মাটির তৈরি ঘর সাজানোর জন্য বিভিন্ন শোপিস।
মাটির তৈরি শিল্পকে মৃৎ শিল্প বলে। বিভিন্ন ধরনের মৃৎশিল্প আমাদের গৃহের কাজে ব্যবহার করা হয়। তবে ঘরের সৌন্দর্য বর্ধনেও মৃৎশিল্প ব্যবহার করা হয়। আজকে আমি ঘরের সৌন্দর্যের জন্য ব্যবহার করা কিছু শিল্প বা মাটির তৈরি জিনিসপত্র নিয়ে আপনাদের সাথে লিখবো। আমরা সবাই চাই ফুল কিংবা ফল ঘরের মধ্যে সাজিয়ে রাখার জন্য। মৃৎশিল্পীরা মাটি দিয়ে বিভিন্ন ফলের আকৃতি বানিয়েছেন। চলুন শুরু করি,
নিচে আমি আপনাদের সাথে যে মাটির তৈরি ফলের থালাটি উপস্থাপন করেছি সেটি আমি একটি গ্রামীণ মেলা থেকে কিনেছিলাম। মেলাটি ছিল কান্তজিও মন্দির কে কেন্দ্র করে একটি মেলা। এগুলো বিক্রির ধরন একটু আলাদা। এই থালাটি কিনে আপনি আপনার পছন্দমত ফল আপনি সেই থালা সাজানোর জন্য নিতে পারেন। সেখানে অনেক ধরনের মাটির ফল আছে। তার মধ্যে আমি এই ফলগুলো কিনেছি। অনেক বছর আগে এই ফলগুলো কেনার কারণে আমার বর্তমান মূল্য এবং আগের মূল্যের মধ্যে বেশ তারতম্য দেখা যাবে। এখানে আমি প্রতি পিস ফল কিনেছিলাম ৫ টাকা করে। বর্তমানে নিশ্চয়ই এই ফলগুলো দাম অনেক বেশি বেড়ে গিয়েছে। আমার কেনা ফলগুলোর মধ্যে অনেকগুলো এখনো নতুনের মতো থাকলেও বেশ কিছু ফল ভেঙে গিয়েছে।মাটির তৈরি জিনিসপত্র এই সমস্যা হাত থেকে পড়ে গেলে এটি ভেঙে একদম টুকরো টুকরো হয়ে যায়।
প্রথমে আমি আপনাদের সাথে যে ফলটি সম্পর্কে লিখব সেটি হল তরমুজের টুকরো। এই ফলগুলোর মধ্যে তরমুজের টুকরোটি দেখতে হুবহু বাস্তবের মত দেখা যাচ্ছে। দেখে মনেই হবে না এটি মাটির তৈরি করা তরমুজ। এটি বাস্তব তরমুজের মতোই বাইরের অংশ বা খোসা সবুজ এবং ভেতরের অংশ টকটকে লাল। লাল অংশের মধ্যে আবার কালো রঙের বীজ আঁকানো রয়েছে। এটি দেখে আমার অত্যন্ত ভালো লেগেছে। আমার সবগুলো ফলের মধ্যে তাই এটি বেশি পছন্দ কেননা এটি দেখতে বাস্তবে মতোই।
এখন আমি আপনাদের সাথে যে ফলটি নিয়ে লিখব সেটি হলো তাল।এ প্রজন্মের অনেকেই তালগাছ সম্পর্কে জানলেও বাস্তবে তাল খুব কমই দেখেছে। তাল আসলে একটি অপ্রচলিত ফল এবং এর রস খাওয়া হয় দেখে অনেকেই এগুলো কিনে নিয়ে আসে না। এই মাটির তৈরি তালটি একদম তালের মতন নিচের অংশটুকু কালো রং দিয়ে আঁকানো হয়েছে এবং উপরে সবুজ রঙের খোসা দেওয়া হয়েছে। যদি ওইটি দেখে বোঝাই যাচ্ছে কৃত্রিম তারপরও এর মাঝে অন্যরকম সৌন্দর্য রয়েছে।
এখন আমি আপনাদের সাথে যেটি নিয়ে লিখব সেটি হল কলা। আমি আগে আপনাদের সাথে বলেছি এটি আমি অনেক আগে কিনেছিলাম তাই কিছু ফল সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গিয়েছে এবং কিছু ফল আংশিকভাবে ভেঙে গিয়েছে। এখানে আমি আপনাদের সাথে যে কলার মাটির ফলটি শেয়ার করছি সেটির একটি অংশ ভেঙে গিয়েছে। হলুদ রং থাকার কারণে এই ফলটি খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে এটি কলা।
এখন আমি আপনাদের সাথে সর্বশেষ যে ফলটি সম্পর্কে লিখব সেটি হল করলা। করলা আসলে একটি ফল না করলা মূলত একটি সবজি। যদি অতি তিক্ততার জন্যই করলা আমি খাই না কিন্তু এই মাটির করলা আমি ঠিক কি কারনে কিনেছি আমি নিজেও জানিনা। ফলের ঝুড়িতে করলা আসলো কিভাবে আমি জানিনা।
