বিআইডব্লিউটিএ ইকোপার্ক ভ্রমণ। (পর্ব -০১) || বিনোদন প্রয়োজন।
শুভ সন্ধ্যা আমার বাংলা ব্লগ পরিবার। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে শুরু করছি আজকের পোস্ট। সত্যি বলতে আজকের পোস্টটি ভাগ করে নেয়ার ব্যাপারে বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলাম। আসলে আমাদের জীবনে কিছুটা বিনোদন কিন্তু বেশ সুদূর প্রসারী প্রভাব বিস্তার করে। এটা জীবনে বেঁচে থাকার আনন্দ যোগায় আর জীবনকে উপভোগ করার সুযোগ তৈরি করে। তাই আমি মনে করি বিনোদন প্রয়োজন। গত কিছুদিন ধরে ইলমা বেশ বায়না করছিলো বাইরে কোথাও ঘুরতে যাবার জন্য, তাই গতকাল হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিয়ে টংগী তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত বিআইডব্লিউটিএর ইকোপার্কে ঘুরতে চলে গেলাম।
আমরা যেখানে বসবাস করি তার ঠিক পেছনেই হলো তুরাগ নদী আর এই নদীটি পার করতে পারলেই আমাদের কাঙ্খিত বিআইডব্লিউটিএ ইকোপার্ক। তাই সবাই তৈরি হয়ে বিকেলের আগেই চলে গেলাম নৌকা ঘাটে। এটা ঈলমার প্রথম নৌকা ভ্রমণ ছিল, সে নৌকা দেখে বেশ খুশি হলো। শুক্রবার হওয়াতে মানুষের ভিড় বেশি ছিল, আমি ওদের নিয়ে খুব সাবধানে নৌকায় উঠলাম। ইলমা আর ইয়ানের আনন্দ চোখে পরার মতো।
নদী পার করে আমরা ইকোপার্কের ভেতরে প্রবেশ করলাম। আসলে শুক্রবার হওয়াতে অসংখ্য মানুষের সমাগম হয়েছিল। প্রথমেই আমাদের ছোট্ট সদস্যের খেলনার দিকে চোখ পরে গেলো। তার সবথেকে পছন্দের হলো লাল বেলুন। তাকে একটি লাল বেলুন কিনে দেয়া হলো। ব্যাস এবার তার আর কিচ্ছু চাইনা, বেলুন নিয়েই তার খেলা শুরু।
এবার টিকিট কেটে মূল ইকোপার্কে প্রবেশ করলাম। এখানকার পরিবেশ ভীষণ ভালো লাগলো আমার কাছে। চারিদিকে ফুলের গাছ আর সাজানো গোছানো সবকিছু। বাচ্চাদের বিনোদন দেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের রাইড রয়েছে, তবে সবগুলো ফ্রি রাইড। ইলমার সবথেকে পছন্দের হলো দোলনার মতো এগুলো। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আমরা সিরিয়াল পেলাম। এবার ইলমা বেশ অনেকটা সময় এই রাইডটা উপভোগ করলো।
এবার আমি আমার ছোট্ট সেনাপতির সাথে একটি সেলফি তুললাম। সে ভারি সুন্দর পোজ দিয়েছে। আর সাথে আমিও প্রকৃতির মাঝে একটি সেলফি নিলাম। ছবিটি তেমন ভালো আসেনি যদিও ☺️।
এরপর ঈলমার আরেক পছন্দের জিনিস স্লিপারে উঠেছে। ওখানে উঠতে বেশ কষ্ট হচ্ছিল কারন অনেক বাচ্চা সেখানে ওঠার চেষ্টা করছে। আমি তাকে সেখানে উঠতে একটুও সহযোগিতা করিনি কারন আমি চেয়েছি সে নিজের চেষ্টায় ব্যাপারটা উপভোগ করুক। আমাকে অবাক করে দিয়ে বেশ অনেকবার সেখানে উঠেছে এবং বেশ আনন্দ করেছে।
আমার ছোট্ট সেনাপতি তার বেলুন নিয়ে ভীষণ খেলায় ব্যাস্ত ছিল সারাক্ষণ। তবে পুরোটা সময় যে কতটা আনন্দে কেটেছে তা তাকে দেখেই হয়তো বুঝতে পারছেন আপনারা। এরপর আমরা আরো কিছু রাইড এবং উঁচু ওয়াচ টাওয়ারে উঠেছিলাম আর সবশেষে খাওয়া দাওয়া করে বাসায় ফিরেছিলাম। এগুলো পরবর্তী পর্বে ভাগ করে নেবো। আশাকরি আমার আজকের পর্বটি আপনাদের ভালো লেগেছে। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিদায় নিলাম।
| বিষয়বস্তু | বিআইডব্লিউটিএ ইকোপার্ক ভ্রমণ |
|---|---|
| ছবি যন্ত্র | রিয়েলমি সি-২৫ |
| ছবির কারিগর | @emranhasan |
| ছবির অবস্থান | বিআইডব্লিউটিএ ইকোপার্ক, টংগী, গাজীপুর। |
https://steemitwallet.com/~witnesses
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ভাইয়া আপনার ছবিগুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে পুরো সময়টা কতটা ভালো কেটেছে। বাচ্চাদের নিয়ে এভাবে মাঝেমধ্যে ঘুরতে গেলে বেশ ভালো লাগে ওদেরও ভালো লাগা কাজ করে। আমিও বাবুকে নিয়ে মাঝেমধ্যে বাহিরে যাই। আর তাছাড়া ওর বাবা তো প্রতিদিনই বিকেলে বাহিরে নিয়ে যায়। ধন্যবাদ ভাইয়া পরিবারের সাথে কাটানো সুন্দর কিছু মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
