কোলকাতার পথে
নমস্কার বন্ধুরা,
কাঁধের এবং হাতের ব্যথার কিছুটা সুরাহা করে বাড়ি ছেড়ে গতকাল আবারও কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ট্রেন ছিল, যা পর দিন ভোরে শিয়ালদহ স্টেশনে নামাবে। হাতের যন্ত্রণা আর ঘাড়ের ব্যথার ধকলটা মাথায় রেখে শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো করতে চাইনি। তাই হাতে বেশ কিছুটা সময় নিয়েই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়লাম। কলকাতায় পৌঁছেই জামাইষষ্ঠী, সেই উপলক্ষে পিসি পিসেমশাইয়ের জন্য জামাকাপড় কেনাকাটা করার দরকার ছিল। স্টেশনে যাওয়ার পথেই চটজলদি কেনাকাটা সেরে নিলাম। খুব তাড়াতাড়ি কেনাকাটা সেরে নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুটা আগেই স্টেশনে গিয়ে পৌঁছলাম। ট্রেন তখন প্ল্যাটফর্মে। আমি আর দেরি না করে নিজের কামরায় উঠে নির্দিষ্ট সিটটি খুঁজে নিয়ে আরাম করে বসে পড়লাম।
জার্নির ঝাঁকুনিতে যাতে ঘাড়ের ব্যথাটা আবার নতুন করে মাথা চাড়া দিয়ে না ওঠে, তাই ট্রেনে উঠেই মাসল রিলাক্সার খেয়ে বার্থে সটান হয়ে পড়লাম। বিগত যেকবার ধরে বাড়ি যাতায়াত করেছি ততবার একটা জিনিস খুব ভালোভাবেই লক্ষ্য করছি যে আমাদের স্টেশনের ভোল দিন দিন বদলে যাচ্ছে। কত দ্রুত স্টেশনের ভোলবদল হয়েছে, তা সত্যিই চোখে পড়ার মতো। প্রতিবার যখন স্টেশনে পা রাখি, তখনই দেখি কোনো না কোনো নতুন পরিকাঠামোর কাজকর্ম চলছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না, প্ল্যাটফর্মের বহু আধুনিকীকরণ হয়েছে। নিজের জেলার উন্নয়ন দেখতে কার না ভালো লাগে!
দেখতে দেখতে যথাসময়ে ট্রেন স্টেশন ছাড়ল। গত দুদিন ধরে কলকাতায় বেশ ভালো রকম ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। শুধু কলকাতাই বা বলি কেন, গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়েই নাকি তুমুল বৃষ্টির দাপট চলছে। চারপাশে এত মেঘ বৃষ্টির খেলা চললেও, শুধুমাত্র আমার নিজের জেলাটাই এই তালিকায় বাদ পড়ে গেছে! বৃষ্টিহীন তাই ট্রেনের স্টেশনে বেশ ভালোই গুমোট গরম ছিল। ট্রেন জেলা ছাড়তেই, ঝমঝমিয়ে ও বৃষ্টি শুরু হল। তাতে ইন্টারনেটের অবস্থা একদম তলানিতে, নূন্যতম হোয়াটসঅ্যাপ টুকু হচ্ছিল না। মাঝেমধ্যে নেটওয়ার্ক কি হাওয়া হয়ে যাচ্ছিল। বার্থে শুয়ে শুয়ে ভাবছিলাম, আগামীকাল ভোরে যখন ট্রেন থেকে নামবো, তখন কেমন আবহাওয়া আমার জন্য অপেক্ষা করছে? শুয়ে থাকলেও বেশ খানিকটা সময় জেগেই ছিলাম।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS