মাটির তৈরি ঐতিহ্যবাহী মসলা বাঁটার "বাঁটনা"
আসসালামু আলাইকুম,প্রিয় স্টিম ফর ট্রাডিশন কমিউনিটির ব্লগারবৃন্দরা সকলে কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহ তায়ালার অশেষ কৃপায় আপনারা সকলে ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।
কুমারের তৈরি মাটি দিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী বাঁটনা।আমাদের গ্রাম অঞ্চলে বা দেশে এই বাঁটনা অনেক ব্যবহার করা হয়, এই বাঁটনাকে আবার অনেক নামে কেউ কেউ চিনে,আমাদের গ্রাম অঞ্চলের মানুষ ভাষা হলো "বাটনা" এই বাঁটনা আমাদের কম বেশি সবার ঘরে ঘরে রয়েছে, এই বাঁটনা দিয়ে আমরা প্রয়োজনীয় কাজ অনেক করি।এই বাঁটনা হলো আমাদের প্রচীনকাল থেকে আমাদের সাথে জরিয়ে রয়েছে।
আমাদের গ্রাম অঞ্চলে প্রতিটা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক আছে এই বাঁটনা,এই বাটনা আমাদের প্রতিটা সংসারের কাজে লাগে, এই বাঁটনা দিয়ে আমরা নানান ধরনের ময় মসলা গুলো গুড়ো করি,এই বাঁটনায় মসলা বা যেকোনো জিনিস বাটা বাঁটি করলে তার স্বাদ অনেক সুন্দর হয়।সব থেকে বেশি ব্যবহার হয় এই ভর্তার জন্য, যেমন আলুর ভর্তা,রসুন ভর্তা,আগে আমি শুনছিলাম এই বাঁটনায় নাকি মানুষ চাল গুড়ো করতো।
এই বাঁটনা তৈরি করা হয় মাটি দিয়ে।এই বাঁটনা তৈরি করতে তাদের ভালো মানের একটা মাটির প্রয়োজন পরে,তবে তারা কিন্তু সব মাটি দিয়ে এই বাঁটনা তৈরি করতে পারবে না।এটা একটা ভালো মানের মাটি দিয়ে তৈরি করে,যাতে করে এর মধ্যে বাঁটাবাটি করলে যেনো ভেঙে না যায়,এটা ভালো মাটি দিয়ে তৈরি করলে অনেক মজবুত হয়। এটা তৈরি করার পর এটা তৈরি করার পর তারা আগুনে পুড়ে,তারা কিন্তু এই বাঁটনায় বিভিন্ন ধরনের নকশা তৈরি করতে পারে, আর নকশা গুলো দেখতেও খুব সুন্দর লাগে। আর বাঁটনার মধ্যে নকশা দেওয়ার কারন হলো,এই নকশা গুলো যতদিন থাকে তাতে সুন্দর ভাবে ভর্তা করা,আর যদি নকশা গুলো আস্তে আস্তে উঠে যায় তখন ভর্তা করা খুব কষ্টকর হয়ে দারায়।
মাটি দিয়ে কুমারেরা বিভিন্ন ধরনের জিনিস তৈরি করে, হাঁড়ি পাতিল থেকে এই বাঁটনা পর্য়ন্ত অনেক ধরনের জিনিস তৈরি করে, আর মাটির তৈরি জিনিস গুলো দেখতেও খুব ভালো লাগে আগে দেখা যেতো কুমারেরা ভ্যানে করে বা তাদের কাঁধে করে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াতো,তারা এই মাটির তৈরি জিনিস গুলো বিক্রি করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। আর এখন হাট বাজারেও এই মাটির তৈরি জিনিস গুলো পাওয়া যায়, তবে আগের থেকে এখন খুব কম পাওয়া যায়, আধুনিকতার ছোঁয়ায় মাটির তৈরি জিনিস গুলো হারিয়ে যাচ্ছে।
বাঁটনায় ভর্তা বা কিছু জিনিস গুড়ো করার জন্য বাঁটার সাথে একটা লাঠি দরকার পরে,লাঠি টি বাঁশের বা কাঁঠেরো হতে পারে।কাঁঠের তৈরি লাঠিটিই মেশিন বা কোনো যন্ত্র দিয়ে বানানো হয়, আর যেটা বাঁশের তৈরি লাঠি এটা আমরা হাত দিয়ে তৈরি করতে পারি।আমাদের গ্রাম অঞ্চলে এই লাঠি আমরা হাত দিয়ে তৈরি করে থাকি,আজকে আমি এখানেই ইতি টানলাম আপনারা সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন,, আল্লাহ হাফেজ,,
| ডিভাইস | Redmi 9A |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @polash123 |
| লোকেশন | যশাই হাট,পার্বতীপুর |