জি বাচ্চাদের মাঝে মধ্যে ঘুরতে নিয়ে গেলে ওরা ভীষণ আনন্দ পায়, এছাড়াও তাদের মানসিক বিকাশ ঘটে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
https://twitter.com/emranhasan1989/status/1629502127918956544?t=NrPHh8U6OQjWj57JYzGZ3Q&s=19
আসলেই মাঝে মাঝে বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য হলেও একটু বাহিরে নিয়ে যাওয়া উচিত।এলমা আর আপনার ছোট সেনাপতি বেশ মজা পেয়েছে তা তাদের ছবি দেখেই বুঝা যাচ্ছে। ভাইয়া ছোট সেনাপতিরে বেলুন দিয়েই ঠান্ডা করে দিলেন,আহা বুঝে না বিদায় বুঝলে সব নিয়ে তবেই বাড়ি ফিরতো।😉😉।ভালো লাগলো।ধন্যবাদ
ধন্যবাদ আপু।
আসলে ওর সবথেকে বেশি পছন্দ এই বেলুন। তবে যা দুষ্টুমি করেছে, কি বলবো ☺️
ভাইয়া আপনি আপনার বাচ্চাদের নিয়ে ইকোপার্কে খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছেন।বেলুন খেলায় ব্যস্ত আপনার ছোট সেনাপতি আবার ছবি তোলার সময় পোজ ও দেয় 😁।আপনার মেয়ে ইলমার পছন্দের স্লিপারে উঠে বেশ মজা করেছে নিজের চেষ্টায় উঠে।তুরাগ নদী পাড়ি দিয়ে ইকোপার্কে বেশ আনন্দ করেছেন আপনারা।ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া সুন্দর ব্লগটি শেয়ার করার জন্য।
হা হা 😄
ও ছবি তুলতে ভীষণ পছন্দ করে। এমনকি নিজেও ছবি তুলতে ক্লিক করে। এখনকার বাচ্চারা অনেক চালাক আপু।
বাচ্চাদের নিয়ে খুব সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছেন দেখে খুব ভাল লাগলো। ইলমা তার ভাইকে নিয়ে খুব দায়িত্ব পালন করেছে হাত ধরে নিয়ে।ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে খুব মজা করেছে দুজন সাথে আপনারাও। ধন্যবাদ ভাইয়া শেয়ার করার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ আপু চমৎকার মন্তব্যের জন্য অনুপ্রাণিত করার জন্য সত্যিই পুরো সময়টা ওরা ভীষণ উপভোগ করেছে।
বিআইডব্লিউটিএ ইকোপার্ক এ বাচ্চাদেরকে নিয়ে খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত কাটিয়েছেন। বাচ্চাদেরকে নিয়ে মাঝে মাঝে এভাবে ঘুরে বেড়ানো, প্রকৃতির মাঝে হেসে খেলে বেড়ানো খুবই দরকার এতে করে তাদের মানসিক বিকাশে অনেক সহায়তা করে। আপনার মেয়ে ইলমা ও আপনার ছোট্ট সেনাপতিকে বেশ হাসিখুশি দেখাচ্ছে। খুব কিউট ওরা দোয়া করি খুব বড় হোক।
অনেক ধন্যবাদ আপু।
আমার সন্তানদের জন্য দোয়া করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আপনার জন্যও দোয়া রইল আপু।
ভাই আপনার সেনাপতি ও ইলমা মামনিকে ফটোগ্রাফিতে খুবই কিউট লাগছে। ছোট ছোট সোনামণিদের আনন্দ দেয়ার জন্য এরকম বিনোদনমূলক জায়গায় বেড়াতে নিয়ে গেলে তারা খুবই আনন্দ উপভোগ করে। সেনাপতি ও ইলমাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা কতটা আনন্দ পেয়েছে।বিআইডব্লিউটিএ ইকোপার্ক ভ্রমণ শেষ করে খাওয়া দাওয়া করে বাসায় ফিরেছিলেন। আর আপনাদের কাটানো সময়টুকু সুন্দর বর্ণনার মাধ্যমে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অনেক ধন্যবাদ ভাই।
ওর যে কতটা আনন্দে ছিল সময়টুকু, তা আপনাকে বলে বোঝাতে পারবো না। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি মাঝে মাঝেই ওদের নিয়ে এরকম বেরিয়ে পরবো।
ভাইয়া আপনার ফেমিলি নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ ইকোপার্ক ভ্রমণের ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। বিশেষ করে আপনার ছোট্ট সেনাপতিকে অনেক সুন্দর লাগছে। ইলমা আর ছোট্ট সেনাপতি ভালই আনন্দ করেছে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
অনেক ধন্যবাদ ভাই আমার পোস্টটি পছন্দ করার জন্য। হ্যা ওরা ভীষণ আনন্দ করেছে ভাই।