নিজের কবুতর সম্পর্কে কিছু আলোচনা
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (১৬-০৫-২০২৩)
আসলামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি নিজের কবুতর সম্পর্কে কিছু আলোচনা। আজকে সকাল বেলা থেকে অনেক ব্যস্ত সময় পার করছি। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে খাওয়া দাওয়া শেষ করে একটু ঘোরাফেরা করেছিলাম। তারপরে বাইক নিয়ে নানি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। নানি বাড়ি থেকে অনেক জিনিস নিয়ে আবারো বাসায় ফিরে আসলাম। এর মধ্যে কোন সময় আপনাদের মাঝে যুক্ত হতে পারেনি। অবশ্যই মাঝখানে মুস্তাফিজুর মামার সাথে অনেক কথা এবং বসে আলোচনা করতে ছিলাম। বাড়িতে এসে গোসল করে খাওয়া দাওয়া শেষ করে শুয়ে আছি। মনে হল আজকে তো কোন কিছুই করা হয়নি। তাই চলে আসলাম আপনাদের মাঝে পোস্ট লেখার জন্য। তবে চলুন আজকের পোস্ট নিচে শেয়ার করা যাক.......
আপনারা সবাই টাইটেল দেখেই বুঝতে পেরেছেন আমি আজকে আমার নিজের কবুতর সম্পর্কে আপনাদের মাঝে আলোচনা করতে যাচ্ছি। আমি যখন ক্লাস ফোরে পড়ি। আমি তখন থেকেই কবুতর পোষা শুরু করি। আপনারা উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে আমার কবুতরের ঘর এবং কবুতর দেখতে পারবেন। আমি কবুতর প্রথম দিকে কিনেছিলাম না। আমার দুজন মামা ছিল তখন তাদের অনেকগুলো কবুতর ছিল। আমি ঘর তৈরি করার পরে তখন দুজন মামার কাছ থেকে দুই জোড়া কবুতর নিয়ে এনেছিলাম। সর্বপ্রথম আমার এই দুই জোড়া কবুতর থেকেই কবুতর পোষা শুরু। এখন আমার কাছে অনেকগুলো কবুতর রয়েছে প্রায় ২৬ থেকে ২৭ জোড়া । তখন ছিলো আমার কাছে শুধুমাত্র দেশি কবুতর এখন আমার কাছে বিভিন্ন জাতের কবুতর রয়েছে।
আপনারা উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন। দুইটি কবুতর অনেক সুন্দর ভাবে আমার হাতের উপর বসে খেতে ছিল আমি তখন অনেক সুন্দরভাবে একটি ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে আমি যখন কবুতরগুলোকে খেতে দিতেছিলাম। তখন ওই দুটো কবুতর এসে আমার হাতের উপরে বসে হাত থেকে তখন খাওয়া শুরু করেছে। আসলে কবুতর দুটো আমার খুবই ভক্ত। যখন ঘর খুলে দিই তখন কবুতর খাওয়ার জন্য ছটফট করে। আসলে এই কবিতার দুটো আমি কিনে এনেছিলাম। এই কবিতার দুটো কিনে আনার পরে আমি নাম দিয়েছিলাম সিংহরাজ কবুতর। অনেকগুলো কবুতরের মধ্যে বেশ পছন্দের দুইটি কবিতার আমার।
এবার আপনার উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন । অনেক সুন্দর একটি খয়রি রঙের কবিতর এর ছবি তুলে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। কিছুদিন আগে আমি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে বেড়াতে এসে বাজারে গিয়েছিলাম। বাজারে যাওয়ার পরে এই কবিতাটি দেখে আমার অনেক পছন্দ হয়। তারপরে আমি এই কবুতরটি সেখান থেকে কিনে বাড়িতে নিয়ে আসি। এই কবুতরটি আমাদের দেশি জাতের কবুতর না। দোকানদার আমাকে বলেছিল এই কবুতরটি বেশ দ্রুত ডিম ও বাচ্চা দিবে। তাই আমি দোকানদারের কথা মতো এই কবুতরটি কিনেছিলাম। এই কবুতরটির দাম নিয়েছিল ৮৫০ টাকা। কয়েকদিন পর কবিতাটি আমাদের বাড়ি চিনে যায় । তাই কবুতরটি এখন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এবার আপনারা দেখতে পারছেন এই কবুতর দুটো এখনো আমার হাতে বসে খেতে ছিল তাই আমি বিভিন্ন স্টাইলে কয়েকটি ছবি তুলেছিলাম। এবার আপনারা দেখতে পাচ্ছেন