বাঁশের তৈরি হস্তশিল্প
বৃহস্পতিবার
তারিখ - ০৯ মার্চ ২০২৩
আসসালামু আলাইকুম
প্রিয় স্টিমবাসী। সবাই কেমন আছেন আলহামদুলিল্লাহ আমি ও আল্লাহর রহমতে সুস্থ আছি। আজকে আমি স্টিম ফর ট্র্যাডিশন কমিউনিটি তে বাঁশের তৈরি বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র নিয়ে আলোচনা করব। নিচে সব কিছুর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
বাঁশ আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় এবং বহুল পরিচিত একটি গাছ। আর এই বাঁশ গাছ আমরা আমাদের জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র তৈরি করে থাকি। আর বাঁশ গাছ থেকে আমরা বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র তৈরি করতে পারি তারমধ্যে যেমন রয়েছে বাঁশের তৈরি ঝুড়ি, ডালা, কুলা এবং বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র।
এই ব্যক্তি হাটের দিনে তার তৈরি সমস্ত বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র বিক্রি করার জন্য বাজারে নিয়ে এসেছে। আর এ সব জিনিসপত্র তিনি নিজে বাসায় তৈরি করে থাকেন। তার কাছে শুনলাম তিনি না কি বিভিন্ন জায়গা থেকে বাঁশ ক্রয় করে এসব বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র বিক্রি করেন। শুধুমাত্র এই হাটে না তিনি পার্বতীপুর শহরের বিভিন্ন জায়গায় তার নিজের হাতে তৈরি করা বাঁশের পন্য সামগ্রী বিক্রি করেন। তার কাছে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র রয়েছে।
বাঁশের তৈরি জিনিসপত্রের অধিক চাহিদা রয়েছে বাজারে। বাজার থেকে আমাদের মতো সকলের প্রয়োজন অনুযায়ী তারা ক্রয় করে নিয়ে যায়। একেক ধরনের জিনিসপত্র একেক রকমের দাম নির্ধারণ করা রয়েছে। আর এই সব জিনিসপত্র আমাদের নিত্য দিনের প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
এই ছবিতে একজন বিক্রেতা দূর থেকে তার তৈরি করা টোপা বাজারে নিয়ে এসেছে বিক্রি করার জন্য। আর এই টোপা সাধারণ হাঁস মুরগীর বাচ্চাদের এই টোপার ভিতরে রাখা হয় যাতে করে এদিক সেদিক চলে না যায়। এবং এই টোপা থাকার কারণে হাঁস মুরগীর বাচ্চা গুলো কাক থেকে রক্ষা পাই।
এখানে দুইজন বিক্রেতা তার বাঁশের তৈরি হস্তশিল্প আমাদের মাঝে বিক্রি করা করার জন্য তার তৈরি পন্য দ্রব্য নিয়ে আসছে। অনেক অনেক বিক্রেতা দূর দূরন্ত থেকে আসে তাদের জীবিকার জন্য। আর তাদের কাছে বাঁশের তৈরি ডাল, ঝুড়ি, কুলা, টোপা এসব কিছু পাওয়া যায়। আর এগুলো মূল্য বেশি ১০০ - ১৫০ টাকা থেকে শুরু হয়। এবং একটু ভালো জিনিসের দাম একটু বেশি। সেগুলো দাম ৩০০ - ৪০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
এখানে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস পাওয়া যায় সেটা হলো মুড়ি ছাকুনি। মুড়ি ভাজতে গেলে বালির প্রয়োজন হয় আর এই ছাকুনি দিয়ে মুড়ি ভাজার পরে ছাকা হয় যাতে করে গরম বালি দ্রুত পড়ে যায়।
| ডিভাইস | শাওমি Mi A2 |
|---|---|
| লোকেশন | পার্বতীপুর, বাংলাদেশ |
বাসেরে হস্তশিল্প গুলো নিয়ে আপনি অনেক সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন। অসাধারণ গুছিয়ে কথাগুলো বলেছেন ভাইয়া। গ্রামে এই বাঁশের তৈরি জিনিসগুলোর ব্যবহার অনেক বেশি। বাসার বেশ কয়েকটি জিনিস নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে আমরা সকলেই ব্যবহার করি। বর্তমানে অন্যান্য পণ্য সামগ্রীর মতো এর দাম কিছুটা পেতে পেয়েছে। বর্তমানে সমস্ত পণ্যের দাম এবং ব্যবহার সম্পর্কে খুব সুন্দর একটি পোস্ট তৈরি করেছেন । এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
