পায়ে পায়ে কলকাতা: পর্ব ৪
নমস্কার বন্ধুরা,
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের পেছনের গেট দিয়ে মেমোরিয়ালের অন্দরমহলে প্রবেশ করা হলো। উনবিংশ শতাব্দীর ভিক্টরিয়ান আর্কিটেকচারে নির্মিত ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল বাইরে থেকে যতটা সুন্দর ভেতর থেকেও ঠিক ততটাই সুন্দর। বড় বড় হল ঘর উঁচু হল ঘরে ব্রিটিশ স্থাপত্যের এক অনন্য ছাপ রয়েছে। ২০২১ সালে যদিও এর মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আদপে ২০২১ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি ও তথ্য মন্ত্রণালয় তরফে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অন্দরে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করে একটি নেতাজী মেমোরিয়াল বানানো হয়েছে যেখানে নেতাজীর জীবনের বিভিন্ন সময়ের ও বিভিন্ন পর্যায়ের ছবি এবং নথিপত্র এখানে রাখা।
সেখানে নেতাজির আজাদ হিন্দ ফৌজের অনেক নথিপত্র যেগুলো ২০২১ সালের আগ পর্যন্ত ক্লাসিফাইড ছিল সেগুলো ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের নেতাজি সংগ্রহালয়ে উন্মুক্ত করা আছে। নথিপত্র গুলো তৎকালীন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আজাদ হিন্দ ফৌজ কে নিয়ে নেতাজি কিভাবে একের পর এক দুঃসহ কাজকর্ম করে গেছেন সেগুলোই সম্পর্কে কিছুটা হলেও আমাদের জানার জায়গা করে দিয়েছে।
নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে ভারতীয়দের মনে নানান প্রশ্ন এখনো পর্যন্ত আছে সে প্রশ্ন হয়তো কোনদিন শেষ হবে না তবে ভারত সরকারের সংস্কৃতি ও তথ্য মন্ত্রণালয়কে বিশেষ ধন্যবাদ না দিলেই নয় যারা কিছুটা হলেও নেতাজি ও আজাদ হিন্দ ফৌজের এবং নেতাজির রাজনৈতিক জীবনের অংশের ছবি এবং চিঠিগুলো জনসমক্ষে রেখে দিয়েছে।
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অন্দরের স্থাপত্য অসাধারণ। ঊনবিংশ শতাব্দীর ভিক্টোরিয়ান স্থাপত্যের এক আদর্শ নিদর্শন বলাও চলে। বাইরে থেকে যতটা সুন্দর দেখতে ভেতর থেকেও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ঠিক ততটাই সুন্দর। যদিও সময়াভাবে দাঁড়িয়ে থেকে কারুকার্য দেখবার মতন সময়ে আমাদের হাতে ছিল না তাই যেটুকু অল্প সময়ের মধ্যে দেখে ফেলা যায় সেটুকু দেখেই এগিয়ে গেলাম।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
আপনার এই পোস্ট পড়ার মাধ্যমে অতীতের ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পারলাম দাদা। আসলে জায়গাটি উন্মুক্ত করে খুবই ভালো করেছে। কারণ এটার মাধ্যমে এখন সকলেই অতীতের ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করতে পারে।