| আসসালামুআলাইকুম,আমার নাম মোঃ পলাশ সরকার রাজু । আমার স্টিমিট ইউজার নেম @polash123 আমি দিনাজপুর জেলার, পার্বতীপুর উপজেলার একজন বাসিন্দা। আমি পড়া শুনা করি এবং পড়াশোনার পাশাপাশি স্টিমিট প্লাটফর্মে কাজ করি। আমি ক্রিকেট খেলতে অনেক ভালোবাসি।আর ক্রিকেট খেলা দেখতেও খুব ভালবাসি।মাঝে মাঝে সময় পেলে যে কোন ধরনের ফটোগ্রাফি করি। আর অংকন করতেও ভালবাসি।আপনারা সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ ও নিরাপদে থাকবেন। |
|---|
You can also vote for @bangla.witness witnesses
বাটনা নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন।এই বাটনা আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করে থাকি।বাটনা নিয়ে অনেক সুন্দর লিখেছেন ভাই । অসাধারণ হয়েছে পোস্ট। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাই
মাটির তৈরি বাঁটনা। এই মাটির তৈরি বাঁটনা সবার বাড়িতে পাওয়া যায়। এটা একটা গ্রামের ঐতিহ্য।এই বাটনার মাধ্যমে মসলা খুব তাড়াতাড়ি মিনি করা যায়।আপনি খুব সুন্দর একটা পোস্ট শেয়ার করছেন ভাই। আপনি খুব সুন্দর লেখছেন ভাই।
ধন্যবাদ ভাই
আমাদের প্রায় সবার কাছে খুব পরিচিত একটি জিনিস হল এই মসলা বাটার বাটনা। এই বাটনা দিয়ে খুব সুন্দর ভাবে মসলা ঝাল আরো অনেক কিছুই বাটা হয়। কারণ তরকারিতে দেওয়ার উপযোগী করার জন্য এই বাটনা দিয়ে মসলাগুলো ভালো করে বাটা হয় ও তরকারিতে দেওয়া হয় যেন তরকারি স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। খুব সুন্দর একটি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন আমাদের মাঝে ধন্যবাদ ভাই।
ধন্যবাদ আপনাকে
মাটির তৈরি এসব বাঁটনা উত্তরাঞ্চলে খুবই জনপ্রিয়। কুমারেরা এসব বাঁটনা তৈরি করে। উত্তরাঞ্চলে প্রতিটা ঘরে ঘরে এসব বাঁটনা দেখা যায়। খুব সহজেই এসব বাঁটনাদিয়ে মসলা বাটা যায়। এটি একটি সহজ মাধ্যম। আপনি অনেক সুন্দর সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন ভাই,অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
ধন্যবাদ আপনাকে
বাট না আমাদের নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। এটি মশলা বাটার কাজে আমাদের প্রতিদিন লাগে। আর এটি আমরা অনেক সহজে ব্যবহার করতে পারি। এজন্য এর ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে। আপনি অনেক সুন্দর করে পোস্টটি সাজিয়েছেন। বেশ সাজে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন। এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ আপনাকে
উত্তরাঞ্চলে এগুলোর ব্যবহার অনেক বেশি। আমাদের এলাকায় এগুলো তেমন কেউ ব্যবহার করে না।বাটনা অনেক ঐতিহ্যবাহী জিনিস। কুমার পেশা যতদিন টিকে থাকবে, এই জিনিস ততোদিন টিকে থাকবে। অনেক ভালো লিখেছেন। শুভকামনা রইল
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই
প্রাচীন কাল থেকে এই মাটির তৈরি হাড়ি পাতিল ব্যবহার হয়ে থাকে।কিন্তু এখন প্রয প্রযুক্তির ভিড়ে আজ বিলুপ্তি প্রায় দারপ্রান্তে এই শিল্পটি। তবে প্রত্যেকটা বাড়িতে প্রায় বাটনি দেখা যায়। এই বাটনির সাহায্যে মরিচ ও মসলা বাটা হয়ে থাকে।
ধন্যবাদ আপনাকে
মাটির তৈরি বাটনা আমাদের প্রতিদিন সাংসারিক কাজে লাগে, এই বাটনায় আমরা অনেক ধরনের ভর্তা করে থাকি,মাটির তৈরি জিনিস গুলো কুমারেরা তৈরি করে।তারা অনেক সুন্দর ভাবে নকশা গুলো দেয়।অনেক সুন্দর একটা পোস্ট উপস্থাপন করেছেন, ধন্যবাদ আপনাকে
ধন্যবাদ
মাটির তৈরি ঐতিহ্যবাহী মসল্লা বাঁটার "বাঁটনা" নিয়ে সুন্দর একটি উপস্থাপনা। আমাদের গ্রাম অঞ্চলের মানুষের এটি বেশি ব্যবহার করে থাকে। সুন্দর ও চমৎকার একটি উপস্থাপনা।
ধন্যবাদ ভাই