দুজন সমান তালে অনেক সুন্দর ভাবে খাচ্ছে। আসলে এই কবুতর দুটি যখন আকাশে উড়ে। তখন তারা উল্টিয়ে উল্টিয়ে খেলা করে। এক কথায় আমাদের গ্রাম অঞ্চলের ভাষায় বলা হয় বাজিমারা কবুতর। এই কবিতরগুলো যখন আকাশে উড়ে দেখতে বেশ ভালো লাগে। আমার সবগুলো কবুতরের মধ্যে সবথেকে পছন্দের এবং প্রিয় দুইটি কবুতর আমার। আশা করি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আপনি আপনার মামা বাড়ি থেকে দুই জোড়া কবুতর এনে এখন অনেকগুলো কবুতর বানিয়ে ফেলেছেন জেনে ভালো লাগলো। কবুতর আমার কাছে অনেক সুন্দর লাগে। সুন্দর একটি পর শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
ঠিক বলেছেন ভাই আপনি আমার মামার বাড়ির কবুতর থেকেই আমার কবুতর পোষা শুরু।
আমার মন্তব্যের সুন্দর ফিডব্যাক দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
দুই জোরা কবুতর থেকে ২৬/২৭ জোরা কবুতর করেছেন ৷ বিষয়টা আসলেই অবাক করার মতো ৷ তবে আমিও দু এক বার চেষ্টা করেছি কবুতর পোষার , আমার কাছে থাকেনি ৷ কবুতর এমন একটা পাখি যার কাছে থাকবে তো থাকবেই ৷ আর যার কাছে থাকবে নাহ , তো তার কাছে থাকবেই নাহ ৷ আপনি অনেক লাকি ৷ যাই হোক ভালো লাগলো পোস্টটি পড়ে ৷ ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য
আসলে আমি অনেকদিন ধরে কবুতর পুশি তাই দুই জোড়া কবুতর থেকেই এখন এত।
https://twitter.com/GKibreay/status/1658509334383583232?t=wnpcmzkKeXQpHciEtjG6nA&s=19
কবুতর পোষা আমার কাছেও খুবই ভালো লাগে। আমার মামার অনেকগুলো কবুতর ছিল। আপনার দুই জোড়া কবুতর থেকে এখন ২৬।২৭ জোড়া কবুতর আছে জেনে ভালো লাগলো। আপনার আজকের এই পোস্ট পড়ে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে আপনার কবুতর সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছি। এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করে পাশে থাকার জন্য ।
দুই মামার থেকে দুই জোড়া কবুতর নিয়ে পালন শুরু করেছেন। তবে কবুতর পালন করতে আমার কাছেও ভালো লাগে। আমার হাজবেন্ডের ও কবুতর আছে। সেগুলো দেখাশুনা আমি করি। তবে কবুতর অনেক যাতের আছে। আপনার হাতের মধ্যে বসে দুটি কবুতর খাবার খাচ্ছে দেখে সত্যি অনেক ভালো লাগলো। বর্তমানে ২৬ থেকে ২৭ জোড়া কবুতর আপনার কাছে আছে। সত্যি মনে হয় আপনি কবুতরের যত্ন করেন। আপনার পোস্টের পড়ে অনেক ভালই লাগলো।
আসলে আপু কবুতর সবার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। ঠিক বলেছেন আপু আপনি কবুতরকে আমি বেশ ভালই যত্ন করি।
কবুতর লালন পালন করতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। যাক দুই মামা দুই জোড়া কবুতর দিয়েছে আপনাকে। সেই থেকে এখন আপনার কাছে ২৬ থেকে ২৭ জোড়া কবুতর আছে। কবুতর হচ্ছে শান্ত ফানি। এই কারণে আপনার হাতের মধ্যে কবুতর দুটি আদার খাচ্ছে। আপনার পোস্টে পড়ে সত্যি অনেক ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ ভাই পোস্টি এত সুন্দর ভাবে পড়ে আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
কবুতর পোষা সত্যি ই খুব ভালো লাগে।আমার শ্বশুরবাড়ির ছাদে অনেক কবুতর পোষা হতো। এখন নেই।দেবর দেশের বাইরে চলে যাওয়াতে সব বিক্রি করে দিয়েছে। আজ পোস্টের মাধ্যমে আপনার কবুতর সম্বন্ধে বেশকিছু জানতে পারলাম। আমার খুব ভালো লেগেছে।ধন্যবাদ সুন্দর এই পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।