ধন্যবাদান্তে,
@pea07
মাটি দিয়ে তৈরি এসব খেলনা শোপিস গুলো দেখতে অনেক সুন্দর হয়। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা মেলায় বা অন্য কোথাও এসবের দেখা পেলে কেনার জন্য বায়না ধরে। আপনি মৃৎশিল্প নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন আপু। এসব শোপিস বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় সাজিয়ে রাখা যায়। আপনার পোস্টটি দেখে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
ধন্যবাদ আপনাকেও
মৃৎশিল্পকে আমরা আমাদের মনের খোরাক বলতেই পারি তাই না আপু । মাটির তৈরি ফল গুলো আমি আগে কিনে আমার পড়ার টেবিলে রাখতাম।করলা টা অরিজিনাল লাগতেছে। কৃত্রিম হলেও সব গুলোর মাঝে একটি সৌন্দর্য রয়েছে।
ধন্যবাদ ভাইয়া
মাটির তৈরি বিভিন্ন শোপিস ঘরের সাজসজ্জায় অনেক আগে থেকে মানুষ ব্যবহার করতো। মাটি দিয়ে এসব শোপিস কুমারেরা বানিয়ে থাকে, এমনভাবে রং দেওয়া হয় দেখে মনে হয় একদম অরজিনাল। সুন্দর সাজিয়ে গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন আপু। ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
ধন্যবাদ আপনাকেও
মাটির তৈরি শোপিস নিয়ে দারুণ লেখছেন আপু।মাটির তৈরি শোপিস এগুলো ঘরে রাখলে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাই।আমার ঘরেও এগুলো ছিল বর্তমান এখন নাই।আপনি সুন্দর বিস্তারিত আলোচনা করছেন আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
ধন্যবাদ ভাইয়া
মাটির তৈরি খেলনা গুলো দেখতে সত্যি অনেক সুন্দর হয়ে থাকে, অনেক মনোরঞ্জন জিনিস পত্র, আপনার প্রতিটি শোপিস এর সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন, পোস্টি পরে খুবই ভালো লাগলো, শুভকামনা রইলো আপনার জন্য আপু।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
ঘর সাজানোর জন্য মাটির তৈরি বিভিন্নরকম সপিজ নিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন আপু। একটা সময় ছিলো যখন এগুলো খুবই জনপ্রিয় ছিলো আর মানুষ এগুলো দিয়ে ঘর সাজাতো। আলমারি, টেবিল, শোকেস ইত্যাদি যায়গায় এগুলো রেখে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতো। তবে এখন এগুলো দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।
ধন্যবাদ ভাইয়া
এরকম মাটির তৈরি শোপিস আমাদের বাসায় রয়েছে।আমার ছোট মামা আমাকে এগুলো কিনে দিয়েছিল।ছোটবেলায় এগুলো দিয়ে আমি খেলতাম।এখন এগুলো যত্ন করে রেখে দিয়েছে।ধন্যবাদ আপু মাটির তৈরি শোপসগুলো নিয়ে সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য
ধন্যবাদ আপু আপনাকে
এই মাটির তৈরি শোপিস গুলো প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই আছে। কারণ একসময় এদের বিপুল জনপ্রিয়তা ছিল। আর এগুলো দেখতেও অনেক কিউট। যে কারণে সহজে সবার মনে জায়গা করে নিতে পারে। এগুলো সব থেকে বেশি বাচ্চারা পছন্দ করে। সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপু
You always rock mam....
Its very too see this