ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র বাঁশি ও একটি বাঁশির দোকান।
আসসালামু আলাইকুম,
সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
ছবিটি তৈরি করা হয়েছে ক্যানভা দিয়ে।
আমাদের দেশে যুগ যুগ ধরে অনেক রকমের বাদ্যযন্ত্র রয়েছে এর ভেতর অন্যতম হলো বাঁশি। বাশিআমাদের ভেতর প্রায় সবাই কমবেশি চিনে থাকি আমরা।প্রাচীনকাল থেকে আমাদের দেশে বাঁশির ব্যবহার রয়েছে। পৃথিবীর প্রায় প্রাচীনকাল থেকে সব জায়গায় এর বাঁশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাদ্যযন্ত্র হিসেবে সমাহিত রয়েছে। বাঁশির সুর প্রায় সবাইকে আকৃষ্ট করে।বাশি হলো বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র।
কয়েক মাস আগে আমি দিনাজপুরের একটি ঐতিহ্যবাহী মেলা গোয়ালের মেলায় গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমি একটি বাশির দোকান দেখতে পাই।সেখানে আমি কিছু ছবি তুলে নেই বাঁশির। কারণ বাশি আমাকে দেখতে খুব ভালো লাগে।ছোটবেলায় আমি অনেক বাঁশি বাজিয়েছিলাম ছোটবেলায় আমার মনে আছে আমাদের গ্রামীণ মেলায় আমি একটি ছোট্ট বাঁশি নিয়েছিলাম।এর দাম প্রায় ৫০ টাকার মত ছিল। সেখানে আমি বাঁশি নিয়ে বাড়িতে আসি এবং বাড়িতে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় দিনের মতো বাঁশি বাজাই।
তবে সেই বাঁশিটি আমার হারিয়ে গিয়েছিল।গ্রামীণ মেলায় গিয়ে তখন আমার সেই বাশির কথা মনে পড়ে। বাশির সুর আমাদের প্রায় ছোট বড় সবাইকেই ভালো লাগে।বইয়ে পড়েছিলাম ছোটবেলায় যে রাখালেরা বাঁশি বাজায়। রাখালের বাঁশির সুর সবাইকেই মুগ্ধ করে। প্রাচীনকাল রাখালেরা সাধারণত দেখা যায় যে তাদের পশু নিয়ে যখন মাঠে চরাতে যায় তখন তারা গাছের নিচে বসে বাজায় এবং আরাম করে।তাদের সেই বাঁশির সুর অনেক মনোমুগ্ধকর হয়।
| বাশির দাম | ৫০ টাকা | ২ স্টিম |
|---|
তবে বর্তমানে বাঁশির ব্যবহার দেখা যায় বিভিন্ন রকম গানের জন্য বাদ্যযন্ত্র হিসেবে।অনেক গানের স্টুডিওতে বা যারা গান করে তারা এই বাঁশি ব্যবহার করে।কারণ বাঁশির সুর খুব ভালো লাগে সবাইকে ও বাঁশির সুরের সঙ্গে গান গাইলে গানটি বেশ ভালো হয়।বিশেষ করে ভাওয়াইয়া গানে বা লোকসঙ্গীতে এই বাঁশির ব্যবহার সব থেকে বেশি দেখা যায় বাংলাদেশে।ঢোল তবলা আর অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে এই বাঁশের ব্যবহার খুব ভালো মানায়।
আমাদের দেশে বাঁশি বিভিন্ন রকমের পাওয়া যায় ছোট বড় অনেক রকমের বাসি রয়েছে। তবে যারা সাধারণত প্রফেশনালি বাঁশি বাজায় তাদের জন্য খুব ভালো ভালো বা মানসম্মত বাশি রয়েছে।যেগুলোর দাম অনেক বেশি। আবার দেখা যাবে বিভিন্ন রকম মেলাতে বা ছোটখাটো দোকানগুলোতে বাঁশি পাওয়া যায়।সেগুলো আসলে খুব একটা উন্নত মানের না।
তবে যাই হোক মেলায় দেখে বেশ ভালই লাগলো।সেখানে আরো বেশ কয়েকটি দোকান রয়েছে সেগুলো বাঁশি নিয়ে এসেছিল।ছোট বড় প্রায় অনেক রকমের বাঁশি ছিল সেখানে এবং দামের অনেক তারতম্য ছিল। ছোট বাচ্চারা বাশি নিয়েছিল দেখেছিলাম। তবে বাঁশি সেখানে তেমন বিক্রি হচ্ছিল না। কারণ মানুষের এখন আর তেমন আগ্রহ নেই বাঁশির প্রতি।
পরিশেষে বলতে চাই বাসি হলো আমাদের একটি ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র।যা বর্তমানে বিলুপ্তির পথে। আগে মানুষ যেমন গ্রাম গ্রামে বাশি বাজাতো এখন আর তেমন আর নেই।যার প্রধান কারণ হিসেবে বলা চলে আধুনিকতার অনেক ডিভাইস যেমন, মোবাইল ফোন। পোস্টটি ভাল লাগলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করবেন।আপনি কোথায় কোথায় বাঁশি দেখেছেন অবশ্যই জানাবেন আমাকে।
| আসসালামু আলাইকুম, আমার নাম মোঃ রাহুল কাজী। আমার স্টিমিট ব্যবহারকারীর নাম @রাহুলকাজী। আমি দিনাজপুর জেলার চিরিবন্দর উপজেলার বাসিন্দা। আমি বর্তমানে দিনাজপুর সরকারি কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ছি। আমি আমার পরিবার ও সমাজের মানুষকে খুব ভালোবাসি। আমি খেতে এবং আঁকতে ভালোবাসি। আমি সত্যিই steemit কাজ উপভোগ করি। |
