"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল - রাউন্ড #৩৮৩ [ তারিখ : ০২.০৮.২০২৪ ]
গত ০২ মে ২০২৩ থেকে "আমার বাংলা ব্লগের" একটা নতুন ইনিশিয়েটিভ আজকের ফিচারড আর্টিকেল চালু করা হয়েছে। ৩৮২ তম রাউন্ড শেষে আজ ০২ আগস্ট ২০২৪, ৩৮৩ তম রাউন্ড এর আর্টিকেল পাবলিশ করা হবে। এই উদ্যোগটি এখনও অব্দি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মেই একদম নতুন ও ইউনিক । কি এই "আজকের ফিচারড আর্টিকেল" ? আসুন জেনে নেওয়া যাক ।
"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল : আমার বাংলা ব্লগে প্রতিদিন নতুন নতুন আর্টিকেল পাবলিশ করা হয়ে থাকে । অলটাইম এভারেজ ১৭০ জন রাইটার এক্টিভলি আর্টিকেল লিখে চলেছেন প্রতিদিন । এত এত আর্টিকেলের মধ্যে থেকে বেছে নিয়ে প্রত্যহ ফিচারড আর্টিকেল হিসেবে একটি আর্টিকেলকে আলাদা করে পাবলিশ করা হবে আমাদের কমিউনিটির নতুন একটি একাউন্টে । যেহেতু, হুবহু অন্যদের আর্টিকেল স্টিমিটে আলাদা অন্য আর একটি একাউন্টে পাবলিশ করার নিয়ম নেই তাই আমরা ফিচারড আর্টিকেলের কিছু অংশবিশেষ নিয়ে আলোচনামূলক পোস্ট করবো । সেই সাথে থাকবে সেই সকল ফিচারড আর্টিকেলের রাইটারদের নাম, আর্টিকেলের নাম ও আর্টিকেল পোস্টের লিংক । এডিশনালি আমরা ছোট্ট একটা পিডিএফ পাবলিশ করবো প্রত্যেক মাসের প্রথম রবিবারে । এই পিডিএফ -এ থাকবে বিগত এক মাসের সবগুলি ফিচারড আর্টিকেল ।
"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল রাইটার-@riyadx2
"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল রাইটার-@riyadx2
অথর সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ
অথরের নামঃ মোঃ রিয়াদ হাসান। জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। শিক্ষা জীবন: তিনি সর্বপ্রথম খোড়াগাছ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হন । সেখান থেকে তিনি এস এস সি (সমমান) পাস করেন । তারপর তিনি কুতুব পুর ডিগ্ৰি কলেজে ভর্তি হয়ে যান । ইতোমধ্যে তাঁহার প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা হয়ে গেছে। তিনি পাস করে দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ হয়েছেন। শখ: তাঁহার শখ হচ্ছে তিনি বড় হয়ে একজন মানুষের মত মানুষ হতে চান এবং সেই সাথে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া। তিনি প্রতিনিয়ত তাঁহার সফল হওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। স্টিমিট ব্লগিং ক্যারিয়ার: তিনি গত ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই প্লাটফর্মের মধ্যে যুক্ত হন।
এক নজরে তাঁর বিগত সপ্তাহের পোস্টগুলি:
"আমার বাংলা ব্লগ" আজকের ফিচারড আর্টিকেল:
কৃষি খাতে আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়ে প্রাচীন ঐতিহ্য কে মানুষ ভুলে গিয়েছে। ( publish: 01.08.2024 )
এই টপিকটা খুবই সুন্দর ছিল। আমি পোস্ট চেক করার সময়ে টাইটেলটা দেখে পড়ার আগ্রহ জাগলো। রিয়াদ ভাই বিষয়টা কিন্তু ভালো বলেছেন, আসলে আমাদের বর্তমান সময়ে এখন কিন্তু পুরোনো দিনের কোনো ঐতিহ্য নেই বললেই চলে, সব জায়গায় এখন ধীরে ধীরে অনেক কিছুর উন্নতি সাধন হয়েছে। দিন দিন প্রযুক্তির যত উন্নত হবে তত যন্ত্রপাতির ব্যবহার বেশিই হয়ে যাবে। আগে কিন্তু আসলে কৃষকরা মাঠে লাঙ্গলের মাধ্যমে চাষ করতো এবং সেটা কিন্তু অনেক সময়ে দেখা যেত একজন সামনে টানছে এবং অন্যজন লাঙ্গল ধরে রেখেছে। এরপরে সেটাকে আরো কিছুটা উন্নত হলো, তখন গরু, মহিষ এইসবের মাধ্যমে মানুষ চাষাবাদ করতো। তখন আসলে যন্ত্রপাতির ব্যবহার কি সেটাই জানতো না। এখন প্রায় প্রত্যেক কৃষকের বাড়িতে পাওয়ার টিলার দেখা যায়, তবে এটাও এখন বর্তমানে মডিফায়েড এর মাধ্যমে অনেক মাধ্যম তৈরি করে ফেলেছে।
