শিবনিবাস রাজ্ঞীশ্বর মন্দির
নমস্কার বন্ধুরা,
নদীয়ার শিবনিবাসের ঐতিহাসিক মন্দির চত্বরে পা রাখতেই বোঝা যায় কয়েক শতাব্দী প্রাচীন গৌরবময় অধ্যায়ে চলে গেছি। অল্প দূরেই বয়ে গেছে চূর্ণী নদী, ঠিক তার পাশে বাংলার স্থাপত্য ও মন্দিরের জীবন্ত অধ্যায়। সুবিশাল মন্দির চত্বরের একপাশে রয়েছে রাজরাজেশ্বর শিবমন্দির। ১৭৫৪ সালে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় রাজরাজেশ্বর তৈরি করেছিল। মূলত রাজা কৃষ্ণচন্দ্র সাময়িকভাবে তাঁর রাজধানী এই শিবনিবাসে স্থানান্তরিত করার সময়েই, এই অঞ্চলকে শিবের বাসস্থান বা দ্বিতীয় কাশী হিসেবে গড়ে তুলতে শুরু করেন। সেই চার চালা রীতির রাজরাজেশ্বর মন্দির স্থাপত্য আগের দিন দেখিয়েছি। মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের তৈরি মন্দিরের ঠিক পাশেই প্রায় ২৭৫ বছরের বেশি পুরনো রাজ্ঞীশ্বর মন্দির।
১৭৬২ সালে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় পাশেই রাজ্ঞীশ্বর মন্দির তৈরী করেন। অনেক পুরনো হলেও মন্দিরের সঠিক দেখভালের জন্য মন্দিরটি বেশ সুষ্ঠুভাবেই রয়েছে। এই মন্দিরেও পূজিত হন দেবাদিদেব মহাদেব। রাজ্ঞীশ্বর মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে প্রবেশ করেও অবাক হলাম, কারণ এখানেই অধিষ্ঠিত আছেন এশিয়ার আরেক অন্যতম বৃহত্তম কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ। প্রায় ৯ ফুট উঁচু। সেই সময়ে উন্নত প্রযুক্তির অভাব থাকা সত্ত্বেও এত নিখুঁত এবং বিশালাকার কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ, ভাবলেই অবাক হতে হয়।
মন্দিরের সৌন্দর্য নিজের ভেতরে সম্পৃক্ত করে বেরিয়ে পড়লাম শিবনিবাস মন্দিরের চত্বর থেকে। মূলত রাজ্ঞীশ্বর মন্দিরটি চত্বরের বাইরে থেকেও দেখতে পাওয়া যায়। সেখানে পেলাম রাজ্ঞীশ্বর মন্দিরের প্রায় ৩৫০ বছরের পুরনো শাল কাঠের দরজা। এক অদ্ভুত স্থিরতা এবং স্নিগ্ধতা মন্দির চত্বরে পেয়েছিলাম।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
🎉 Congratulations!
Your post has been upvoted by the SteemX Team! 🚀
SteemX is a modern, user-friendly and powerful platform built for the Steem community.
🔗 Visit us: www.steemx.org
✅ Support our work — Vote for our witness: bountyking5