নতুন মোবাইল কিনার অভিজ্ঞতা।
হ্যালো, স্টিমিট পরিবারের সদস্যগণ সবাই কেমন আছেন। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও ভালো আছি আপনাদের ভালোবাসা এবং দোয়ায়। আজকে আমি আপনাদের সাথে আমার নতুন মোবাইল কেনার অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
আমার পুরাতন মোবাইলে কিছু সমস্যার কারণে আমি বেশ কিছুদিন ধরে অনেক সমস্যায় ছিলাম। মোবাইল সমস্যার কারণে আমার স্টিমিটে এ কাজ করা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছিল তাই অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলাম। তাই অনেক চিন্তা ভাবনা করে এবং টাকা জোগাড় করে চলে গেলাম মোবাইল কিনতে। আমি মোবাইল কিনতে আরো একমাস আগে একবার গিয়েছিলাম বসুন্ধরা এবং যমুনায় শপিংমলে দুইটাতেই ঘুরেছি। কিন্তু তখন দেশের এবং মোবাইল মার্কেটের এর পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় আমার মোবাইল কিনা হয় নি।
কিন্তু গত ১৮ সেপ্টেম্বর এ আমার মোবাইল কিনা সম্পন্ন হয়। আমার বাজেট ছিল ৫০ হাজার টাকা।আসলেই এই বাজেট এর মোবাইল গুলো খুবই বিভ্রন্তিকর একটা কোয়ালিটি খুঁজলে আরেকটি মিসিং হয়ে যায়। যেমন ক্যামেরা কোয়ালিটি যদি ভালো চাই আমি আবার পারফরম্যান্সের দিকে পিছিয়ে পড়বো তদ্রুপ আমি যদি আবার পারফরম্যান্স ভালো চাই তাহলে ক্যামেরার দিকে পিছিয়ে বলবো। তাই আমি সবকিছু বিবেচনা করে ক্যামেরা কে মূলত মূখ্য চাহিদা বিবেচনা করে অনর ২০০ ফোনটা বেছে নিলাম।এটি আমার বাংলাদেশী টাকায় ৪৯ হাজার টাকা পড়েছিলো। আসলে আমি খুবি কনফিউজড ছিলাম এই মোবাইল কিনা এবং যাচাই বাচাই এর ক্ষেত্রে এতে আমার বন্ধুরা আমাকে খুব সাহায্য করেছে।
১৯ তারিখ অর্থাৎ বুধবার আমাদের ক্লাস ছিল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম থিউরি। ক্লাসটার সময় ১২:৩১ থেকে ২টা পর্যন্ত ছিল।ক্লাস শেষ করে বাসায় এসে আমরা রেস্ট নিয়ে বিকাল ৫ টার সময় বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। আমরা আনুমানিক ৬:১৫ এর দিকে শপিং মলে এসে পৌঁছালাম আমার এক বন্ধু ফাহিম এর কিছুটা দেরি হলো কারণ রাস্তায় অনেক জ্যাম ছিল। কারণ ঐদিন মেট্রোরেলে যান্ত্রিক দুটি দেখা দিয়েছিলো তাই রাস্তা পুরোটাই জেম ছিল।
বসুন্ধরা শপিংমলে এখন মোবাইলের দোকান সবগুলো গ্রাউন্ড ফ্লোরে শিফট করা হয়েছে যা আগে ছিল চতুর্থ এবং পঞ্চম তলায়। অনেকগুলো দোকান ঘুরে মোবাইলটা কিনলাম গরিবের গেজেট নামে একটি বিশ্বস্ত দোকান থেকে। মোবাইলের সাথে একটি চার্জার একটি কভার এবং বক্স ক্যাশ রশিদ ছিল।
মোবাইল কিনার পর আমরা সকল বন্ধুরা মিলে একটি সেলফি নিলাম। যা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
মোবাইল কিনার পর আমরা বন্ধুদের সাথে আমরা মিলে কিছুক্ষণ কফি শপ এ বসে আড্ডা দিলাম। এবং বাসায় যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে মোবাইলের একটি দোকান থেকে পলি এবং যাবতীয় মোবাইলের প্রটেকশন এর জন্য জিনিসপত্র লাগিয়ে নিলাম। দোকানের একটি ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
এভাবে সেদিন আমরা আমার কাঙ্খিত মোবাইলটি কিনতে পারলাম।আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে আমার মোবাইল কিনার অভিজ্ঞতা এবং আমিও অনেক খুশি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পেরে।
> আমি দুর্জয় বড়ুয়া। আমি বর্তমানে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট এর একজন ছাত্র । আমি ভ্রমণ এবং ফটোগ্রাফি করতে অনেক পছন্দ করি।এবং নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি।
মোবাইল কেনার অনুভূতি খুব সুন্দর ভাবে ব্যক্ত করেছেন আপনি। বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের মোবাইলের দোকান থেকে কেনার চেষ্টা করেছেন। আর সেখানে বন্ধুরা মিলে কফি শপকে খাওয়া দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আর সে সমস্ত বিষয়গুলো বেশ দারুন ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন দেখে অনেক অনেক ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ আপনাকে আমাকে এইরকম অনুপ্রেরণা মূলক কমন্টে করার জন্য।
৫% abb-school কে বেনিফিশিয়ারি দিতে হবে ভাই। আপনি amarbanglablog কে দিয়েছেন।