বাঁশের তৈরি হস্তশিল্প গুলো দেখতে যেমন সুন্দর ঠিক তেমনি স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক ভালো। প্লাস্টিক বা মেলামাইনের সামগ্রী ব্যবহার করার চেয়ে বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র ব্যবহার করা অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর বলে তবে একদল গবেষক জানিয়েছেন। যদিও শহরাঞ্চলে এই সকল বাঁশেরতৈরি জিনিসপত্রের তেমন ব্যবহার দেখা যায় না। আপনার প্রতিটি ছবি অনেক স্পষ্ট। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপি আপনার সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
বাঁশের তৈরি হস্ত শিল্প যুগ যুগ ধরে চলে আসতাছে, বাঁশ তৈরির কারিগর রা নিখুঁত ভাবে এসব জিনিস তৈরি করে, এসব বাঁশের তৈরি আসবাবপত্র গৃহস্থালির অনেক কাজে লাগে, বাঁশ থেকে ঘরের খুঁটি এবং মাঁচা হয়, ও ধান রাখার গোলা তৈরি করা হয়, বাঁশ দিয়ে ঘরের সিলিং তৈরি করা হয় গ্রাম অঞ্চলে। বাঁশ শিল্পের সাথে মানুষের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বাঁশ শিল্পের আসবাবপত্র অনেক মানসম্মত। যারা বাঁশ শিল্পের সাথে জড়িত তাদের জীবন অনেক সংগ্রামের। এখন আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে মানুষ এসব আর তেমন ব্যবহার করতে চায়না। তাই বেচাকেনা তেমন নয় বললেই চলে। তবো এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে এসব বাঁশ শিল্পের সাথে অনেক মানুষ জরিয়ে আছে। ভালো থাকুক এসব মানুষগুলো। আপনি বাঁশ নিয়ে অনেক সুন্দর উপস্থাপন করছেন ভাই। অনেক ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এতো সুন্দর পোস্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ মিয়া ভাই
বাঁশ আমাদের দৈন্দিন জীবনের অনেক কাজে ভূমিলা পালন করে থাকে। বাঁশ দিয়ে ঘরের আসবাব পত্র সহ ঘর বাড়ির কাজ সবকিছু করা হয়ে থাকে। বাঁশ দিয়ে কুলা,ডালি, খচিলা,ইত্যাদি তৈরি করা হয়। বাশেঁর ব্যবহার গ্রাম অঞ্চলে বেশি হয়। আপনাকে ধন্যবাদ ভাই।
বাঁশ আমাদের অনেক কাজে লাগে। গ্রামে গাঁয়ে এই বাঁশের উৎপাদন হয়। বাঁশ দিয়ে অনেক হস্তশিল্প তৈরি করা যায়।যা আমাদের সাংসারিক জীবনে নানা কাজে লাগে ।যেমন কুলা যা চাল,ডাল,গম ইত্যাদি থেকে ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। হাঁস, মুরগি আলাদা করে রাখার জন্য বাঁশের তৈরি টোপা ব্যবহার করা হয়। আপনি অনেক সুন্দর একটা পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আপনার পোস্ট পড়ে আমি অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে পোস্ট টি পড়ার জন্য।
বাঁশ আমাদের দৈন্দিন জীবনের অনেক কাজে ভূমিলা পালন করে থাকে। বাঁশ দিয়ে ঘরের আসবাব পত্র সহ ঘর বাড়ির কাজ সবকিছু করা হয়ে থাকে। খুবেই সুন্দর ছবি তুলেছেন ভাইয়া। লেখাগুলাও অনেক সুন্দর হয়েছে। আপনার মতো লেখা ও ছবি তুলার জন্য চেষ্টা করি সবসময়।
ধন্যবাদ ভাই
বাঁশ দিয়ে এমন সুন্দর ডিজাইন এর অনেক কিছু তৈরি করা যায়।বাঁশ আসলেই অসাধারণ একটা জিনিস। আর এই লোকেরা অনেক সুন্দর করে এই জিনিসগুলো তৈরি করে। ধন্যবাদ আপনাকে এত চমৎকার একটি বিষয় আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ দাদা আপনার সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
বাঁশের তৈরি হস্তশিল্প আমাদের সবার বাসায় আছে, আমরা বাঁশের তৈরি জিনিস গুলো কিছু না কিছু একটা কাজ করে থাকি।আমাদের ঘরে ঘরে এ সব জিনিস ব্যবহার করি।তবে এখন আধুনিকতার ছোঁয়ায় এই বাঁশের তৈরি জিনিস গুলো খুব কম দেখা যায়। যারা যুগ ধরে আমাদের মাঝে এই বাঁশের তৈরি জিনিস গুলো টিকিয়ে রাখছে,শুধু তারাই টিকিয়ে রাখতে পারবে।যারা বাঁশের তৈরি জিনিস গুলো বানায় তারা খুব ধৈর্য ধারন ধরে কাজ করে।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটা পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার মন্তব্য প্রকাশ করার জন্য।