"ক্রিপসি গার্লিক পটেটো স্নাক্স"// ফাস্টফুড রেসিপি বাই @alauddinpabel // ১০% পেআউট লাজুক খ্যাঁক-কে
হ্যালো আমার স্টিমিট সহযোদ্ধারা,
আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আপনাদের সবাইকেও আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের পোস্ট শুরু করছি। গতকাল বিকেলে আমি একটি রেসিপি তৈরি করেছি আমার পরিবারের জন্য বিকেলের নাস্তা হিসেবে। সেই ফাস্টফুড জাতীয় রেসিপিটি নিয়ে আপনাদের সবার সাথে ভাগ করার চেষ্টা করেছি।
আমার ফাস্টফুড রেসিপিটি নাম হচ্ছে "ক্রিপসি গার্লিক পটেটো স্নাক্স"
তাহলে চলুন আমরা এখন রেসিপিটি তৈরির মূল পর্বে ফিরে যাই।
১। আলু ৭ থেকে ৮ টা।(ছোট সাইজের হলে)
২। সয়াবিন তৈল; প্রথমে ২ চা-চামচ পরে আরও আধা লিটার।
৩। রসুন কুচি ১ চা-চামচ।
৪। শুকনো মরিচ ১ চা চামচ।
৫। পানি ১ কাপ।
৬। চাউলের গুড়া ১০০ গ্রাম।
৭। কর্নফ্লাওয়ার ২ চা চামচ।
৮। লবণ (পরিমাণমতো)।
এখন আমি ধাপে ধাপে আপনাদের সামনে রেসিপির প্রস্তুত প্রণালি টি উপস্থাপন করলাম।
ধাপ ১
প্রথমে আলু গুলোকে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধৌত করে এরপর সিদ্ধ করতে হবে এরপর আলোগুলোর খোসা ছেড়ে ফেলতে হবে তারপর আলু গুলোকে কুচি কুচি করে কেটে নিতে হবে। এরপর আপনাকে চুলায় কড়াই বসাতে হবে এবং সেই কড়াই এ দুই চামচ পরিমাণ সয়াবিন তেল দিতে হবে এরপর সেখানে রসুনকুচি গুলো দিয়ে দিতে হবে।
ধাপ 2
এখন রসুন কুচি গুলোকে এক মিনিট পরিমাণ সময় নিয়ে নেড়েচেড়ে একটু লালচে করে নিতে হবে তারপর শুকনো মরিচের গুড়াগুলো দিতে হবে এবং পরে এক কাপ পরিমান পানি ঢেলে দিতে হবে যাতে করে সবগুলো একসাথে মিশে যায় এবং ভালোভাবে ফুটানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে এরপর এইখানে চাউলের গুড়ো গুলো ঢেলে দিতে হবে।
ধাপ ৩
এরপর চালের গুঁড়ো গুলো ভালোভাবে মিক্স করতে হবে সেটা অবশ্যই চুলার মধ্যে রেখে তারপর চুলা থেকে নামিয়ে সেটাকে ভালোভাবে ঠান্ডা করতে হবে। এরপর লক্ষ করুন আলু কুচি গুলো মিক্স করে তারপর সেখানে 2 চামচ কনফ্লাওয়ার মিক্স করে পরিমাণমতো লবণ মিশাতে হবে এবং সেগুলো ভালোভাবে হাত দিয়ে মেখে মিশ্রণটা ভালোভাবে মিক্স করতে হবে। এরপর আপনাকে চুলায় আবার কড়াই বসাতে হবে তারপর আধা লিটার পরিমাণ সোয়াবিন তৈল আবার পুনরায় কড়াইতে দিয়ে ভালোভাবে গরম করে নিতে হবে। এরপর সে মিশ্রণটি নিয়ে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য আমি আমার হাতে সয়াবিন তৈল মেখে নিয়েছে এবং সেইসাথে যে পিড়িতে এটা তৈরি করব সেখানে তৈল মেখে নিয়েছি।
ধাপ ৪
এরপর সেই আটা এবং আলুর মিশ্রনটিকে পিড়িতে রেখে দুই হাত দিয়ে পরিমাণ মতো লম্বা করে নিতে হবে এবং ছুরি দিয়ে সেইগুলোকে আবারও পরিমাণমতো কেটে নিতে হবে এরপর কেটে নেওয়া খণ্ডগুলো একেক করে আবার দুই হাত দিয়ে পরিমাণ মতো লম্বা করে নিতে হবে এবং আবার ছুরি দিয়ে ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে। কেটে নেওয়ার পর এগুলোকে হাত দিয়ে গোল করে সেগুলোকে গরম তেলে ভাজতে হবে।
ধাপ ৫ বা ফাইনাল
এরপর ভাজা হয়ে গেলে একটু লালচে বর্ণ ধারণ করবে তারপর আস্তে আস্তে করে থেকে তেল সরিয়ে সেটিকে তুলে নিতে হবে। এখন এখানে দেখতে পাচ্ছেন যে সম্পূর্ণ একটি সুস্বাদু রেসিপি তৈরি হয়ে গেল। এবং এটি পরিবেশনের জন্য তৈরী এবং তারপর আমি এবং আমার পরিবারের সবাই মিলে বিকেলের নাস্তা সেরে নিলাম।
আমার পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছান্তে,@alauddinpabel
খুবই মজাদার রেসিপি বানিয়েছেন, দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে । কখনো টেষ্ট করা হয়নি, আমিও চেষ্টা করব বাসায় বানাতে, ধন্যবাদ আপনার সুন্দর রেসিপির জন্য।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্য। অবশ্যই চেষ্টা করবেন কারণ রেসিপিটি অনেক টেস্টি আশাকরি আপনি যদি নিজের হাতে তৈরি করেন তাহলে আরো ভালো করে এর স্বাদ নিতে পারবেন।
জিনিসটা দেখতে খুবই সুন্দর হয়েছে। খেতেও আশা করি ভালো হবে। এই ধরনের হালকা খাবার বানাতে পারলে ভালই হয়। কারণ বিকালে সবারই কিছু না কিছু নাস্তা করার প্রয়োজন হয়। এই ধরনের খাবার বিকালের নাস্তা হিসাবে খুবই ভালো হবে। ধন্যবাদ ভাই
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনার এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্য।
এটা দেখে ভালো লাগলো, বহু দিন বাদে একটা দারুন এবং আনকমন রেসিপি দেখলাম। আইডিয়াটা পরখ করে দেখতে হবে, বিশেষ করে টিফিনের জন্য এটা বেষ্ট হবে। ধন্যবাদ রেসিপিটি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার এই অসাধারণ মন্তব্যের জন্য। অবশ্যই নিজে পরখ করে দেখবেন কারণ রেসিপিটি অনেক সুস্বাদু যেমন দেখতে তেমন খেতেও।
অন্য রকম এক নতউন রেসিপি ছিলো এটা।খাবার দেখলেই তো আমার খুদা লেগে যায় তার উপুর আবার এতো ভালো খাবার।ধন্যবাদ ভাইয়া আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমার রেসিপিটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে এটা জেনে খুবই আমি আনন্দিত আর এজন্যই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার এই মন্তব্যের জন্য।