোগুলো অসাধারণ হয়েছে।
প্রিয় দাদা অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আপনার তোলা প্রত্যেকটি ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে অসাধারণ সুন্দর লাগছে। গোলাপি রঙের জারবেরা ফুলের ফটোগ্রাফিটি দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। অসাধারণ সুন্দর সুন্দর ফুলের ফটোগ্রাফি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার মামাকে ডাক্তার দেখানোর পর সেখান থেকে দুর্গাপুর শ্রীরাম মন্দিরে গিয়েছিলেন সেই পোস্টটি দেখেছিলাম। তবে সেখানে যাওয়ার পথে গাছ গাছালির মধ্যে আশ্রয় নেওয়ার পর আপনি এত সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন যেগুলো দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গেলাম ।খুব সুন্দর করেছেন প্রতিটি ফটোগ্রাফি। ডিভাইসের নামটা আমার ঠিক জানা নেই, এর আগে দেখিনি এটা কি ফোন ক্যামেরায় তোলা ?নাকি শুধু ক্যামেরা তেই তোলা ?প্রতিটা ছবি একদম কাঁচের মতন স্পষ্ট উঠেছে, খুব ভালো লাগছে দেখতে। সত্যিই প্রথমের সাদা ফুলটিকে ধুতুরা ফুল বলে মনে হচ্ছে ,তবে আপনার পোষ্টটি পড়ে জানলাম এটা তামাক জাতীয় গাছের ফুল। ডেইজি ফুল এর আগেও দেখেছি তবে জারবেরা দেখেছি কিনা ঠিক জানিনা। পুটুস ফুল নামটা সত্যিই অনেক মজার। আবার ভূতভৈরবী নামেও পরিচিত। এটা আবার ভুতুড়ে ফুল না তো? হি হি হি। পিটুনিয়া ফুলগুলোর কালার গুলো দারুন ছিল ।আর চায়না পিংক ফুলটি এর আগে কখনো দেখিনি ওটাও অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে।
দাদা এত চমৎকার ফটোগ্রাফি 😳😳😳। বাঁধাই করে রেখে দেওয়া যাবে একদম। সবগুলোর মধ্যে পুটুস ফুলটা সত্যিই বেশ ব্যতিক্রম লেগেছে আমার কাছে। অদ্ভুত একটা সৌন্দর্য আছে এই ফুলের।
আপনার মামার ডাক্তার দেখাতে গিয়ে দুর্গাপুর গিয়েছিলেন।আর সেখানে থাকাকালীন মন্দিরে যাওয়ার সময় বেশ সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেন।যদিও ফুলগুলো শীতকালীন তবে আপনি গরমের মধ্যেই করেছেন।ফটোগ্রাফি গুলোর যতোই প্রশংসা করি কম হয়ে যাবে।অনেক সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন ভাইয়া।আমার সবগুলো ফুল ভালো লেগেছে।ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।