পাওয়ার টিলারের পাশাপাশি বড়ো বড়ো ট্র্যাক্টর আজকাল ব্যবহার হয় আর এতে সব থেকে কিন্তু সময় কমই লাগে যেকোনো ক্ষেত্রে। যেটা আগে কৃষকরা হাতে করতো অনেক দিন ধরে, সেটা এখন দেখা যায় মেশিনের মাধ্যমে এক দিনেই কয়েক বিঘার কাজ সম্পন্ন করে ফেলে। আগে যেমন দেখা যেত ধান রোপনের সময়ে কৃষকরা সবাই দলবদ্ধভাবে গান গাইতো আর ধানের চারা রোপন করতো। আমি নিজেও দেখেছি, এটা দেখতেও অনেক ভালো লাগতো। এখনও অনেক কৃষক করে থাকে, কিন্তু এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় সেটাও মেশিনের দ্বার গোড়ায় পৌঁছিয়ে গিয়েছে।
মেশিনের মাধ্যমে ঝটপট ধান রোপন করে ফেলছে, যেটা অনেক কম সময় লাগে। আরো একটা বিষয় যেমন, গরমের সময়ে যেসব ধান চাষ করা হয় সেক্ষেত্রে কিন্তু আগে মানুষ হাত দিয়ে কোনো পাত্রের সাহায্যেই জল সেঁচের কাজ করতো এবং জমিতে জল দিতো। এখন সেটা মেশিনের মাধ্যমেই কত সহজে হয়ে যাচ্ছে, সেটা এখন বর্তমানে অনেক ইলেক্ট্রিক মটরও বেরিয়েছে জল সেঁচের জন্য। অনেক পরিবর্তন এসেছে আর অনেক কাজও আজকাল সহজ হয়ে গিয়েছে। ভবিষ্যতে এইরকম আরো অনেক কিছু আরো ডেভেলপ হবে এবং আরো অনেক সুযোগ সুবিধা কৃষিক্ষেত্রে আসবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
আমার পোস্ট টি এবিবি ফিচার্ড আর্টিকেলের মধ্যে নির্বাচন করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আসলে বর্তমান সময়ে প্রাচীন কালের কৃষি কাজে ব্যবহারকৃত যন্ত্রপাতি আর তেমন একটা দেখতে পাওয়া যায় না। এখন সারা বিশ্বের কৃষকেরা আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়ে অনেক দূরে এগিয়ে গিয়েছে। তবে, এখন স্বল্প সময়ের মধ্যে অনেক ভারি কাজ করতে পারছে কৃষকেরা।
সময়ের সাথে সাথে সব কিছুর পরিবর্তন হচ্ছে। কৃষি ক্ষেত্রেও এখন অনেক পরিবর্তন এসেছে। সব কিছুর উন্নয়ন হয়েছে। এই পোস্ট দেখে সত্যিই অনেক ভালো লাগলো। আজকের ফিচারড আর্টিকেল পোস্ট দারুন হয়েছে।
আজকের এই ফিচারড আর্টিকেল এর নাম দেখে অনেক বেশি ভালো লাগলো। এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় সবকিছুই একেবারে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। কৃষি কাজেও কিন্তু এখন অনেক বেশি পরিবর্তন এসেছে। এখন সবকিছু আধুনিকভাবেই হয়ে থাকে। অনেক সুন্দর করে তিনি এই পোস্টটা লিখেছেন। এই পোস্টটাকে ফিচারড আর্টিকেল হিসেবে মনোনীত করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আজকের ফিচারড আর্টিকেল রাইটার @riyadx2 ভাইয়াকে দেখে ভালো লাগলো।আসলে ভাইয়ার পোষ্টটায় দারুন কিছু তথ্য ছিলো।যাইহোক ওনার এই পোষ্ট আজকের ফিচারড আর্টিকেলে দেখে ভালো লাগলো।
আজকের ফিচারড আর্টিকেল পোস্টে দারুন একটা পোস্ট দেখলাম। সময়ের সাথে সাথে এখন সব কিছুরই পরিবর্তন হচ্ছে। কৃষিকাজের ক্ষেত্রেও ঠিক এরকমটা হয়েছে বর্তমানে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন কৃষিকাজও অনেক এগিয়ে গিয়েছে। সবকিছু এখন আর হাতে করা লাগে না মেশিনের মাধ্যমেই হয়ে যায়। তবে আগের সেই ঐতিহ্য হারিয়ে গিয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়ায়। কৃষকেরা এখন সবকিছুতেই এগিয়ে এই আধুনিকতার যুগে। তাদের এখন আর কষ্ট করা লাগে না এত বেশি।
ফিচার্ড আর্টিকেলে পোস্টটি দেখে অনেক ভালো লাগলো।যুগের সাথে সবকিছু পরিবর্তন হচ্ছে।সবাই সব কিছুর আধুনিকতার ছোঁয়া পেতে চায়।তাই কৃষি ক্ষেত্রেও এর পরিবর্তন হচ্ছে। বেশ দারুণভাবে পোস্টটি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। ধন্যবাদ ফিচারড আর্টিকেলে পোস্টটি মনোনীত করার জন্য ।