আলিপুর চিড়িয়াখানা : পর্ব ২
নমস্কার বন্ধুরা,
চিড়িয়াখানায় ঢুকেই ডানদিকে কিছুটা এগিয়ে যেতেই প্রথম যে জায়গাটা পড়ল সেটা ছিল ম্যাকাওদের খাঁচা। বিভিন্ন প্রকার ম্যাকাওদের বৃত্তান্ত পোস্টারে লেখা ছিল সেটা ছবি তুলে নিয়ে খাঁচার ভেতরে তাকালাম। সূচিপত্র দেখে আমি বেশ খুশি হয়েছিলাম ভেবেছিলাম যে এতগুলো তথ্য রয়েছে যখন তাহলে নিশ্চই ম্যাকাওয়ের পরিমাণও যথেষ্টই থাকবে। কিন্তু ও মা মাত্র কয়েক খানা ম্যাকাও চোখে পড়ল। খানিকক্ষণ দাড়িয়ে থাকতে দু খানা ম্যাকাও ভালো ভাবে চোখে পড়ল তখন বুঝতে পারলাম যে রোদের তাপের জন্য চোখে ধাঁধা লেগেছে 😂।
পাখির খাঁচা তাই দূর থেকে দেখেই শান্ত হতে হলো। কারণ কাছে যাবার উপায় নেই দূর থেকেই তাই ছবি তুলে নিলাম। সুন্দর লাল এবং সবুজ ল্যাজ বিশিষ্ট ম্যাকাও, যার ভালো নাম স্কারলেট ম্যাকাও। যদিও এদের আদি বাসস্থান ব্রাজিলের আমাজন জঙ্গলে তবুও ভারতবর্ষের মোটামুটি বেশিরভাগ চিড়িয়াখানাতেই ম্যাকাও অল্প বিস্তার চোখে পড়ে। যখন খুব ছোটবেলায় এসেছিলাম তখন আরো অনেক বেশি ম্যাকাও দেখতে পেয়েছিলাম। কিন্তু চিড়িয়াখানার তখন যেভাবে অব্যবস্থা ছিল এখনো সেরমই বেহাল অবস্থা। ম্যাকাও না দেখতে পাওয়ার কষ্ট বুকে নিয়ে এগিয়ে গেলাম।
সামনে এগিয়ে যেতে নজরে এলো এক খাঁচার সামনে অনেক মানুষ জনের ভিড়। ভিড় দেখে ভাবলাম যে হয়তো বেশ ভালোভাবে দেখা যাচ্ছে প্রাণীদের। ঠিকই তাই হল কাছে গিয়ে দেখলাম বিভিন্ন ধরনের পেলিকান, বক ও স্টর্ক। যদি তাদের পরিস্থিতিও হে খুব একটা ভালো তা বলবো না তবে ম্যাকাওদের থেকে ও অনেক বেশি পরিমাণে ছিল সাথে বিভিন্ন প্রজাতির।
চারিদিকে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছিলাম, তখন দূরে চোখ যেতে দেখলাম বেশ কিছু ভারতীয় প্রজাতির বক এবং প্রিনটেড স্টরক একটা ছাতা মত জায়গায় বসে রয়েছে এবং তারা বেশ আরামেই ছায়া উপভোগ করছে। ওদের দেখে আমি মনে মনে ভাবছিলাম যদি বক হতাম তাহলে হয়তো এই ছায়াতে গিয়ে ওদের পাশে বসে থাকতাম 😂। কয়েক পা এগোতেই যা গরম লাগলো। যাক গে সেসব কথা মাথায় না ঘুরিয়ে বক এবং পেলিকানদের ছেড়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেলাম। চিড়িয়াখানার অন্য দিকগুলো ঘুরে দেখতে হবে যে।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
প্রিয় দাদা,আলিপুর চিড়িয়াখানা ভ্রমণের দ্বিতীয় পর্বটি পড়ে আমার খুবই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে ভারতীয় জাতের বক পাখিগুলো দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে। চমৎকার একটি ভ্রমণের পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আলীপুর চিড়িয়াখানা ভ্রমণ করে এ পর্বে আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর আলোকচিত্র আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন সুন্দর বর্ণনা সহ।।
চিড়িয়াখানা ভ্রমন করতে আমারও খুব ভালো লাগে সেখানে গেলে জানাও জানাও অনেক কিছু দেখা এবং সে সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারা যায়।।
প্রিয় দাদা আলিপুর চিড়িয়াখানা ভ্রমণের দ্বিতীয় পর্ব দেখে আমার অনেক ভালো লাগলো। পশুপাখি দেখতে এবং পুষতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে।এই ধরনের চিড়িয়াখানা ভ্রমণ আমার অনেক ভালো লাগে। দাদা টিয়াগুলো আমার অনেক ভালো লাগে একদিন আমি বাজারে টিয়া কিনতে গিয়েছিলাম তিন হাজার টাকা নিয়ে।কিন্তু দুঃখের বিষয় টিয়া পাখি পেয়ে ছিলাম না। এ ধরনের ভ্রমণ পোস্ট দেখতে অনেক বেশি ভালো লাগে আমার।
ম্যাকাওদের খাঁচা নামটি শুনেই বেশ লাগলো।আলিপুর চিড়িয়াখানার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে।দাদা ছবিতে মনে হচ্ছে এরিয়াটা অনেক বড় কিন্তু পাখির সংখ্যা কম।কিন্তু কাছ থেকে দেখলেই বেশি ভালো উপভোগ করা যায়।যাইহোক অনেক প্রজাতির পাখি দেখতে ও তার সম্পর্কে জানতে পারলাম।ধন্যবাদ দাদা।