টিনের তৈরি গ্রামীণ মুদি ও চায়ের দোকান
আচ্ছালামু আলাইকুম, আমি @toufiq777
আশা করি সবাই ভালো আছেন৷ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি।
গত ৩৩ বছরে বাংলাদেশের অনেক পরিবর্তন হয়েছে৷ ১৯৯০ সালের ঐদিকে শহর আর গ্রামের পরিস্থিতি প্রায় একই ছিলো৷ কিন্তু এই ৩৩ বছরে শহর ও গ্রামের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ আগে শহরে এত এত অট্টালিকা ছিলো না৷ শহরাঞ্চল ছিলো গ্রামের মত সাদামাটা। শহরেও অনেক জায়গায় টিনের তৈরি দোকানপাঠ দেখা যাইতো৷ টিনের তৈরি বাড়ি দেখা যাইতো৷ আগে উচ্চবিত্ত ফেমিলির লোকেরাও টিনের তৈরি বাড়িতে থাকতেন৷ কিন্তু সময়ের সাথে সাথে উচ্চবিত্ত শ্রেণীর লোকেরা এখন টিনের বাড়িতে থাকতে লজ্জা পায়৷ ঢাকা শহরে গেলে দেখা যায় শুধু উঁচু উঁচু অট্টালিকা। কোথাও টিনের তৈরি বাড়ি চোখে পরলেও হাতে গুনা ২-১ টা দেখা যায়৷ আর টিনের তৈরি দোকান তো দেখাই যায় না৷
তবে গ্রামে এখনও টিনের তৈরি দোকান দেখা যায়৷ টিনের তৈরি বলতেছি কারণ এ দোকান গুলো ৮০% ই টিন দিয়ে তৈরি হয়৷ আর কাঠ ব্যবহার করা হয়৷ গ্রামের টিনের তৈরি এই দোকান গুলো সাধারণত মুদি ও চা-পানের দোকান হয়ে থাকে৷ গ্রামের মোড়ে মোড়ে এখনও এমন দোকানপাট লক্ষ্য করা যায়। এটা আমাদের একধরনের ঐতিহ্য বলা যায়৷ কারণ এই দোকান গুলো আগে ছিলো৷ এখন কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে। এখন যুগ পরিবর্তন হয়েছে৷ চোররা আপডেট হয়ে গেছে৷ এই সব দোকান থেকে অনায়াসে চোরেরা মাল চুরি করে নিয়ে যেতে পারবে৷ তাই এসব টিনের দোকানের উপর ভরসা পায় না এখন। তাই অনেকেই ইটের তৈরি দালানের দোকান বানাচ্ছেন সাবধানতার জন্য।
গ্রাম বাংলায় যে জিনিস গুলো আছে সেগুলোয় আমাদের ঐতিহ্য। কারণ এ সব জিনিস এখন শহরে দেখতে পাওয়া যায় না খুব একটা৷একসময় হয়তো গ্রামোও আর দেখা যাবে না। কিছুদিন আগে গ্রামে ঘুরতে গিয়েছিলাম। সেখানে এই টিনের তৈরি দোকান চোখে পরেছে আমার৷ রাস্তার ধারে দোকান দেখতে পেয়ে কিছু ছবি তুলে রাখছিলাম৷ আগে ছোট বেলায় নানীবাড়িতে এধরনের দোকান দেখেছিলাম৷ এছাড়া পার্বতীপুরে থাকতেও দেখেছি৷ কিন্তু সৈয়দপুরে তেমন একটা নজরে পরে না এধরণের দোকান৷ এছাড়া গ্রামে টং চায়ের দোকান আছে৷ এগুলোও কিন্তু ঐতিহ্য। এসব নিয়েও লেখা যাবে৷ অনেকে দ্বিধাদন্দে পরে যান৷ আসলে কি কি বিষয় নিয়ে লিখবেন৷ তাদের উদ্দেশ্যে বলতেছি৷ গ্রামীণ যেকোন জিনিস সম্পর্কে আপনারা লিখেন সমস্যা নেই।
Vote for @bangla.witness
ধন্যবাদ
@toufiq777
এমন একটি টিনের দোকান আমাদের গ্রামেও আছে। তবে এখানে চা বিক্রি হয় না। ছোল, মুড়ি এসব বিক্রি হয়। এই দোকানগুলো মাচানের উপর থাকে। তাই একটু উঁচু হয়।
ধন্যবাদ
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
Thank you
Thank you
https://twitter.com/Toufiqrahul/status/1667349920641339392?t=e0uRfUh60KrHig-U9Gqu6A&s=19
আসলেই ভাই আপনি আপনার পোষ্টের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন ৩৩ বছরে গ্রাম ও শহরের মধ্যে অনেক বেশী পার্থক্য লক্ষ্য করা যাইতেছে। আগেকার দিনে শহরে এমন টিনের দোকান দেখা গেলেও বর্তমানে আর দেখতে পাওয়া যায় না তবে কিছু কিছু গ্রামের মধ্যে টিনের বানানো দোকান দেখা যায়। সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে পোস্ট করেছেন ভাইয়া।
ধন্যবাদ
এইসব টিনের দোকানগুলো আমাদের গ্রাম অঞ্চলে বেশিরভাগ দেখা যেতো। এসব দোকানগুলোতে রুটি কলা চা বিস্কিট বেশি পাওয়া যেতো। আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে আগের দিনগুলির দোকান গুলো মনে পড়ে গেলো। রহিমের দোকান নানার দোকান বাবুর দোকান ইস কি মজা ছিল সেই দিনগুলি দোকানে বসে ছিলাম। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
ধন্যবাদ
আমার বাড়ির পাশে রয়েছে একটি এরকম টিনের দোকান। সেই দোকানে আমার এক চাচ্চু দোকান করেন। আপনি ঠিকই বলেছেন আগে মানুষ টিনের তৈরি বাড়িতেই থাকতো বিশেষ করে উচ্চবিত্ত মানুষের লোকেরা। কিন্তু এখন তারা থাকতে লজ্জা পায়। খুব সুন্দর লিখেছেন ভাই ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য।
ধন্যবাদ
টিনের তৈরি মুদিখানা ও চায়ের দোকান।আগে এই টিনের তৈরি দোকান গুলো অনেক ছিল। বর্তমানে এগুলো আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে গেছে। আপনি প্রাচীন টিনিনের দোকান নিয়ে খুব সুন্দর একটা পোস্ট শেয়ার করছেন। ধন্যবাদ
ধন্যবাদ
আমাদের দেশের প্রতিটি গ্রামে এমন টিনের ছোট চায়ের দোকান রয়েছে। এই দোকান গুলোয় বেশ চমৎকার স্বাদ এর চা পাওয়া যায়। আপনি বেশ সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন ভাই ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ
Thank you
আগেকার সময়ে শহর কিংবা গ্রাম কোনটাই ভেদাভেদ ছিল না। শহরে কিংবা গ্রাম সবখানেই টিনের দোকান দেখা যেত। বর্তমান সময়ে শহরে আর টিনের দোকান দেখা যায় না যদিও দেখা মিলে খুবই কম। টিনের দোকান নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন।
ধন্যবাদ