মুসলমানদের সবথেকে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদ-উল-ফিতর'কে কেন্দ্র করে অস্থায়ী আতর ও টুপি'র দোকান
আচ্ছালামু আলাইকুম, আমি @toufiq777
আশা করি সবাই ভালো আছেন৷ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি।
এক সপ্তাহ আগে মুসলমানদের সবথেকে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদ-উল-ফিতর অনুষ্ঠিত হল। মুসলমানদের বছরে দুটি বড় উৎসব উৎযাপিত হয়৷ আর এই দুটি বড় উৎসবকে কেন্দ্র করে বাজারে নানান ধরণের দোকান পাঠ বসে। যেমন ঈদ-উল-ফিতর এর সময়ে বাজারে লাচ্চা-সেমাই এর দোকান বেশি লক্ষ্য করা যায়৷ আর ঈদ-উল-আযহা এর সময় বাজারে ছুরি, দা, চাপাতি ইত্যাদি পণ্যের দোকান বেশি দেখা যায়৷ এই দোকান গুলো কিছু দিনের জন্য বসানো হয়। ঠিক তেমনি ঈদ-উল-ফিতর'কে কেন্দ্র করে আমাদের সৈয়দপুর এর কিছুক্ষণ মোড় সংলগ্ন এলাকায় একটি লোক আতর, সুরমা ও টুপি'র দোকান নিয়ে বসেছিলো।
ঈদে সকলেই চায় নতুন টুপি, আতর, মেহেদী ও সুরমা লাগিয়ে নামাজ আদায় করতে যেতে৷ যতই পুরাতন টুপি থাকুক না কেন। সকলে নতুন জিনিস কিনতে বেশি আগ্রহী থাকেন। এই দোকান গুলো শহরের মোড়ে মোড়ে বা বাজারে রাস্তার ধারে বসানো হয়৷ মানুষ বাজার থেকে নতুন জামাকাপড় কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় টুপি, আতর, মেহেদী ও সুরমা কিনে বাড়িতে চলে যান৷ এই জিনিস গুলোর দাম বেশি হয় না৷ ২-৩০০ টাকার মধ্যে হয়ে যায়।
টুপি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস মুসলিমদের জন্য। টুপি ছাড়া নামাজ হয় না। আমরা ঈদের নামাজ পড়তে গেলে সেন্ট, বডি স্প্রে দিতে পারি না৷ কারণ এসব পণ্যের গন্ধ অনেক বেশি হয়৷ এতে করে পাশের নামাজী ব্যক্তির সমস্যা হতে পারে। তাই ইসলামে এই পণ্য গুলো ব্যবহার নিষেধ। তবে আমরা সুগন্ধি আতর ব্যবহার করতে পারি। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধি আতর দোকানে কিনতে পাওয়া যায়৷ আমাদের সৈয়দপুরে জিকরুল হক রোড এর ওখানে কিছু আতরের দোকান আছে৷ ওখান থেকে বিভিন্ন ভ্যারাইটিজের আতর পাওয়া যায়৷ আপনি শিশিতে করে আপনার পছন্দ মত আতর ক্রয় করে নিয়ে আসতে পারবেন৷ তবে রাস্তা-ঘাটে যেসকল ব্যক্তি টুপি, আতর, মেহেদী ও সুরমা এর দোকান দিয়ে বসেন৷ এদের কাছে কমদামি পণ্য বেশি থাকে৷ অনেকেই এদের কাছে পণ্য কিনেন। আবার অনেকে কিনেন না। যার যার সামথ্য অনুযায়ী মানুষ এসব পণ্য কিনে থাকেন। তবে গ্রাম থেকে আসা লোকজন এসব দোকান থেকে কম দামে পণ্য কিনে নিয়ে যায়৷ বাজার থেকে কিছুটা কমে এই দোকান গুলো থেকে পণ্য পাওয়া যায়।
এই দোকান গুলো ভ্রাম্যমাণ হয়ে থাকে৷ এরা ঈদ'কে উপলক্ষ করে কিছুদিন এর জন্য দোকান নিয়ে বসেন৷ চাঁদ রাত পর্যন্ত এদের দোকান স্থায়ী থাকে৷ এর পর সরিয়ে ফেলা হয়৷ কিছুক্ষণ মোড় অনেক ব্যস্ততম একটি রাস্তা৷ এইদিক মোড় দিয়ে সোজা গেলে প্লাজা, শিল্প-সাহিত্য মার্কেট, চৌধুরী টাওয়ার মার্কেট। ব্যবসা করতে হলে জাঁকজমকপূর্ণ এলাকায় করতে হয়৷ যেখানে পণ্য খুব দ্রুত বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
Vote for @bangla.witness
ধন্যবাদ
@toufiq777
মুসলমানদের ঈদকে কেন্দ্র করে এসব অস্থায়ী টুপি ও আতরের দোকান দেখা যায় বিভিন্ন জায়গায়। মুসলমানরা আতর পবিত্র সুগন্ধ হওয়ার জন্য ব্যবহার করে থাকে। তবে সৈয়দপুরে আমি এসব অস্থায়ী দোকান বেশি দেখেছি। অন্যান্য জায়গার তুলনায় সৈয়দপুরে ঈদকে কেন্দ্র করে এসব দোকান বেশি গড়ে ওঠে,অসাধারণ লিখছেন ভাই অসংখ্য ধন্যবাদ ।
ধন্যবাদ
অস্থায়ী টুপি ও আাতরের দোকান নিয়ে আপনি অনেক সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। মূলত ঈদের সময় এই দোকানগুলো বসে।প্রত্যেক হাট বাজারে এই দোকানগুলো দেখতে পাওয়া যায়।এই দোকানগুলোতে মূলত টুপি,আতর,সুরমা,মেহেদী এসব পাওয়া যায়। এত সুন্দর একটি পোস্ট লিখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ
ঈদের কয়েকদিন আগে তারা বেশ ভালো বেচাকেনা করে থাকে। মুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর কে কেন্দ্র করে এই সকল দোকান থেকে সবথেকে বেশি আতর সুরমা কিনে থাকে। আপনি অনেক সুন্দর লিখেছেন এবং উপস্থাপন করেছেন আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ
ঈদকে কেন্দ্র করেই এই অস্থায়ী দোকান গুলোতে দেখা যায় আতর,টুপি,সুরমা ইত্যাদি জিনিস। এই অস্থায়ী দোকান গুলো প্রায় বছরের দুই বার দেখা যায় ঈদ উল ফিতর আর ঈদউল আযহায়। আতর আর টুপি মুসলমানদের আত্মসম্মান রক্ষা করে। আপনি অনেক সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন।
ধন্যবাদ
ঈদের আগে এরকম আতর এবং টুপির দোকান অনেক দেখা যায়। বিশেষ করে ১৫ রমজানের পরে দোকানে বেচাকেনা অনেক বেড়ে যায়।আমিও অনেক সময় টুপি অথবা আতর কিনি এসব দোকান থেকে।অনেক ভালো লিখেছেন ভাই শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
নিচের কথাটি ভাই একদম ঠিক বলেছেন আপনি
ধন্যবাদ
ঈদ উপলক্ষে এইরকম অস্থায়ী টুপি বা আতরের দোকান খুব দেখা যায়, বিশেষ করে আমাদের বাজারে ২৫ শে রমজান থেকে বেশি দোকান পাট লাগে।আপনি দারুণ একটা পোস্ট করেছেন ভাই, আপনার পোস্ট পরে খুব ভালো লাগলো। আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