দিনাজপুর কাচারী বাজার পুরাতন বই ভান্ডার।
আসসালামু আলাইকুম আপনারা সবাই কেমন আছেন?আশা করতেছি ভাল আছেন। আজকে আমি দিনাজপুরের কাচারী বাজারের পুরাতন বই ভান্ডার সম্পর্কে আপনাদের সামনে আলোচনা করব।আশা করি আপনাদের সবাইকে ভালো লাগবে।
একটি জাতি গঠনে মূল ভূমিকা রাখে শিক্ষা।আর এই শিক্ষা অর্জন করতে হলে আমাদেরকে বই পড়তে হবে।বই হলো এমন একটি জিনিস যার মাধ্যমে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি। অনেক কিছু জানতে পারি। কোন বিষয় নিয়ে কোন কিছুর তথ্য বা উপাত্ত সংগ্রহ করতে বই হলে একমাত্র উপায় বই।যার কারণে যুগ যুগ ধরে এই বইয়ে মানুষ তাদের জ্ঞান লিখে রেখেছেন অর্থাৎ তারা তাদের জ্ঞান, তথ্য বা উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন এই বইয়ের মধ্যে।বই হয়তো আপনাদের পড়তে ভালো লাগে কিন্তু আমার তেমন বই পড়তে ভালো লাগে না। মাঝে মাঝে শুধু ভূতের গল্পের বই পড়ি। আর একাডেমিক বই পড়তে হয় বাধ্য হয়ে।
বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষার হার অনেক বেশি। যার কারনে বইয়ের প্রকাশনী গুলো বই অনেক বেশি করে ছাপায়। একাডেমিক সরকারিভাবে সরকার প্রথম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত বই ফ্রি করে দিয়েছে সবার জন্য।বইয়ের পাশাপাশি আমাদের গাইড বই এরও প্রয়োজন হয়।যার প্রধান কারণ হলো বইকে বা বইয়ের তথ্যগুলোকে বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে গাইড বই।বই কেনার জন্য আমরা সাধারণত লাইব্রেরীতে গিয়ে থাকি। কারণ লাইব্রেরি হলো একমাত্র বইয়ের ভান্ডার কিন্তু বাংলাদেশে লাইব্রেরীর মত পুরাতন বইয়ের ভান্ডারের দোকান রয়েছে।
এসব পুরাতন বইয়ের ভান্ডার গুলোতে কয়েক বছর আগের বই বিক্রি করা হয়।যার কারণে অনেক শিক্ষার্থী সেসব দোকানগুলোতে বই কিনে থাকেন এবং তারা খুব কম দামে বই পেয়ে থাকেন।বিশেষ করে আমাদের দেশে যারা মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত তারা এই সকল বইগুলো কিনে থাকেন। কারণ তাদের কাছে নতুন বই কেনার তেমন অর্থ থাকলেও নতুন বই কেনা অনেকটা বিলাসিতার মত হয়ে যায়।তাই তারা পুরাতন বইয়ের দিকে ছুটে যায়।যদিও অনেক ক্ষেত্রেই পুরাতন বইয়ের নতুন বইয়ের সংস্করণ অনেকটা একই থাকে। আপনারা যে ছবিগুলো দেখছেন সেগুলো হলো দিনাজপুর কাচারী বাজারের পুরাতন বইয়ের দোকান গুলোর ছবি।
এই দোকানদারেরা ভ্যানে করে সকাল সকাল পুরাতন বইগুলো নিয়ে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং পুরাতন বই বিক্রি করেন। আমার জানামতে দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে উচ্চ শিক্ষার প্রায় সব পুরাতন বই এখানে পাওয়া যায়। তাদের কাছে গিয়ে বইয়ের নাম বললে তারা খুঁজে খুঁজে আপনাকে সেই সকল পুরাতন বই খুঁজে দেবেন।আজকে আমি আমার এক ছোট ভাইয়ের সঙ্গে দিনাজপুর কাচারী বাজার গিয়েছিলাম তার বোনের গাইড বইয়ের জন্য।আমরা সেখানে গিয়ে একটি দোকানের ভিতরে ঢুকি এবং দশম শ্রেণীর ১৩ টি গাইড বই নেই।
১৩ টি গাইড বইয়ের দাম আমাদের কাছ থেকে ১৩০০ টাকা নেয়।দোকানদার অবশ্য আমাদেরকে বলেছেন যে বইয়ের কোন সমস্যা থাকলে তার কাছে আবারো নিয়ে আসতে পারবো আমরা। যাইহোক পুরাতন হোক বা নতুন, বই কেনার আনন্দই হলো অন্যরকম।
| আসসালামু আলাইকুম, আমার নাম মোঃ রাহুল কাজী। আমার স্টিমিট ব্যবহারকারীর নাম @রাহুলকাজী। আমি দিনাজপুর জেলার চিরিবন্দর উপজেলার বাসিন্দা। আমি বর্তমানে দিনাজপুর সরকারি কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ছি। আমি আমার পরিবার ও সমাজের মানুষকে খুব ভালোবাসি। আমি খেতে এবং আঁকতে ভালোবাসি। আমি সত্যিই steemit কাজ উপভোগ করি। |
|---|
You can also vote for @bangla.witness witnesses
দিনাজপুর কাচারী বাজারে অনেক বছর আগ থেকে পুরাতন বই বিক্রি করা হয়। আমিও ওইখান থেকে অনেক বই সংগ্রহ করেছি। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি পোষ্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
ধন্যবাদ আপনাকে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
দিনাজপুর কাচারী বাজার একটি জনসমাগমপূর্ণ এলাকা। আর এই কাচারি বাজারে পুরাতন বই বিক্রির দোকান পাওয়া যায়। যেগুলো থেকে অনেকেই পুরাতন বই সংগ্রহ করে থাকেন। আমি কোনদিন এখান থেকে বই নেইনি। অনেক সুন্দর একটি বিষয় উপস্থাপন করেছেন ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকে।
দিনাজপুর কাচারীতে আমিও এক বার বই কিনেছিলাম। এখানৈ স্বল্প মূল্যে ব্যবহার করা বই কিনতে পাওয়া যায়।
ধন্যবাদ আপনাকে।
দিনাজপুর বড় মাঠ মেইন রোডে এই কাচারী দোকান গুলো লক্ষ্য করা যায়। এখানে অল্প মূল্যে ব্যবহারিক নতুন ও পূরাতন বই পাওয়া যায়। শুধু বই না কাপড় ও কিনতে পাওয়া যায়। এখানে সকল ধরনের লোকের আনাগোনা দেখা যায়।
ধন্যবাদ আপনাকে।
Twitter link
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষাহীন জাতি পশুর সমান। পুরনো বইয়ের দোকান সম্পর্কে অনেক সুন্দর উপস্থাপন করেছেন ভাই। আমি ছোটবেলা থেকেই বই বিক্রি করতাম না। দাদির মুখে শুনতাম বই বিক্রি নাকি করা লাগে না। পুরনো বই এর দোকান থেকে বই কিনলে অল্প দামে কাঙ্খিত বই পাওয়া যায়। সুন্দর সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন ভাই অনেক ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকে।
দিনাজপুরে এই কাচারী থেকে আমি অনেক বই কিনেছি।আপনার পোস্ট দেখে ভাই অনেক পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল। এখানে অনেক পুরাতন বই পাওয়া যায়।যেগুলো বিভিন্ন জায়গায় খোঁচাখুঁজি করেও পাওয়া যায় না। ফটোগ্রাফি গুলো ভালো হয়েছে। শুভকামনা রইল
ধন্যবাদ আপনাকে।