|---|
You can also vote for @bangla.witness witnesses
ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র বাঁশি নিয়ে আপনি চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন। অনেক সুন্দর সুন্দর তথ্য প্রকাশ করেছেন। সত্যিই বাঁশির সুর মন ছুঁয়ে যায়। ছোটবেলায় আমরা বইতে পড়েছিলাম যে রাখাল বাঁশি বাজায়। আপনি আপনার পোষ্টটি অনেক সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন। ছবিগুলো যথেষ্ট সুন্দর হয়েছে। এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন ।
ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য
ঐতিহ্যবাহী বাঁশের তৈরি বাঁশি।বাঁশির সুর শুনতে অনেক ভালোই লাগে। বাঁশি সাধারণত হাট বাজারে দেখা পাওয়া যায় না। তবে এই রকম বাঁশির দোকান মেলার দেখতে পাওয়া যায়। আপনি বাঁশি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানিয়েছেন। এবং বাঁশির দামসহ উল্লেখ করেছেন।ঐতিহ্যবাহী বাঁশি নিয়ে খুব সুন্দর একটা পোস্ট শেয়ার করছেন। ধন্যবাদ ভাই
ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য
বাঁশি এবং বাঁশির দোকান নিয়ে আপনি খুব সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন। বাঁশির দাম সম্পর্কে আমার ধারণা ছিল না তবে আপনার এই পোস্টটি পড়ে আমি জানতে পারলাম যে ৫০ টাকা দিয়েও বাঁশি কিনতে পাওয়া যায়। ধন্যবাদ আপনাকে এই পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য
ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এই বাঁশের তৈরি বাঁশি, যুগ যুগ ধরে এই বাঁশি মানুষের বিনোদন দিয়ে আসতাছে। অনেক সুন্দর লিখছেন ভাই। আপনার উপস্থাপনা যথেষ্ট ভালো লাগলো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য
বাঁশের বাঁশী আমাদের একটি ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র। আদিমকাল থেকে বাঁশের বাঁশি তৈরি করে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে আমাদের দেশের মানুষ। আপনি অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন বাঁশের বাশি নিয়ে। সাধারণত এইসকল বাঁশি বিভিন্ন মেলায় দেখতে পাওয়া যায়।
ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য
ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র বাঁশি ও একটি বাঁশির দোকান নিয়ে অসাধারণ লেখছেন ভাই, আদিমকাল যুগ থেকে এই বাঁশি ব্যবহার করা হচ্ছে, আপনি অনেক সুন্দর লেখছেন ভাই, আপনার পোস্ট পরে আমি অনেক কিছু জানতে পারলাম, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটা পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য
ধন্যবাদ আপনাকে কমেন্ট করার জন্য
বেতের তৈরি বাঁশি নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন।এই বাঁশি তেমন একটা দেখা যায় না। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন।সুন্দর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে ধাপে ধাপে লিখেছেন। ধন্যবাদ ভাই।
মন ডোলে মেরা প্যান ডোলে কিসে কাহা গায়া কার হে কন বাজায়ে বাসুরিয়া। বাঁশি বাজাতে কার না ভালো লাগে ছোট-বড় সবারই প্রায় এ বাদ্যযন্ত্র বাঁশি বাজাতে ভালো লাগে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে বাঁশি সম্পর্কে উপস্থাপন করেছেন আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপহার দেওয়ার জন্য।
আমি কিছুদিন আগে একটি মেলায় গিয়েছিলাম। সেখানে এ ধরনের অনেক বাঁশি দেখেছিলাম।যিনি বাঁশি বিক্রি করতেছিলেন মাঝে মাঝে বাঁশি বাজাচ্ছিল।অনেক সুন্দর সুর তুলতে পারেন।ছোটবেলায় একবার বাঁশি কিনেছিলাম। অনেক ভালো লিখেছেন, শুভকামনা রইল